দুবাইতে উপস্থিত হয়ে গেছে জুয়াড়ি, চিন্তিত বিসিসিআই

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৭:৪৭ পিএম, ০১ অক্টোবর ২০২০

করোনার কারণে ভারত নয়, আরব আমিরাতে চলছে এবারের আইপিএল। ১৯ সেপ্টেম্বর শুরু হওয়ার পর প্রায় দুই সপ্তাহ পার হতে চললো। ইতিমধ্যে উত্তেজনা পৌঁছে গেছে চরমে। কারণ দু’সপ্তাহও কাটতে পারেনি, এরইমধ্যে একাধিক হাড্ডাহাড্ডি ম্যাচ এবং দু’টি সুপার ওভারের সাক্ষীও থেকেছে ক্রিকেট বিশ্ব।

এই পরিস্থিতিতে বরাবরের মতোই ম্যাচ ফিক্সিংয়ের শঙ্কাও বেড়ে চলেছে। এরই মধ্যে ভারতের বিভিন্ন জায়গায় ফিক্সিংয়ের খবর প্রকাশ হচ্ছে। কলকাতায় বেশ কয়েকজন জুয়াড়িকে গ্রেফতারও করেছ পশ্চিম বঙ্গের পুলিশ।

ফিক্সিংয়ের কারণে ইতিমধ্যে একবার কলঙ্কিত হতে হয়েছে কোটি টাকার এই টুর্নামেন্টকে। জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যে দুবাইয়ে পৌঁছে গেছে জুয়াড়িরা এবং এজেন্টরা। এমনকি বিভিন্ন দলের আশেপাশে ঘুরে বেড়াতেও দেখা গিয়েছে বুকিদের।

আর একথা স্বীকার করে নিলেন খোদ বিসিসিআইর অ্যান্টি করাপশন ইউনিট শাখার প্রধান অজিত সিং। তবে এর সঙ্গে তিনি এটাও আশ্বস্ত করলেন, পুরো বিষয়টি অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গেই দেখছে বোর্ড এবং ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো। এখনও পর্যন্ত জুয়াড়ি যে সফল হয়নি, সে কথাও জানান তিনি।

করোনার মধ্যে একাধিক নিয়মবিধি মেনে তবেই দুবাইয়ে আয়োজিত হচ্ছে এবারের আইপিএল। সব কিছু সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সেখানে রয়েছেন সৌরভ গাঙ্গুলিসহ বিসিসিআই শীর্ষ কর্মকর্তারা। খেলা হচ্ছে দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে।

নির্দিষ্ট ব্যক্তি ছাড়া খেলোয়াড়দের কাছে ঘেঁষতে পারবেন না কেউই। এমনকি খেলোয়াড়দের গতিবিধিও নজরে রাখা হচ্ছে, যাতে কোনোভাবেই তারা জৈব সুরক্ষা বলয় ভাঙতে না পারেন। এই পরিস্থিতিতে জুয়াড়িদের তাদের আশেপাশে যাওয়া একেবারেই অসম্ভব। তবে তারা যে ইতিমধ্যে দুবাইয়ে উপস্থিত, তা নজরে এসেছে বিসিসিআইয়ের। তাই তারা রীতিমতো সাবধানী।

এ প্রসঙ্গে সংবাদসংস্থা এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘দুবাইয়ে অনেক বুকিই কিন্তু ইতিমধ্যে পৌঁছে গেছে; কিন্তু কোনোভাবেই তারা এগোতে পারছে না। এখনও পর্যন্ত সবকিছু পরিকল্পনামাফিক চলছে। আমরা আমিরশাহী বোর্ড এবং স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে মিলে কাজ করছি। তারা খুবই সাহায্য করছেন।’

এর পাশাপাশি তিনি আরও জানান, খেলোয়াড়দের গতিবিধির উপর নজর রাখা থেকে শুরু করে সোশ্যাল মিডিয়ায় কারা ক্রিকেটারদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেন বা কথা বলছেন, সে ব্যাপারেও নজর রেখেছে তার দল। তবে এর পাশাপাশি ফিক্সিং রুখতে কড়া আইন আনার পক্ষেও সওয়াল করেছেন তিনি।

আইএইচএস/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]