অন্যরকম এক অনুশীলনে ইয়াসির রাব্বি

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৮:২৩ পিএম, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০

টেস্ট, ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি- কোনোটাই খেলা হয়নি। তবে জাতীয় দলে সুযোগ পেয়েছেন ইয়াসির আলী রাব্বি। গত ফেব্রুয়ারি মাসে ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে শেষ টেস্ট সিরিজেও দলে ছিলেন। তবে একাদশে জায়গা পাননি। মানে আন্তর্জাতিক অভিষেকের অপেক্ষায় চট্টগ্রামের এ সম্ভাবনাময় ব্যাটিং প্রতিভা।

এবার শ্রীলঙ্কা সফরে ২৭ জনের প্রাথমিক দলে আছেন ইয়াসির আলী। আগেও জাতীয় দলের ক্যাম্প করেছেন; কিন্তু এখন ‘স্কিল ট্রেনিং’-এর নামে যে অনুশীলন চলছে, সেটাকে অন্যরকম বলে মনে করেন ইয়াসির আলী।

‘এবারের ক্যাম্পটা পুরোটাই আলাদাঅ।’ তার ভাষায় কারণ হচ্ছে, ‘এমন সুযোগ সুবিধা ও নতুন পরিবেশে ক্যাম্প হয়নি আগে। সবমিলিয়ে নতুন অভিজ্ঞতা খুব ভালো লাগছে। কয়েকদিন সবার সাথে অনুশীলন করে ভালো লেগেছে। এতদিন তো আলাদা অনুশীলন করতাম। একা একা অনুশীলনের মধ্যে দলীয় অনুশীলনের যে অনুভূতি সেটা আসে না। নতুন অভিজ্ঞতা ভালো লাগছে আমার।’

সেই ভালো লাগার আরও কারণ ছিল। প্রথমে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে অনুশীলন করেছেন আরেক তরুণ অফ-স্পিনার নাঈম হাসানের সঙ্গে। মানছেন সেখানে একার অনুশীলন ছিল। কোচ ও মেন্টরের অভাব বোধ করেছেন। এমনকি কোন পেস বোলারও ছিল না।

পরে ঢাকায় এসে পেয়েছেন জাতীয় দলের হেড কোচ রাসেল ডোমিঙ্গো সহ আরও অনেককে। শেরে বাংলার নেটে শফিউল, রুবেল, তাসকিন, মোস্তাফিজ, আবু জায়েদ রাহী, আল আমিন হোসেন এবং হাসান মাহমুদের মত পেসারদের খেলেছেন। খুব স্বাভাবিকভাবেই অনুশীলনের ধরণটাই গেছে পাল্টে।

হোম অফ ক্রিকেটে গত কয়েকদিনের প্র্যাকটিসেই ভাল বোধ করছেন ইয়াসির আলী। ‘এখানে এসে ব্যাটিং করে সবচেয়ে যে জিনিসটা ভালো লেগেছে কোচের সাথে কথা বলে। আমি কি কি জিনিস নিয়ে কাজ করতে চাই- ওসব নিয়ে কথা বলেছি, অল্প কিছু কাজও করেছি। চট্টগ্রামে সমস্যা হয়েছিল আমার একদম কোন পেস বোলার ছিল না। এখানে এসে অনেক ভালো ভালো পেসারের মুখোমুখি হয়েছি অনেকদিন পর। একটু অন্য রকম লাগছিল কিন্তু যত সময় যাচ্ছিল ব্যাটিংও আল্লাহর রহমতে ভালো হচ্ছিল। খুব ভালো প্র্যাকটিস সেশন হয়েছে আমাদের।’

করোনার পর এখন হোটেল সোনারগাঁও প্যানপ্যাসিফিকে ‘বায়ো বাবলের’ সুরক্ষার মধ্যে চলছে আবাসিক অনুশীলন। ইয়াসিরের মনে হয় বায়ো বাবলের মধ্যে ক্যাম্প করাটা এক নতুন অভিজ্ঞতা।

‘করোনার পর বায়ো বাবলের মধ্যে আমরা আমরা জাতীয় দলের ক্যাম্পটা করছি, একটা নতুন অভিজ্ঞতা। কিন্তু অভিজ্ঞতাটা খারাপ না। কারণ আমরা সত্যি কথা একটু আতঙ্কিত যে, বাইরে গেলে কি হবে। আক্রান্ত হয়ে যাবো কি না। এই জিনিসটা এখন একটু আমাদের মন থেকে দুরে থাকছে যে বায়ো বাবলের মধ্যে ঢুকলে আমরা নিরাপদ থাকবো। এই চিন্তা মাথায় রেখেই সুন্দরভাবে অনুশীলন করতে যাচ্ছি।’

এআরবি/আইএইচএস/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]