জিততেই মাঠে নামি, বিনোদন দিতে নয় : কোহলি

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০১:৫১ পিএম, ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯

আন্দ্রে রাসেল, ক্রিস গেইল, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, হার্দিক পান্ডিয়া, ক্রিস লিন, এবি ডি ভিলিয়ার্স, অ্যালেক্স হেলসের কল্যাণে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের অপর নামই এখন যেনো হয়ে গেছে ‘মারকাটারি ক্রিকেট’। ইনিংসের শুরু থেকে শেষপর্যন্ত প্রতিপক্ষ বোলারদের উড়িয়ে-গড়িয়ে সীমানা ছাড়া করাই যেনো টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের মূল লক্ষ্য।

অবশ্য ম্যাচের দৈর্ঘ্য ছোট বলেই এমন মারকাটারি ব্যাটিং করতে হয় সবাইকে। তা না হলে আবার মেলে না দল জেতানোর মতো সংগ্রহ। এছাড়াও ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টের যুগে দর্শকদের চাহিদাই থাকে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ব্যাটসম্যানদের ঝড়ো ব্যাটিংয়ের প্রদর্শনী।

তবে ভারতীয় অধিনায়ক বিরাট কোহলি আবার এসবের সঙ্গে একমত নন। তার কাছে সবার আগে দলের জয় এবং এই জয় কীভাবে এলো তা মূখ্য বিষয় নয় অথবা জয়ের জন্য খেলতে গিয়ে দর্শকদের বিনোদনের ব্যবস্থা হলো কি না- সেটিও ধরতে রাজি নন কোহলি। তিনি বরং দলের প্রতি তার দায়িত্ব পালনেই বেশি মনোযোগী।

শুক্রবার রাতে আরও একবার তা সফলভাবে করেছেন কোহলি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২০৮ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে মাত্র ৫০ বলে ৯৪ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছেন। দলকে জিতিয়েছেন ৮ বল বাকি থাকতেই। অথচ এমন ইনিংস খেলার পথে একবারও তাড়াহুড়ো দেখা যায়নি তার মধ্যে। মুখোমুখি প্রথম ৩৪ বলে তিনি করেছিলেন মাত্র ৪৪ রান, পরে গিয়ার বদলে ১৬ বলে যোগ করেন আরও ৫০ রান।

মূলত দলের চাহিদার জন্যই এমন ব্যাটিং- জানিয়েছেন কোহলি নিজেই। ম্যাচসেরার পুরষ্কার নিতে এসে নিজের ব্যাটিংকে দুইভাগে ভাগ করেছেন তিনি। যেখানে প্রথমভাগে সহজাত খেলতে না পারার কথাও স্বীকার করে নিয়েছেন কোহলি।

তিনি বলেন, ‘তরুণ ব্যাটসম্যানদের বলবো, আমার ইনিংসের প্রথম অর্ধেক অনুসরণ করো। আমি খুব বাজে ব্যাট করেছি তখন। আমি (লোকেশ) রাহুলের ওপর চাপ দিতে চাইনি কিন্তু তা করতেও পারিনি। তবে এরপর হোল্ডারের ওভারটা পাওয়ায় ভালো হয়েছে। সেখান থেকেই আমি বুঝতে শুরু করি যে কী ভুলগুলো করছিলাম।’

কোহলি আরও বলেন, ‘বুঝতে পারছিলাম যে, আমি মারকুটে ব্যাটসম্যান নই। টাইমিংই আমার মূল শক্তি। তাই খেলার ধরন বদলে নেই। আমি তেমন কেউ নই, যে কি না আকাশে ভাসিয়ে বড় শট খেলার মাধ্যমে সবাইকে বিনোদন দিয়ে থাকে। মারকুটে ব্যাটিং করা আমার লক্ষ্যও নয়। দলের চাহিদা পূরণ করাই থাকে আমার প্রধান লক্ষ্য। সবসময়ই আমি জিততে চাই।’

এসএএস/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]