মারা গেছেন পাকিস্তানি ক্রিকেটার ওয়াজির

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৪:৩৫ পিএম, ৩০ জুন ২০২০

চলে গেলেন পাকিস্তানের ১৯৫৪ সালের ঐতিহাসিক ইংল্যান্ড সফরের অন্যতম সদস্য খালিদ ওয়াজির। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর শনিবার যুক্তরাজ্যের চেস্টারে মারা গেছেন সাবেক এই অলরাউন্ডার। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর।

লম্বা গড়নের ওয়াজির খেলোয়াড়ি জীবনে ছিলেন মিডিয়াম পেসার কাম মিডল অর্ডারের হার্ডহিটিং ব্যাটসম্যান। তিনি পাকিস্তানের ১৬তম টেস্ট ক্রিকেটার। লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অভিষেকের সময় তিনি ছিলেন দেশের দ্বিতীয় সর্বকনিষ্ঠ ক্রিকেটার। তার চেয়ে কম বয়সে তখন অভিষেক হয়েছে কেবল হানিফ মোহাম্মদের।

১৯৫৪ সালের ওই সফরে খেলা দুটি টেস্টেই থেমে গেছে ওয়াজিরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার। তবে ওই সিরিজটা পাকিস্তানের ক্রিকেট ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লিখা রয়েছে। ১-১ সমতায় শেষ করা সিরিজটিই বিশ্ব ক্রিকেটে পাকিস্তান নামক একটি দলের বড় শক্তি হয়ে ওঠার জানান দিয়েছিল।

ওয়াজিরের ওই ইংল্যান্ড সফরে যাওয়াটা ছিল বড় চমক। মাত্র দুটি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা নিয়েই দলে জায়গা পেয়েছিলেন তিনি। সফরের আগে খেলেননি কায়েদে আজম ট্রফির মৌসুমও।

তবে দল সাফল্য পেলেও খেলোয়াড় হিসেবে ভালো করতে পারেননি ওয়াজির। চার ম্যাচের সিরিজে প্রথম এবং তৃতীয় টেস্টে সুযোগ পেয়ে তিন ইনিংসে মাত্র ১৪ রান করতে পেরেছিলেন এই অলরাউন্ডার। বোলিংয়ের সুযোগই পাননি।

সেটাই ছিল তার প্রথম ও শেষ। ১৯৬২ সালে ইংল্যান্ড সফরেও অবশ্য দলের কয়েকজন পেসারের চোটে ডাক পেয়েছিলেন, তবে একটি ম্যাচও খেলার সুযোগ হয়নি। এরপর থেকেই তিনি ইংল্যান্ডে স্থায়ী হয়ে যান। নর্থ স্টাফোর্ডশায়ার এবং ডিস্ট্রিক্ট লিগে সফল ক্লাব ক্রিকেটার হিসেবে খেলেছেন।

আরেকটি মনে রাখার মতো ব্যাপার হলো, খালিদ ওয়াজির নিজে পাকিস্তানের হয়ে খেললেও তার বাবা টেস্ট ক্রিকেটে প্রতিনিধিত্ব করেছেন ভারতের হয়ে। দেশ বিভাগের আগে ১৯৩০-এর দশকে বাবা ওয়াজির আলি এবং তার ভাই নাজির আলিও ভারতের হয়ে খেলেন। দেশ ভাগ হয়ে যাওয়ার পর ওয়াজিরের পরিবার জালান্ধর থেকে চলে আসে করাচিতে।

এমএমআর/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]