মোস্তাফিজকে মাঠের বাইরে পাঠিয়ে দিলেন লঙ্কান শানাকা

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৮:৪৮ পিএম, ১১ ডিসেম্বর ২০১৯

প্রথম তিন ওভারে দুর্দান্ত ছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান। মাত্র ১২ রান খরচায় নিয়েছিলেন ২টি উইকেট। তিন ওভারের ১৮ বলের মধ্যে ১২টিই ছিলো ডট। স্বাভাবিকভাবেই ডেথ ওভারে তার ওপরেই ভরসা করেছিলেন রংপুর রেঞ্জার্স অধিনায়ক মোহাম্মদ নবি। মোস্তাফিজের হাতে তুলে দেন ১৯তম ওভার।

কিন্তু অধিনায়কের আস্থার প্রতিদান দিতে পারেননি মোস্তাফিজ। ওভারের প্রথম বল ডট দিলেও পরে টানা চারটি ডেলিভারিতে তাকে ছক্কা হাঁকিয়েছেন কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সের লঙ্কান অধিনায়ক দাসুন শানাকা। এর একটি আবার সোজা চলে গেছে মিরপুর শেরে বাংলার স্টেডিয়ামেরই বাইরে।

ওভারের দ্বিতীয় বলটি মাপা লেন্থে পেয়ে সোজা গ্র্যান্ড স্ট্যান্ডের দোতলায় পাঠিয়ে দেন শানাকা। নিজের ভুল শোধরাতে পরের বলটি খানিক শর্টার লেন্থে করেন মোস্তাফিজ। এবার সেটিকে লংঅন দিয়ে বাইরে পাঠান লঙ্কান অলরাউন্ডার। দুই ছক্কা হজম করে বাড়তি কিছু করার চেষ্টায় নো বল করে বসেন মোস্তাফিজ। এ বলের ঠিকানাও হয় লংঅন দিয়ে সীমানার ওপারে।

নো বল হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই শানাকা পেয়ে যান ফ্রি হিট। টানা তিন ছক্কা হজম করে মোস্তাফিজও তখন নিজেকে ফিরে পাওয়ার চেষ্টায় মরিয়া; কিন্তু ফ্রি হিটের বলটি তিনি করে বসের লেগস্টাম্পে ফুল টস। আর সেটি সজোরে হাঁকিয়ে গ্র্যান্ড স্ট্যান্ড গ্যালারির ছাদে পাঠিয়ে দেন শানাকা। যেটি ছাদে পড়ে চলে যায় মাঠের বাইরে।

সেই ওভারের পরের দুই বলে আর ছক্কা হজম করেননি মোস্তাফিজ। তবে প্রথম ৩ ওভারে মাত্র ১২ রান দেয়ার পর, শেষ ওভারেই তিনি হজম করে বসেন ২৬টি রান। শানাকা অবশ্য শুধু মোস্তাফিজকেই পেটাননি, বেধড়ক মেরেছেন শেষ ওভার করতে আসা জুনায়েদ আহমেদকেও।

শেষ ওভারে শানাকার ব্যাট থেকে আসে ৩টি ছক্কা ও ১টি চারের মার। এর আগে লুইস গ্রেগরিকেও ২টি ছক্কা হাঁকান কুমিল্লার অধিনায়ক। সবমিলিয়ে দলীয় ইনিংসের ১০টি ছক্কার মধ্যে নয়টিই আসে তার ব্যাট থেকে। মাত্র ২৩ বলে অর্ধশতক পূরণ করার পর তিনি ইনিংস শেষ করেন ৩১ বলে ৩ চার ও ৯ ছক্কার মারে ৭৫ রানে অপরাজিত থেকে। শানাকার এই ঝড়েই ২০ ওভারে ১৭৩ রানের সংগ্রহ পেয়েছে কুমিল্লা।

এসএএস/আইএইচএস/পিআর