সেই কেপটাউনে ফিরে ‘সম্মান’ চান ওয়ার্নার

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০১:৫৯ পিএম, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০

২০১৮ সালের মার্চ, দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের কেপটাউন টেস্ট খেলছিল অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দল। সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে দুই দলই জয় পেয়েছিল একটি করে। তবু কী মনে করে, কেপটাউনে বল টেম্পারিংয়ের মতো ন্যাক্কারজনক কাজ করে বসলেন অস্ট্রেলিয়ান তিন ক্রিকেটার ডেভিড ওয়ার্নার, স্টিভেন স্মিথ ও ক্যামেরন ব্যানক্রফট।

মাঠে বল টেম্পারিংয়ের কাজটা করেছিলেন ব্যানক্রফট একাই। তবে এর পেছনে মদদদাতা ছিলেন তৎকালীন অধিনায়ক স্মিথ ও সহ-অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার। যে কারণে ব্যানক্রফটকে নয় মাস এবং স্মিথ-ওয়ার্নারকে এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ করে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট বোর্ড।

নিষেধাজ্ঞা কাঁটিয়ে গতবছরের বিশ্বকাপ দিয়ে মাঠে ফিরেছেন স্মিথ, ওয়ার্নার, ব্যানক্রফটরা। প্রায় বছর দুয়েক পর এবার আবার দক্ষিণ আফ্রিকায় খেলতে যাচ্ছেন স্মিথ ও ওয়ার্নার। চলতি মাসের তৃতীয় সপ্তাহের সফরে তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি খেলবে অস্ট্রেলিয়া।

এর মধ্যে আবার আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি হবে সেই কেপটাউনে। এ মাঠে খেলতে নামার আগে দক্ষিণ আফ্রিকার দর্শকদের কাছ থেকে সম্মান পাওয়ার আশাই করছেন অস্ট্রেলিয়ান ওপেনার ওয়ার্নার। তার মতে আগে যা হয়েছিল, সেটা অতীতে রেখে আসাই হবে ভালো সিদ্ধান্ত।

সিডনি রেডিও স্টেশন টু জিবিকে ওয়ার্নার বলেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে আমার জন্য এটা (আবার দক্ষিণ আফ্রিকা সফর) একদমই কঠিন হবে না। আমি সেখানে যাবো এবং আমার কাজ করবো। আমার কাজ হলো অস্ট্রেলিয়ার হয়ে রান করা এবং দল জেতানো। তবে অবশ্যই পরিস্থিতি পুরোটাই থাকবে প্রতিকূলে।’

এসময় অ্যাশেজ সিরিজের সময় পাওয়া স্লেজিং ও দুয়োর কথা স্মরণ করিয়ে ওয়ার্নার বলেন, ‘আমি ইংল্যান্ডে এটার সঙ্গে লড়ে এসেছি। আমি আসলে এভাবে খেলাটা বেশ উপভোগই করেছিলাম। আশা করি, দক্ষিণ আফ্রিকায় যাওয়ার পর আমরা সম্মান পাবো। অতীতে যা হয়েছে, তা অতীতেই থাকবে আশা করি।’

স্মিথ-ওয়ার্নারের সতীর্থ ডানহাতি পেসার জশ হ্যাজলউড এ বিষয়ে বলেন, ‘নিষেধাজ্ঞা কাঁটিয়ে ফেরার পর যা যা করণীয় ছিল, তার সবই করেছে স্মিথ এবং ওয়ার্নার। আসন্ন সফরটা তারই একটা আমার মতে। আমি মনে করি, এটা তাদের বিচলিত করবে না। উল্টো বিরূপ পরিস্থিতিতে তারা আরও ভালো খেলে থাকে। এটা এমন কিছু নয় যে, আমরা আগে দেখিনি। আমরা সবাই ঠিক থাকব।’

এসএএস/এমএস