‘শোনো একটি মুজিবরের থেকে’ গাইলেন সনু নিগাম

ক্রীড়া প্রতিবেদক ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:২৯ পিএম, ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯

মঞ্চে উঠে গান গাওয়া শুরু করেছিলেন আগেই। দুটি গান গাওয়ার পরই তার কণ্ঠে শোনা গেল বাংলাদেশের দেশাত্মবোধক ‘ধনধান্যে পুষ্পে ভরা’ গানটি। সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিত দর্শকদের হর্ষধ্বনিতে ভেসে গেলেন ভারতীয় সঙ্গীত শিল্পী সনু নিগাম।

বিসিবির হসপিটালিটি বক্সে বসা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও ঠোঁট মেলালেন ‘সে যে আমার জন্মভূমি’ লাইনটিতে। গান শেষ হওয়া মাত্রই তালি দেয়ার মাধ্যমে জানিয়ে দিলেন নিজের মুগ্ধতার কথা।

এখানেই শেষ হয়নি সনু নিগামের সারপ্রাইজ। ‘ধনধান্যে পুষ্পে ভরা’ গানটি শেষ হতেই তিনি গেয়ে ওঠেন মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম অনুপ্রেরণামূলক ‘শোনো একটি মুজিবরের থেকে’ গানটি। এই গানের সঙ্গেও ঠোঁট নাড়ান প্রধানমন্ত্রী, যা থেকে বোঝা যায়, অনুষ্ঠান পুরোপুরি উপভোগ করছেন তিনি। তবে গানটি পুরোটা পরিবেশন করেননি সনু নিগাম।

প্রায় চল্লিশ মিনিটের পারফরম্যান্সে বেশ কয়েকটি গান গেয়েছেন এ ভারতীয় সঙ্গীত শিল্পী। যেখানে বাংলা গান ছিল দুটিই। বাকি সময় নিজের গাওয়া জনপ্রিয় গানগুলো শোনান তিনি।

সনু নিগামের আগে মঞ্চ মাতিয়েছেন বাংলাদেশের ব্যান্ড সঙ্গীতের জনপ্রিয় তারকা নগর বাউল জেমস, রেশমি মির্জা ও ডি রকস্টার শুভ। প্রায় ৪০ মিনিট পিছিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয় সন্ধ্যা ৫টা ৪০ মিনিটে।

প্রথমেই আসেন শুভ। তিনি ‘ডাক দিয়াছেন দয়াল আমারে’ এবং ‘নিটোল পায়ে রিনিক ঝিনিক’ গানের মাধ্যমে দর্শকদের সজাগ করে যান। এরপর আসেন রেশমি মির্জা। তার স্বল্প সময়ের পারফরম্যান্সও বেশ উপভোগ করেছেন দর্শকরা।

শুভ ও রেশমির পারফরম্যান্স শেষেই দর্শকদের তুমুল করতালি ও হর্ষধ্বনির মাধ্যমে মঞ্চে ওঠেন নগর বাউল জেমস। তিনি শুরু করেন ‘সুলতানা বিবিয়ানা’ গান দিয়ে।

এরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপস্থিত হওয়ায় জেমসের গানে আসে বিরতি। প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণার পর হয় আতশবাজি। যার শেষে আবার শুরু হয় জেমসের গান।

দ্বিতীয় দফায় নিজের বিখ্যাত ‘মা’ গানটি দিয়ে শুরু করেন জেমস। এরপর তিনি গেয়ে শোনান ‘চাল চালে’ এবং ‘তারায় তারায় রটিয়ে দেবো’ গানটি। এই চারটি গান গেয়ে দর্শকদের অভিবাদনে সিক্ত হয়ে মঞ্চ ছাড়েন নগর বাউল।

এসএএস/এমএমআর/পিআর