বিশ্বকাপে বিশ্ববাসীর চোখ থাকবে হৃদয়-শরীফুলে

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০:২১ এএম, ১৭ জানুয়ারি ২০২০

অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ১৩তম আসর শুরু হচ্ছে আজ। দক্ষিণ আফ্রিকার কিম্বারলিতে স্বাগতিক যুবাদের সঙ্গে আফগানিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দলের মধ্যকার লড়াই দিয়ে পর্দা উঠবে এবারের আসরের।

দলগতভাবে স্বভাবতই টুর্নামেন্টের ফেবারিটের তালিকায় সবার ওপরে থাকবে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ভারত। এছাড়া অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের পাশাপাশি জোরেশোরে উচ্চারিত হচ্ছে বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের নাম।

এর কারণও অবশ্য পরিষ্কার। ২০১৯ সালে যুব ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি জয়ের হার ছিলো টাইগার যুবাদেরই। এছাড়া বিশ্বকাপের ওয়ার্ম আপ ম্যাচেও অস্ট্রেলিয়া অনূর্ধ্ব-১৯ দলের সঙ্গে টাই করে অন্য দলগুলোকে বার্তা দিয়েছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল।

তবে যুব বিশ্বকাপে দলীয় সাফল্যের পাশাপাশি বিশ্ববাসীর চোখ থাকে ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের দিকেও। কেননা প্রতি বিশ্বকাপ থেকেই এমন কিছু খেলোয়াড় পাওয়া যায় যারা পরে হয়ে ওঠেন ক্রিকেটের বিশ্ব তারকা। যেমনটা হয়েছেন ২০১৮ সালের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ খেলা আফিফ হোসেন ধ্রুব, মুজিব উর রহমান, পৃথ্বি শ, শাহিন শাহ আফ্রিদিরা।

Towhid

তেমনি করে এবারের বিশ্বকাপেও আলো ছড়ানোর অপেক্ষায় রয়েছেন বেশ কয়েকজন উদীয়মান ক্রিকেটার। তাদের একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রকাশ করেছে জনপ্রিয় ক্রিকেটভিত্তিক ওয়েবসাইট ক্রিকইনফো। যেখানে রয়েছেন বাংলাদেশের দুই ক্রিকেটার তৌহিদ হৃদয় ও শরীফুল ইসলাম। সবমিলিয়ে মোট ১১ জনকে 'প্লেয়ার্স টু ওয়াচ' হিসেবে রেখেছে ক্রিকইনফো।

টাইগার যুবাদের সহ-অধিনায়ক ও মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান তৌহিদ হৃদয়ের ব্যাপারে ক্রিকইনফো লিখেছে, '২০১৮-১৯ মৌসুমে ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশনের টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে তার ৫৫ গড় যথেষ্ঠ না হলে, তৌহিদ হৃদয়ের রয়েছে ২০১৮ সালের যুব বিশ্বকাপে খেলার অভিজ্ঞতা। যুব ক্রিকেটে হৃদয়ের শেষ নয়টি ইনিংস যথাক্রমে ৫১*, ৭৩, ৮, ৮২*, ১২৩*, ১১৫, ১১১, ৫৩ এবং ৩৬। সঙ্গে কার্যকরী অফস্পিনও করে থাকেন তিনি। নিজ দলের সহ-অধিনায়কত্বের ভার রয়েছে তার কাঁধে।

অন্যদিকে বাঁহাতি পেসার শরীফুল ইসলামের ব্যাপারে ক্রিকইনফোর মূল্যায়ন, 'যেসব কন্ডিশনে পেস বোলারদের জন্য খানিক সাহায্য থাকে, সেসব জায়গায় দুর্দান্ত হবেন বাংলাদেশের পঞ্চগড় থেকে উঠে আসা বাঁহাতি পেসার শরীফুল। গতবছরের শেষ দিকে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৫ উইকেট নিয়ে যুব ক্রিকেটে সারা ফেলে দিয়েছিলেন তিনি। এছাড়া ওয়ার্ম-আপ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নিয়েছেন ৪টি উইকেট। চলতি বিশ্বকাপে অভিজ্ঞতার দিক দিয়ে অনেক এগিয়ে শরীফুল। এরই মধ্যে ৮টি প্রথম শ্রেণির ও ২৬টি লিস্ট এ ম্যাচ খেলে ফেলেছেন তিনি।

এছাড়া ক্রিকনফোর বিচারে এবারের বিশ্বকাপে আলো ছড়াতে পারেন আরব আমিরাতের উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান ভ্রিত্য অরভিন্দ, ভারতের বাঁহাতি ব্যাটসম্যান তিলক ভার্মা, ইংল্যান্ডের উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান জর্ডান কক্স, অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক ম্যাকেঞ্জি হার্ভে, দক্ষিণ আফ্রিকার অলরাউন্ডার জোনাথান বার্ড, জিম্বাবুয়ের উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান ড্যান শ্যাডেনডর্ফ, ভারতের পেসার কার্তিক ত্যাগি, নিউজিল্যান্ডের লেগস্পিনার আদিত্য অশোক এবং স্কটল্যান্ডের বাঁহাতি স্পিনার চার্লি পিট।

এসএএস/এমকেএইচ