কানেরিয়াকে পিসিবি বলল, ইসিবির কাছে যাও

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৯:৩৪ পিএম, ১০ জুলাই ২০২০

ফিক্সিংয়ের দায়ে সেই ২০১২ সাল থেকে আজীবন নিষেধাজ্ঞা বয়ে বেড়াচ্ছেন দানিশ কানেরিয়া। নিষেধাজ্ঞার মধ্যে ৭-৮ বছর পেরিয়ে এখন পাকিস্তানি এই লেগস্পিনারের মনে হচ্ছে, যদি বাকি জীবনটা ক্রিকেটের সঙ্গে থাকতে পারতেন, তবে তার খেয়ে পড়ে চলে যেতো। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) কাছে তাই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আবেদন করেছিলেন কানেরিয়া।

অবশেষে আজ (শুক্রবার) এই বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিল পিসিবি। জানাল, তাদের কাছে বলে লাভ নেই। যদি আবারও ক্লাব বা ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলার অনুমোদন পেতে চান, তবে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) দ্বারস্থ হওয়া উচিত কানেরিয়ার। কারণ এই নিষেধাজ্ঞায় পিসিবির আসলে তেমন কিছু করার নেই।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পিসিবি বলেছে, ‘ইসিবির এন্টি করাপশন কোডের অনুচ্ছেদ ৬.৮ নম্বরে পরিষ্কার বলা আছে, এন্টি করাপশন ট্রাইবুনাল, যারা একজন খেলোয়াড়কে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অনুপযুুক্ত ঘোষণা করেছে, তারাই কেবল ওই খেলোয়াড়কে খেলার অনুমোদন দিতে পারবেন। তাই আপনাকে ইসিবির এন্টি করাপশন কোড অনুচ্ছেদ ৬.৮ অনুযায়ী তাদের দ্বারস্থ হওয়ার পরামর্শ দেয়া হলো।’

কানেরিয়া পাকিস্তানের হয়ে খেলা মাত্র দ্বিতীয় হিন্দু খেলোয়াড় ছিলেন। দেশের হয়ে ২৬১ উইকেট নেয়া এই লেগস্পিনার ইংলিশ কাউন্টিতে খেলতে গিয়ে ২০১২ সালে স্পট ফিক্সিংয়ে জড়িয়ে পড়েন। শুরুতে অপরাধের কথা স্বীকার না করলেও ২০১৮ সালের শেষের দিকে দোষ স্বীকার করেন তিনি।

এদিকে পাকিস্তানের সাবেক টেস্ট অধিনায়ক সেলিম মালিকও আজীবন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের জন্য পিসিবির কাছে আবেদন করেছিলেন। ২০০০ সালে ম্যাচ ফিক্সিংয়ে জড়ানো সাবেক এই ব্যাটসম্যানকেও হতাশার খবর শোনাল বোর্ড।

মালিকের ব্যাপারে পিসিবির বক্তব্য, ২০০০ সালের এপ্রিলের কথোপকথন নিয়ে আইসিসি যে প্রতিলিপি দিয়েছিল, তিনি তার জবাব দিতে পারেননি তখন। পিসিবি সেলিম মালিককে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে, যেহেতু তিনি তার দোষ স্বীকার করে নিয়েছিলেন, তাই আপিল করে তার অপরাধ থেকে মুক্তি মিলবে না।

এমএমআর/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]