মাঠ থেকে হাসপাতালে লিটন, মাথায় করানো হয়েছে সিটি স্ক্যান

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৪:৫৩ পিএম, ২২ নভেম্বর ২০১৯

এ যেন ‘গোদের ওপর বিষফোঁড়া।’ এমনিতেই চরম ব্যাটিং বিপর্যয়। লাঞ্চের আগে প্রথম সেশনেই খোয়া গেছে ৬ উইকেট। দুই ওপেনার ইমরুল কায়েস, সাদমান ইসলাম, অধিনায়ক মুমিনুল হক, মোহাম্মদ মিঠুন, মুশফিকুর রহীম আর মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ সাজঘরে। রীতিমতো ব্যর্থতার মিছিল।

একজনও সামান্যতম দৃঢ়তা দেখাতে পারেননি। ভারতীয় ফাস্টটবোলার উমেশ যাদব, ইশান্ত শর্মা আর মোহাম্মদ শামির বোলিং তোপের মুখে অসহায় আত্মসমর্পণ টাইগারদের।

যাদের ওপর আশা ছিল, সেই দুই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান- মুশফিক আর মাহমুদউল্লাহও ভারতীয় বোলিং তোপের মুখে এতটুকু প্রতিরোধ গড়তে পারেননি। বোঝাই গেছে, গোলাপি বলের অনভ্যস্ততা আর রঙ্গিন ইডেনের উৎসবমুখর পরিবেশ উল্টো কাঁটা হয়ে বিঁধেছে। মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়েছেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। সাহস নিয়ে লড়াই-সংগ্রাম করা দূরের কথা, দুর্বল ফুটওয়ার্ক আর ত্রুটিপূর্ণ টেকনিকে একের পর এক ফিরেছেন সাজঘরে।

বলের পেছনে শরীর ও পা নিয়ে খেলা এবং বলের গতি ও প্রকৃতি ঠাউরে ব্যাট চালানোর কথাই যেন ভুলে গেছেন সবাই। এমন অসহায় আত্মসমর্পণের পালায় ওপেনার সাদমানে পর একজনই মাথা তুলে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন, তিনি লিটন দাস।

সাহস নিয়ে আক্রমণাত্মক উইলোবাজিতে না গিয়ে বলের লাইনে শরীর ও পা নিয়ে ব্যাকরণ মেনে খেলার চেষ্টাই করছিলেন লিটন। কিন্তু হায়! লাঞ্চের পর মোহাম্মদ সামির বাউন্সারে তাকেও ফিরে যেতে হলো ড্রেসিংরুমে। নাহ, আউট হয়ে নয়। সামির বাউন্সারে হুক করতে গিয়ে ব্যাটে আনতে পারেননি লিটন। বল গিয়ে আঘাত হানে হেলমেটে। আর ব্যথা ও অস্বস্তি বোধ করে মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে আসেন লিটন।

মাঠ থেকে বেরিয়ে সোজা চলে যান হাসপাতালে। তাৎক্ষণিকভাবে কোন বাড়তি ঝুঁকি না নিয়ে তার মাথায় সিটি স্ক্যান করানো হয়েছে। বিসিবি মিডিয়া ম্যানেজার রাবিদ ইমাম জানিয়েছেন, লিটন দাসের মাথায় সিটি স্ক্যান করা হয়েছে। তবে ফল জানা যায়নি এখনো।

এআরবি/এমএমআর/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]