কলকাতার পর হুগলিতে আইপিএল জুয়ার আসর

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৯:৫৬ পিএম, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০

কলকাতার পর এবার হুগলিতে আইপিএল নিয়ে জুয়ার বিশাল এক আখড়ার সন্ধান পেয়েছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ। কোন্নগড়ের ধর্মডাঙা এলাকার একটি বাড়ি থেকে আইপিএল জুয়ার সঙ্গে যুক্ত সন্দেহে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করল উত্তরপাড়া থানার পুলিশ। গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে ১ লক্ষ ২৫ হাজার রুপি এবং ১২টি মোবাইল ফোন। শ্রীরামপুর মহকুমা আদালতে পেশ করে ৭ দিনের পুলিশি হেফাজতের আবেদন জানানো হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে খবর, কোন্নগড়ের ধর্মডাঙার ওউ বাড়ি থেকে গ্রেফতারকৃতদের নাম অমিত গুপ্ত, আনন্দ কাশ্যপ, সৌরভ সিংহরায়, মনোরঞ্জন সিং, মোহিত শর্মা, রাজু যাদব, শুভজিৎ দে। এদের বয়স ২৪ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে। সবারই বাড়ি উত্তরপাড়া, হিন্দমোটর ও কোন্নগড় এলাকায়। জানা গেছে, আইপিএল শুরু হওয়ার আগে থেকেই গ্রেফতারকৃতরা পরিকল্পনা করে শুভজিতের বাড়িতে এই জুয়ার চক্র বসায়। তবে এদের পিছনে জুয়ার কোনও বড় মাথা কাজ করছে বলে পুলিশের দৃঢ় বিশ্বাস।

প্রাথমিকভাবে পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ জানতে পেরেছে, আইপিএলের বেটিং চক্রের বিভিন্ন অ্যাপ রয়েছে। মোবাইলে সেই অ্যাপ ডাউনলোড করে এরা চক্রের সঙ্গে যুক্ত হয়। সবটাই হয় অনলাইনের মাধ্যমে। কোন্নগড়ের ধর্মডাঙার বাড়িতে বসে এরা জুয়াড়ির কাজ করত। সোমবার রাতে আরসিবি ও মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের ম্যাচে রীতিমতো জাল বিছিয়ে বসেছিল এই সাত যুবক। খেলার শুরু থেকেই সব কিছুই ভাল চলছিল। চার ছক্কা মারার সঙ্গে সঙ্গে জুয়ার দরও ওঠানামা করছিল। খেলা নির্ধারিত ওভারের পর টাই হয়ে যাওয়ার পর সুপার ওভারে বেশ বড় ধরনের দাঁও মারার আশায় ছিল এই এরা।

গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশ ধর্মডাঙার বাড়িতে হানা দেয়। হাতেনাতে ধরা পড়ে যায় ৭ জুয়াড়ি। তবে অনলাইনে আইপিএলের এই জুয়া চললেও কোনও অবস্থাতেই টাকাপয়সা অনলাইনে লেনদেন হত না। সবটাই হত নগদে। অনলাইনে লেনদেন হলে ধরা পড়ে যাওয়ার সম্ভবনা অনেক বেশি, সে সম্পর্কে সচেতন ছিল তারা। পুলিশের অনুমান, স্থানীয় অনেকেই এই জুয়ায় অংশ নিয়েছে। যার ফলে এদের নগদ লেনদেনের ক্ষেত্রে কোনো অসুবিধা হয়নি। তবে এর পেছনে বড় কোনও মাথা আছে বলে ধারণা তদন্তকারীদের। সেই পাণ্ডারই খোঁজ শুরু করেছে পুলিশ।

আইএইচএস/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]