মাঠে ফিরে সব নতুন মনে হচ্ছে মুমিনুলের

ক্রীড়া প্রতিবেদক ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:৫৪ পিএম, ০৮ আগস্ট ২০২০

দীর্ঘ পাঁচ মাস পর চেনা মাঠে ফিরলেন। এত বড় বিরতি। সবকিছুই কেমন অচেনা অচেনা লাগছে মুমিনুল হকের। মিরপুর শেরে বাংলায় রানিং, ইনডোরে ব্যাটিং-সব কিছুই করলেন। কিন্তু আড়ষ্টভাবটা যেন কাটছিল না।

তবে এতদিন পর হলেও যে মাঠে ফিরতে পেরেছেন, এতেই খুশি মুমিনুল। বাংলাদেশ দলের টেস্ট অধিনায়ক বলেন, ‘আল্লাহর কাছে শুকরিয়া। অনেকদিন পর ক্রিকেটে ফিরতে পেরেছি। খুব ভালো লাগছে। প্রথম দিন হওয়ায় সব কিছু নতুন নতুন লাগছে। মানিয়ে নিতে হয়তো সময় লাগবে। দুই তিনদিন বা চার-পাঁচদিন। আশা করছি খুব দ্রুত মানিয়ে নিতে পারব। অনেক দিন ধরে বাইরে ছিলাম। খুব মিস করছিলাম। অবশেষে ভালো খবর যে শুরু করতে পেরেছি।’

এরই মধ্যে অনেক দেশে ক্রিকেট শুরু হয়ে গেছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ-ইংল্যান্ড টেস্ট সিরিজ শেষ হলো। এখন চলছে পাকিস্তান-ইংল্যান্ড সিরিজ। আস্তে আস্তে মাঠের ক্রিকেট সরগরম হচ্ছে।

দলগুলো সিরিজ খেলছে, মুমিনুলরা খেলার বাইরে। খারাপ তো লাগেই। তবে বাংলাদেশেরও সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে শ্রীলঙ্কা সফরে যাওয়ার কথা। সেখানে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচ আছে।

মুমিনুল সেদিকেই তাকিয়ে। টেস্ট দলের এই ব্যাটিং ভরসা বলেন, ‘যেহেতু চার-পাঁচ মাস বাইরে ছিলাম। অবশ্যই ক্রিকেটটা অনেক মিস করেছি। বিশ্বের অনেকগুলি দল ক্রিকেটে ফিরছে- ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ... তাদের দেখলে অবশ্যই খারাপ লাগে, মিস করি। আমরাও আস্তে আস্তে ক্রিকেটে ফেরার চেষ্টা করছি। সামনে আমাদের টেস্ট ম্যাচ আছে। সেজন্য আমরা ভালো একটা প্রস্তুতি নেব। ভালো শুরু করতে পারব ইনশাআল্লাহ।’

তবে এই বিরতিটাকেও ইতিবাচকভাবে দেখতে চান মুমিনুল। প্রস্তুতির যথেষ্ট সময় পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া লকডাউনের সময়টায় ক্রিকেটাররা নিজেদের ব্যক্তিগত স্কিল নিয়ে কাজ করেছেন। এছাড়া খেলার মধ্যে থেকে যে বিষয়গুলো ভাবার সময় পাওয়া যায়নি, সেগুলো নিয়েও ভাবতে পেরেছেন।

সবমিলিয়ে বিরতিতে ক্ষতি দেখছেন না মুমিনুল। তার ভাষায়, ‘লকডাউনের সময় আমরা ক্রিকেট নিয়ে অনেকটা চিন্তা ভাবনা করার সুযোগ পেয়েছি। যেহেতু কোনো কাজ ছিল না। কেউ ফিটনেস কাজ করেছে। কেউ সাইকোলজিক্যালি কাজ করেছে। কোচদের সঙ্গে টেকনিক্যাল, ট্যাকটিকাল কাজ করেছে। কিভাবে খেলাটা স্কিলের দিক থেকে উন্নতি করা যায়। অনেকে তার ব্যক্তিগত কাজ করেছে কিভাবে নিজের খেলার আরও উন্নতি করা যায় ‘

‘আমার কাছে মনে হয় খুব বেশি ভালো আলোচনা হয়েছে, যেগুলো দিয়ে আমরা ভালো কিছু আশা করতে পারি। যেগুলো কাজে লাগানো যায়। খেলার ভেতরে থাকলে এগুলো নিয়ে আলোচনা করার সুযোগ কম হয়। মাঠের বাইরে থেকে খেলা কিভাবে উন্নতি করা যায় সেগুলো নিয়ে কাজ করতে পেরেছি’-যোগ করেন টাইগার টেস্ট অধিনায়ক।

এমএমআর/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]