ব্যাট বিক্রির টাকায় মুশফিক সাহায্য দিলেন যেসব জায়গায়

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ১১:৩৯ এএম, ২৪ মে ২০২০

সবার জানা, করোনা ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য সহযোগিতা করার জন্য তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে সাধ্যমত চেষ্টা করছেন প্রথম থেকেই। সাহায্য সহযোগিতা বাড়াতে এবং আরও বেশি মানুষের পাশে দাঁড়াতেই নিজের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরির ব্যাট নিলামে তুলে দেন মুশফিকুর রহীম, যা কিনে নিয়েছেন পাকিস্তানের শহিদ আফ্রিদি।

আফ্রিদির ফাউন্ডেশন ২ হাজার মার্কিন ডলারে (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৭ লাখ টাকা) মুশফিকের ব্যাটটি কিনে নেয়। শেষ খবর, ব্যাট বিক্রির সেই অর্থ মুশফিকের অ্যাকাউন্টে চলে এসেছে।

তবে ঈদের ছুটি ও অন্যান্য কারণে তা না তুলতে না পারায় নিজের অ্যাকাউন্ট থেকে সমপরিমাণ অর্থ দিয়ে অন্তত ৫ থেকে ৬ জায়গায় সাহায্য করেছেন বাংলাদেশের উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান। কাল শনিবার রাতে তামিম ইকবালের ফেসবুক লাইভে তা জানালেন মুশফিকই।

ব্যাটটি নিলামে কেনায় আবারও শহিদ আফ্রিদিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন মুশফিক। পাশাপাশি তামিমকেও আন্তরিক ধন্যবাদ জানাতে ভুল করেননি তিনি। কারণ মুশফিকের ব্যাট নিলামে আফ্রিদির কেনার কাজে সাহায্য করেছেন তামিমও। মুশফিক বলেন, ‘প্রথমত আফ্রিদি ভাইকে ধন্যবাদ। সঙ্গে তামিম তোকেও। আফ্রিদি ভাই ইচ্ছে প্রকাশের পর থেকে তুইও হেল্প করেছিস।’

নিলামে পাওয়া অর্থ দিয়ে এরই মধ্যে দুস্থদের সাহায্য করে ফেলেছেন মুশফিক। তিনি জানান, ‘আসলে আমার ব্যাটের নিলামের অর্থটা এরই মধ্যে ডিপোজিট হয়ে গেছে। তবে ঈদের ছুটি চলছে। তাই আমি তা না তুলে আমার অ্যাকাউন্ট থেকে চালিয়ে নিয়েছি।’

মুশফিক জানালেন, অন্তত ৫ থেকে ৬ জায়গায় এরই মধ্যে সাহায্য পাঠানো শেষ। তিনি বলেন, ‘মোটামুটি দেয়া হয়ে গেছে। ৫ থেকে ৬ জায়গায় দিয়ে দিয়েছি। নারায়ণগঞ্জে দিয়েছি। হুইল চেয়ার ক্রিকেট দলকে দিয়েছি। এছাড়া ব্রাক্ষণবাড়িয়ায় হুইল চেয়ার টিম আছে, তাদের দেয়া হয়েছে।’

এর বাইরে নিজ শহর বগুড়ায় দুস্থদের জন্যও অর্থ সাহায্য রাখেন মুশফিক। মিস্টার ডিপেন্ডেবল বলেন, ‘আমার বগুড়ায় অনেক দুস্থ মানুষ আছে। তাদের আর্থিক অবস্থাও ভালো না। তাদের জন্যও যতটুকু সম্ভব করেছি।’

ঠিক আক্ষেপ না করলেও মুশফিক মনে করছেন, টাকার পরিমাণ আরেকটু বেশি হলে আরও মানুষকে সাহায্য করা যেতো। তার ভাষায়, ‘আসলে যেহেতু মানবসেবার জন্যই আমার ও আমাদের এ উদ্যোগ। তাই টাকার পরিমাণ আরও বেশি হলে আর বড় পরিসরে সাহায্য করা যেত। আর একটু বেশি হলে আরও বেশি মানুষকে সাহায্য করতে পারতাম।’

এআরবি/এমএমআর/পিআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]