বিসিবিকে নতুন প্রস্তাব শ্রীলঙ্কার

ক্রীড়া প্রতিবেদক ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৪:৩০ পিএম, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০

কোয়ারেন্টাইন ইস্যুতে ঝুলে আছে বাংলাদেশের শ্রীলঙ্কা সফর। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সাফ জানিয়ে দিয়েছে, শ্রীলঙ্কায় গিয়ে ৭ দিনের বেশি কোয়ারেন্টাইনে থাকা সম্ভব নয় টাইগার ক্রিকেটারদের। লঙ্কান বোর্ডও অনড়। তাদের কথা, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ১৪ দিনের কম কোয়ারেন্টাইন মানবে না।

এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে এখনও কোনো সমঝোতা হয়নি। যা কিনা অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিয়েছে টাইগারদের শ্রীলঙ্কা সফর। এমন সময়ে নতুন এক প্রস্তাব আসলো লঙ্কান ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে। ৭ দিন করে দুই ধাপে কোয়ারেন্টাইন পর্ব শেষ করার প্রস্তাবনা তাদের।

তার মানে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইন পিরিয়ড ঠিকই কাটাতে হবে টাইগারদের। তবে নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, ৭ দিন দেশ থেকে কোয়ারেন্টাইন শেষ করে বাকি ৭ দিন কলম্বোয় শেষ করতে পারবে বাংলাদেশ দল।

যদিও এখন পর্যন্ত এটা প্রস্তাবনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ। শ্রীলঙ্কার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কিংবা বিসিবি-কেউই এই প্রস্তাবনায় ‘হ্যাঁ’ বলেনি। তবে অনিশ্চয়তায় পড়ে যাওয়া লঙ্কা সফরে আলোর রেখা দেখা দিয়েছে নিঃসন্দেহে।

বাংলাদেশ দলের কোয়ারেন্টাইনের গাইডলাইন শিথিলের অনুরোধ জানিয়ে লঙ্কান ক্রিকেট বোর্ড আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে। ক্রীড়ামন্ত্রী ও বোর্ড প্রেসিডেন্ট বৈঠক করেছেন দেশটির সেনাপ্রধানের সঙ্গে।

‘ক্রিকইনফো’র সঙ্গে আলাপে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের ভাইস প্রেসিডেন্ট রাভিন বিক্রমারত্নে বলেন, ‘কোভিড-১৯ টাস্কফোর্সের সঙ্গে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের ইতিবাচক বৈঠক হয়েছে। সবাই একমত যে, এই সফরটা হওয়া উচিত। তবে চিকিৎসকদের পরামর্শও বিবেচনায় আনতে হবে আমাদের।’

শ্রীলঙ্কার ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনের প্রস্তাবে এখন পর্যন্ত বিসিবির রাজি না হওয়ার পেছনে কারণ আছে যথেষ্ট। এই সময়টায় খেলোয়াড়রা হোটেলের বাইরে যেতে পারবেন না। বিসিবি মনে করছে, টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের মতো এত গুরুত্বপূর্ণ একটা সিরিজের আগে দীর্ঘ সময় খেলোয়াড়রা অনুশীলনের বাইরে থাকলে দলের পারফরম্যান্সে তার প্রভাব পড়বে।

এর আগে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট তাদের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে অনুরোধ করেছিল, যাতে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইন পিরিয়ডের দ্বিতীয় ধাপে বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের অনুশীলন করতে দেয়া হয়। কিন্তু তারা সে অনুরোধও মানেননি।

শ্রীলঙ্কায় বড় স্টেডিয়ামগুলোর সঙ্গে লাগোয়া হোটেলও নেই, যেমনটা সাউদাম্পটন এবং ম্যানচেস্টারে ইংল্যান্ডের আছে। ফলে কোয়ারেন্টাইন মানেই হোটেলে ক্রিকেটারদের বন্দী থাকা। আর বন্দীদশা মুক্ত হওয়ার পরই যদি সিরিজের প্রস্তুতি নিতে হয়, তবে তো অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ের আগে মাঠে নামার উপায় থাকবে না টাইগারদের।

এমএমআর/পিআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]