অদ্ভুত বোলিং অ্যাকশন নিজে নিজেই শিখেছেন বুমরাহ

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০১:০৭ পিএম, ০১ জুন ২০২০

ক্যারিয়ারের শুরুতে নিজের পারফরম্যান্সের চেয়ে বোলিং অ্যাকশন নিয়েই বেশি কথা বলতে বা শুনতে হয়েছে বর্তমান বিশ্বের অন্যতম সেরা পেসার জাসপ্রিত বুমরাহকে। যতই নিয়মিত উইকেট নেন না কেন, অদ্ভুত বোলিং অ্যাকশন নিয়ে নানান কটুকথাও হজম করতে হয়েছে তাকে।

শুধু তাই নয়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে রীতিমতো প্রতিবন্ধী পর্যন্ত হলা হয়েছে বুমরাহকে। এসবে অবশ্য কখনও মাথা ঘামাননি তিনি। এমনকি বদলাননি নিজের সবসময়কার বোলিং অ্যাকশনও। এখনও সেই আগের মতো করেই সাফল্য পেয়ে যাচ্ছেন তিনি।

আর এই বোলিং অ্যাকশন পুরোপুরি তার নিজের শেখা। কোন কোচের অধীনে ক্রিকেটের হাতেখড়ি হয়নি বুমরাহর। নিজে একা একা যেমন শিখেছেন খেলোয়াড়ি জীবনের শুরুতে, সেটাই আজীবন ধরে রাখতে চান ২৬ বছর বয়সী এ পেসার।

আইসিসিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের বোলিং অ্যাকশনের ব্যাপারে বুমরাহ বলেছেন, ‘আমি কখনও পেশাদার কোচের কাছে যাইনি। আমার ক্রিকেটের সবকিছু নিজের শেখা। টিভিতে খেলা দেখে কিংবা ভিডিও দেখে শিখেছি।’

অনেকেই অ্যাকশন বদলাতে বললেও, কখনও সেদিকে ভ্রূক্ষেপ করেননি বুমরাহ, ‘আমি আসলে বলতে পারি না কীভাবে এই অ্যাকশন আসলো আমার বোলিংয়ে। কিছু মানুষ বারবার বলেছে এই অ্যাকশন বদলানো উচিৎ। কিন্তু আমি কখনও তাদের কথা খুব একটা শুনি। আমার সবসময়ই মনে হয়েছে এই অ্যাকশন ঠিকই আছে।’

তবে বোলিংয়ের উন্নতির জন্য কিছু বিষয় নিয়ে সবসময়ই কাজ করেছেন এ পেসার। সেগুলোর দিকে ইঙ্গিত করে বুমরাহ বলেন, ‘আমি কিছু কিছু জিনিসে বদল এনেছি। শুরুর দিকে, ২০১৩ সালে আমি অনেক বেশি লাফাতাম, এখন তা নেই। কোন কিছু যদি সমস্যার সৃষ্টি করে, তাহলে আমি সেটা বদলে নেই, অন্যথায় সেটা ধরে রাখতে আমার সমস্যা নেই।’

‘আমি সবার পরামর্শ শুনি, আমি অনেক বেশি জানতে চাই। তাই সিনিয়র খেলোয়াড় এবং কোচদের কাছে বারবার প্রশ্ন করতে থাকি। তাদের কাছ থেকে সাধারণ ফিডব্যাক কিংবা পরামর্শগুলো কাজে লাগানো খুব জরুরি। এতে করে যদি কাজ হয়, তাহলে কেন করব না আমি?’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার বোলিং দেখে সবার সাধারণ ফিডব্যাক ছিল, এই ছেলে ভালোমানের বোলার হতে পারবে না। এমনকি বেশিদিন খেলতেই পারবে না। এই অ্যাকশন নিয়ে তো টিকতেই পারবে না। কিন্তু সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, আপনার নিজের ভাবনা। এটাই আমি ধরে রেখেছি।’

এসএএস/পিআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]