বিশ্বকাপ রেখে আইপিএল? খেলোয়াড়দের আটকে দিতে বলছেন অসি কিংবদন্তি

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৫:০৮ পিএম, ২২ মে ২০২০

ক্রিকেটটা এখন হয়ে গেছে টাকার খেলা। যেখানে টাকার ছড়াছড়ি, সেখানেই হামলে পড়ছেন খেলোয়াড়রা। অস্ট্রেলিয়ায় আগামী অক্টোবর থেকে হওয়ার কথা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। কিন্তু করোনার কারণে আইপিএল গত মার্চে শুরু করা না যাওয়ায় এখন বিশ্বকাপ পিছিয়ে সেখানে টুর্নামেন্টটি আয়োজন করার কথা শোনা যাচ্ছে।

খোদ অস্ট্রেলিয়ার খেলোয়াড়রাই আইপিএলের পক্ষে সাফাই গাইছেন। তাদের কেউ বলছেন, দর্শক ছাড়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ করার চেয়ে আইপিএল করা ভালো। কেউবা আবার বলছেন, এত বাধা নিষেধের মধ্যে বিশ্বকাপ আয়োজন করা ঠিক হবে না, তার চেয়ে বরং আইপিএল হোক। মোদ্দা কথা, যেহেতু আইপিএলে খেলে বড় অংকের আয় হয় ক্রিকেটারদের, বেশিরভাগই চাইছেন ভারতের ফ্র্যাঞ্চাইজি এই ক্রিকেট লিগটি বাতিল না হোক।

অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তি অধিনায়ক অ্যালান বোর্ডার ভীষণ খেপেছেন এসব কথাবার্তায়। একটি বৈশ্বিক টুর্নামেন্টের আগে ঘরোয়া টুর্নামেন্ট প্রাধান্য পাবে, সেটি কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না তিনি।

‘এবিসি রেডিও’র এক অনুষ্ঠানে বোর্ডার বলেন, ‌‘আমি মোটেই খুশি হতে পারছি না। ঘরোয়া টুর্নামেন্টের চেয়ে বৈশ্বিকটাকেই তো প্রাধান্য দেয়া উচিত। আর যদি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না হয়, তবে আমার মনে হয় আইপিএলও হওয়া উচিত নয়।’

কেন আইপিএলকে প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে, ঠোঁটকাটা স্বভাবের বোর্ডার সেটি বলতেও ছাড়লেন না। তার কথা, ‘আমি এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন করতে চাই, এটা তো শুধু টাকার জন্যই, তাই না, এটাই তো ব্যাপার? অবশ্যই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের কথাই আগে ভাবা উচিত।’

আর যদি আইপিএলকে ঠেকানো না-ই যায়, তবে বোর্ডগুলোর উচিত তাদের খেলোয়াড়দের ঠেকানো। বোর্ডার এমন পরামর্শই দিচ্ছেন। অসি কিংবদন্তির ভাষায়, ‘রাস্তাটা বন্ধ হয়ে যাবে। ভারত তো খেলা চালাবেই। এমন সিদ্ধান্ত খুব কাছে। কিন্তু আমি মনে করি, যদি বিশ্ব ক্রিকেটের ৮০ ভাগ আয়ের নিয়ন্ত্রণ আপনাদের হাতে থাকে, তবে আপনাদের ন্যায্যভাবে বলতে হবে-কোনটা হওয়া উচিত। আমি সেটাই বোঝাতে চাইছি।'

তিনি যোগ করেন, ‌‌‘তবে আমার মনে হয়, বিশ্ব ক্রিকেটের উচিত এমনটা না হতে দেয়া। যদি এটা (আইপিএল) আটকানো না যায়, তবে বোর্ডগুলোর উচিত খেলোয়াড়দের আটকে রাখা। যেখানে আন্তর্জাতিক খেলা হওয়ার কথা, সে জায়গাটা ভারত দখল করে নিতে পারে না। এটা ভুল বার্তা দেবে।’

এমএমআর/পিআর