পাকিস্তানিদের ভুলে যাওয়া টেস্টের স্বাদ দিল পেসাররা

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৭:৫২ পিএম, ১১ ডিসেম্বর ২০১৯

নতুন প্রজন্মের পাকিস্তানি ক্রিকেট সমর্থকরা জানতোই না, তাদের দেশের স্টেডিয়ামগুলোতেও এক সময় টেস্ট ক্রিকেটের বল গড়াতো। ২০০৯ সালে শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটারদের ওপর সন্ত্রাসী হামলার পর থেকে সেখানে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটই বলতে গেলে নিষিদ্ধ হয়ে যায়। নিরাপত্তা শঙ্কার কারণে, কোনো দেশই পাকিস্তানে গিয়ে খেলতে রাজি নয়।

অবশেষে সেই শ্রীলঙ্কাই ১০ বছর পর টেস্ট খেলতে গেলো পাকিস্তানে। প্রথমে টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলে গিয়েছিল লঙ্কানরা। যেখানে নিরাপত্তার অজুহাত তুলে সফরে যায়নি ১০জনের মত সিনিয়র ক্রিকেটার। তবে, টেস্ট খেলতে যেতে আর কেউ পিছিয়ে থাকেনি। পুরো শক্তির দল নিয়েই পাকিস্তানের মাটিতে ১০ বছর পর টেস্টের ঘণ্টা বাজাতে গেছে পাকিস্তান।

রাওয়ালপিন্ডি ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টেস্টের প্রথম দিন সকালে কয়েন নিক্ষেপের মধ্য দিয়েই পাকিস্তানের নতুন প্রজন্মের সামনে নব দিগন্তের সূচনা ঘটলো।

টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন লঙ্কান অধিনায়ক দিমুথ করুনারত্নে। ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তানি পেসারদের সামনে উদ্বোধনী জুটিতে বেশ লড়াকু মানসিকতারই পরিচয় দেয় শ্রীলঙ্কা। দুই ওপেনার মিলে স্কোরবোর্ডে ৯৬ রান তোলার পরই বিচ্ছিন্ন হন তারা। ৮১ বলে ৪০ রান করে আউট হন ওসাদা ফার্নান্দো।

১১০ বল খেলে ৫৯ রান করে আউট হন ওপেনার এবং অধিনায়ক দিমুথ করুনারত্নে। কুশল মেন্ডিস ১০, অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউজ ৩১ রান করে আউট হন। দিনেশ চান্দিমাল আউট হন মাত্র ২ রান করে। পাকিস্তানি পেসারদের তোপের মুখে ১৮৯ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে বসে লঙ্কানরা।

এরপর দলের হাল ধরেন ধনঞ্জয়া ডি সিলভা এবং নিরোশান ডিকভেলা। দু’জনের ১৩ রানের জুটিতেই প্রথম দিন শেষ হয়। যদিও প্রথম দিন খেলা হয়েছে কেবল ৬৮.১ ওভার। আলোক স্বল্পতার কারণে দিনের বাকি খেলা আর চালানো সম্ভব হয়নি। তাতে প্রথম দিন শেষে শ্রীলঙ্কার সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ৫ উইকেটে ২০২ রান।

পাকিস্তানের হয়ে কিশোর পেসার নাসিম শাহ নিয়েছেন ২ উইকেট। এছাড়া মোহাম্মদ আব্বাস, শাহিন শাহ আফ্রিদি এবং উসমান সিনওয়ারি নেন ১টি করে উইকেট।

আইএইচএস/এমকেএইচ