অথচ ‘সেই ম্যাচে’র রেফারির কাছেই যায়নি কোনো অভিযোগ

ক্রীড়া প্রতিবেদক ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:১১ পিএম, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯

এবারের বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের গায়ে প্রশ্নবোধক চিহ্ন বসে গেছে আসরের উদ্বোধনী ম্যাচেই। সিলেট থান্ডারের ক্যারিবীয় পেসার ক্রিসমার সান্টোকির রহস্যজনক দুই ‘নো’ এবং ‘ওয়াইড’ বলকে ঘিরে মেলতে শুরু করেছে ফিক্সিং বিষয়ক আলোচনার ডালপালা। যা নিয়ে কথা হয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমগুলোতেও।

বিসিবি পরিচালক ও বর্তমানে সিলেট থান্ডারের টিম ডিরেক্টর তানজিল চৌধুরীও সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন সেই দুই ডেলিভারির ব্যাপারে। তার মতে স্পষ্ট ফিক্সিং ছিলো সেটি। এছাড়াও সিলেটের টিম ম্যানেজম্যান্টের দিকেও সন্দেহের তীর ছুড়েছেন তিনি।

তবে এ বিষয়ে যার সবচেয়ে ভালো ধারণা থাকার কথা ছিল, সেই ম্যাচের ম্যাচ রেফারি রকিবুল হাসানই কিছু জানেন না। কেননা তার কাছে জমা দেয়া ম্যাচ রিপোর্টেও উল্লেখ ছিলো না, সেই ‘নো’ বা ‘ওয়াইডে’র ব্যাপারে বিশেষ কোনো তথ্য। তাই তিনি ম্যাচ রেফারি হিসেবে কিছু বলতে পারছেন না এ বিষয়ে।

শুধু ম্যাচ রেফারিই নয়, চলতি বিপিএলের টেকনিক্যাল কমিটির চেয়ারম্যানও রকিবুল হাসান। কিন্তু বিষয়টি ফিক্সিংয়ের পর্যায়ে পড়ে বিধায় টেকনিক্যাল কমিটিরও এ বিষয়ে কিছু করার নেই বলে জানান তিনি।

আজ (শনিবার) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে সান্টোকির সেই দুই ডেলিভারির ব্যাপারে রকিবুল বলেন, ‘এ বিষয়ে টেকনিক্যাল কমিটি কিছু করবে না। এগুলো ম্যাচ ফিক্সিংয়ের পর্যায়ে পড়ে। স্কোয়াড বেটিং যেটাকে বলে। ক্রিকেট বোর্ডের নিযুক্ত একজন (তানজিল চৌধুরী, বোর্ড ডিরেক্টর) বিষয়টাকে সামনে এনেছেন। এতো বড় একটা নো বল। যেটা আমিরকে দেখেছিলাম ইংল্যান্ডের লর্ডসে। এটা আমাদের রেফারেন্সের মধ্যে আসে না। এটা নিয়ে আমি মন্তব্য করতে পারবো না।’

তিনি আরও বলেন, ‘এটা যদি তারা হিয়ারিং করে বা ডেকে নিয়ে জিজ্ঞেস করে। সেখানে তাকে খোলাসা করতে হবে। ফুটেজ দেখতে হবে। আগেও কি ছিল কি না তার ট্র্যাক রেকর্ডে। তারপরের ম্যাচটাও সে খেলেছে, একটা ওভার ভালো করেনি। এটি এন্টি করাপশনের আওতায়। আমি ম্যাচ রেফারি ছিলাম ওই ম্যাচে। তবে আমার কাছে কোনো রিপোর্ট আসেনি ওই ব্যাপারে।’

এসএএস/এমএমআর/এমএস