সেই ‘শর্ট রান’ নিয়ে ম্যাচ রেফারির দ্বারস্থ পাঞ্জাব

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০২:১২ পিএম, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০

বোঝাই যাচ্ছিল, অল্পে থামবে না দিল্লি ক্যাপিট্যালস ও কিংস এলেভেন পাঞ্জাবের মধ্যকার ম্যাচের শর্ট রান বিতর্ক। কেননা ম্যাচের ফলাফল জানা গিয়েছে সুপার ওভারের মাধ্যমে। অথচ শর্ট রানটি না দিলে মূল ম্যাচেই জিতে যেত পাঞ্জাব এবং খেলা সুপার পর্যন্ত যেতোই না।

তা হয়নি আম্পায়ার নিতিন মেননের ভুল সিদ্ধান্তের কারণে। তিনি পাঞ্জাবের একটি রান বাদ দিয়ে দেয়ায় ম্যাচ হয়েছে টাই, গড়িয়েছে সুপার ওভারে। এ বিষয়ে ম্যাচ রেফারি জাভাগাল শ্রীনাথের কাছে আনুষ্ঠানিক আবেদন করেছে পাঞ্জাব কর্তৃপক্ষ। কেননা এই দুই পয়েন্টের জন্য হাতছাড়া হতে পারে তাদের প্লে-অফের টিকিট।

ঘটনা ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসের। দিল্লির দেয়া ১৫৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৯তম ওভারে কাগিসো রাবাদার ইয়র্কার লেন্থের একটি ডেলিভারিকে লং অনের দিকে ঠেলে দেন মায়াঙ্ক আগারওয়াল। দ্রুততার সঙ্গে দুই রান নেন দুই ব্যাটসম্যান মায়াঙ্ক ও ক্রিস জর্ডান। স্কয়ার লেগে দাঁড়ানো আম্পায়ার নিতিন মেনন জানান, জর্ডার প্রথম রান নেয়ার সময় পপিং ক্রিজের ভেতরে ব্যাট ছোঁয়াননি।

যার ফলে সেই দুই রান থেকে একটি রান কেটে নেয়া হয়। শেষপর্যন্ত এই এক রানের জন্যই মূল ম্যাচটি টাই হয় এবং খেলা গড়ায় সুপার ওভারে। ম্যাচ শেষে দিল্লির জয় ছাপিয়ে এখন আলোচনা চলছে সেই এক রান কম দেয়া নিয়েই। কেননা রিপ্লে ভিডিওতে স্পষ্টত দেখা গেছে, সেই রানটি বৈধভাবেই সম্পন্ন করেছিলেন জর্ডান। আর এটি দিলেই ম্যাচ জিতে যেতো পাঞ্জাব।

যেহেতু খালি চোখেই বোঝা যাচ্ছে, জর্ডানের সেটি শর্ট রান ছিল না বরং বৈধভাবেই রানটি নেয়া হয়েছিল; তাই এটিকে এমনিতেই ছেড়ে দিচ্ছে না পাঞ্জাব। দলের প্রধান নির্বাহী সতীশ মেনন জানিয়েছেন, ম্যাচ রেফারির কাছে আবেদন করেছেন তারা এবং এ বিষয়ে কার্যকরী সমাধান আশা করছেন।

প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়াকে সতীশ বলেছেন, ‘আমরা ম্যাচ রেফারির কাছে আবেদন করেছি। মানুষ মাত্রই ভুল হয়, আমরা বুঝতে পারি। কিন্তু আইপিএলের মতো বিশ্বমানের টুর্নামেন্টে এমন ভুলের জায়গা নেই। এই একটি ভুলে আমাদের প্লে-অফের টিকিট হাতছাড়া হতে পারে। পরাজয় মানে পরাজয়ই। এটা অন্যায় হয়েছে। আমি আশা করছি নিয়ম পর্যালোচনা করা হবে যেখানে ভুলের কোনো জায়গা থাকবে না।’

এসএএস/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]