শুধুমাত্র গোলাপি বল দিয়েই দর্শক টানা যাবে না : দ্রাবিড়

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০:৫০ এএম, ২১ নভেম্বর ২০১৯

কলকাতার ঐতিহাসিক ইডেন গার্ডেনস স্টেডিয়ামে দর্শক ধারণক্ষমতা প্রায় ৬৬ হাজারের বেশি। ধারণা করা হচ্ছে, শুক্রবার থেকে শুরু হতে যাওয়া ভারত-বাংলাদেশের মধ্যকার দিবারাত্রির টেস্টের পুরোটা সময় কানায় কানায় পূর্ণ থাকবে স্টেডিয়াম।

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলি জানিয়েছেন টেস্টের প্রথম চারদিনের সব টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে। যা দেখে আয়োজকদের মনে এসেছে স্বস্তি। অনেকেই মানছেন গোলাপি বলের দিবারাত্রির টেস্ট হওয়ার কারণেই মূলত দর্শকদের এমন আগ্রহ।

তবে এমন ভাবনার সঙ্গে ঠিক একমত নন ভারতের সাবেক অধিনায়ক রাহুল দ্রাবিড়। তার মতে শুধুমাত্র গোলাপি বল দিয়ে ম্যাচ খেলিয়ে দর্শক টানা যাবে না। এর জন্য দরকার স্টেডিয়ামে দর্শকদের জন্য অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাও বাড়ানো।

দ্রাবিড় বলেন, ‘শুধুমাত্র গোলাপি বল ব্যবহার করাই টেস্ট ক্রিকেটের নব জাগরণের জন্য যথেষ্ট নয়। হ্যাঁ, এটা (গোলাপি) অবশ্যই অন্যতম একটি বিষয়ে। তবে আমরা যদি শিশিরের প্রভাবটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারি, শুধুমাত্র তখনই গোলাপি বলের টেস্ট ভারতের নিয়মিত চিত্র হতে পারেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের এটাও দেখতে হবে কেনো টেস্ট ক্রিকেট এখন দর্শকপ্রিয়তা হারাচ্ছে, কোন কোন বিষয়গুলো এক্ষেত্রে দর্শকদের অনাগ্রহের সৃষ্টি করছে। এর মধ্যে অতি অবশ্যই থাকবে স্টেডিয়ামের সুযোগ-সুবিধার দিকটিও। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে পুনে টেস্টের পাঁচ দিনই দর্শকরা নানান অভিযোগ করেছে সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে। স্টেডিয়ামে বসার ব্যবস্থা, গাড়ি পার্কিং, টয়লেট- এসব বিষয় ঠিকঠাক থাকলে আরও বেশি দর্শক টানতে পারবে।’

এসময় দ্রাবিড় জানান যে, ভারত এখন এমন অবস্থানে পৌঁছে গেছে যে তাদের উচিৎ বার্ষিক ক্রিকেট ক্যালেন্ডার করা। যাতে করে ক্রিকেটপ্রেমীরা সে অনুযায়ী নিজেদের সময় ব্যবস্থাপনা করতে পারে এবং মাঠে আরও বেশি বেশি আসতে পারে।

দ্য ওয়ালের ভাষ্যে, ‘আপনি হয়তো তর্কের খাতিরে বলতে পারেন যে অ্যাশেজে সবসময় মাঠ ভর্তি এবং ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়াতে টেস্ট ক্রিকেট এখনও দারুণভাবে জীবিত আছে। কিন্তু এটা শুধুমাত্র হয়েছে তাদের টেস্ট ক্রিকেটের ক্যালেন্ডার থাকায়। আমাদের সেটা নেই। ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার মানুষ ১ বছর আগে থেকেই ডিসেম্বরে বক্সিং ডে টেস্ট কিংবা জুলাইতে লর্ডস টেস্টের প্রস্তুতি নিতে পারে। ভারতেও এখন এমনটা করার সময় এসে গেছে।’

এসএএস/জেআইএম