শ্রীলঙ্কায় টেস্ট অভিষেকের স্বপ্ন দেখছেন সাইফউদ্দিন

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৮:৫৩ পিএম, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০

জাতীয় দলে অভিষেক হয়েছে প্রায় সাড়ে তিন বছর (২০১৭ সালের ৪ এপ্রিল কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি ম্যাচ দিয়ে শুরু আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার)। এর মধ্যে ২২ ওয়ানডে আর ১৫ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেও ফেলেছেন; কিন্তু টেস্ট খেলা হয়নি এখনো। সে অর্থে সাইফউদ্দিন এখনো সাদা বলের পারফরমার হয়েই আছেন।

টিম বাংলাদেশের হয়ে লাল বল হাতে নেয়া হয়নি এখনো। এবার কি সে সুযোগ হবে? ফেনীর ২৪ বছরের সুঠামদেহী পেস বোলিং অলরাউন্ডার কি টেস্ট দলে জায়গা পাবেন এবার? একজন পুরোদস্তুর পেস বোলিং অলরাউন্ডার হিসেবে কি আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে শ্রীলঙ্কা সফরে কি তাকে বিবেচনায় আনা হবে?

এমন গুঞ্জন কিন্তু আছে। যেহেতু ২৭ জনের প্রাথমিক দলে আছেন, তাই সাইফউদ্দীন নিজেও আশাবাদী, কি জানি এবার একটা সুযোগ পেলেও পেতে পারি। আর একজন ক্রিকেটার মাত্রই টেস্ট খেলার স্বপ্ন দেখেন। সাইফউদ্দীনও সে স্বপ্ন দেখেন। দীর্ঘদিন ভিতরে সে স্বপ্ন পরম যতনে লালন করে রেখেছেন।

আজ বুধবার সে স্বপ্নের কথা বলেও ফেলেছেন। ‘প্রত্যেক ক্রিকেটারেরই স্বপ্ন থাকে টেস্ট ক্রিকেটার হওয়ার। আমিও ব্যতিক্রম নই। ইনশাআল্লাহ চেষ্টা থাকবে যদি সুযোগ পাই (শ্রীলঙ্কা সফরে টেস্ট দলে), ভালো কিছু করার।’

এ মুহূর্তে নিজেকে শতভাগ সুস্থ্য ও শারীরিকভাবে সক্ষম করে তুলতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ সাইফউদ্দীন, ‘এখন আমার মূল টার্গেট হলো নিজেকে ফিট করা। নিজের স্কিলের ডেভেলপ করা।’

তবে যেহেতু দীর্ঘদিন ম্যাচ খেলার সুযোগ হয়নি, তাই স্কিল নিয়ে কিছুটা চিন্তিত। সাইফউদ্দীনের আশা, শ্রীলঙ্কা সফরে টেস্ট দলে জায়গা পেলে গা গরমের ম্যাচ ও টেস্ট অভিষেকের সুযোগ পেলে কিছু ম্যাচ খেলার সুযোগ মিলবে।

তাই মুখে এমন আশাবাদী উচ্চারণ, ‘কিছুটা চিন্তিত আমার স্কিল নিয়ে। কারণ, অনেকদিন প্রায় ৬-৭ মাস যাবত ব্যাটিং-বোলিং করতে পারিনি। ইন্টারন্যাশনাল মানের হতে হলে যেটা করতে হয়। তারপর যে সময়টা আছে, যদি আমরা শ্রীলঙ্কায় যাই, ওই সময়টাতে নিজেকে আরও মেলে ধরার চেষ্টা করব।’

পিঠের ব্যাথা তার ক্যারিয়ারের পথে এর মধ্যেই একটা প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করেছে। তাই পিঠে ব্যাথা নিয়েও খানিক চিন্তিত সাইফউদ্দিন। সে কারণে ম্যাচ খেলার সুযোগ হয়েছে কম।

সে কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সবসময় আমার এটা নিয়ে চিন্তা থাকে, আমার ইনজুরিটা নিয়ে। যেহেতু আমার মেজর একটা ইনজুরি আছে, ব্যাক পেইন। আমি প্রায় ৬-৭ মাস মাঠের বাইরে ছিলাম। এরপর ফিট হয়ে এসে একটা-দুইটা ম্যাচ খেলার পর আবার করোনার কারণে ৬ মাস পিছিয়ে গেলাম। পুরো এক বছরের মতো আমি মাঠের বাইরে। সুতরাং, যে কারণে আমার জন্য খুব বেশি ডিফিকাল্ট।’

তবে তার আশা শ্রীলঙ্কা সফরে সুযোগ এসেও যেতে পারে। তাই এমন আশার কথা মুখে, ‘যেহেতু সামনে অনেকগুলো ম্যাচ আছে, নিজেকে যত তাড়াতাড়ি ওভারকাম করতে পারব, ততই আমার জন্য ভালো। ইনশাআল্লাহ আমার ওই লক্ষ্যটা থাকবে। যত তাড়াতাড়ি ম্যাচ ফিটনেসটা আনতে পারি, তত তাড়াতাড়ি আমার এবং দলের জন্য ভালো হবে।’

এআরবি/আইএইচএস/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]