তামিম-মোস্তাফিজ ভাইদের কাছ থেকে অনেক কিছু শিখছি : শরিফুল

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৯:৩০ পিএম, ১৮ অক্টোবর ২০২০

ছিলেন যুব বিশ্বকাপ জয়ী দলের এক নম্বর পেসার। আকবর বাহিনীর যুব বিশ্বকাপ সেরা হওয়ার পেছনে যে কজন হাতে গোনা ক্রিকেটার কার্যকর পারফরমেন্স করেছেন তার অন্যতম হলেন পেসার শরিফুল ইসলাম।

লম্বা শরিফুল জোরে বল করতে পারেন। এবারের প্রেসিডেন্টস কাপে এই তরুণ খেলছেন তামিম ইকবাল একাদশে। যেখানে দেশের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান, এক নম্বর ওপেনার আর ওয়ানডে কাপ্তান তামিম ইকবাল রয়েছে শরিফুলদের নেতৃত্বে। সাথে পেয়েছেন দেশের অন্যতম সেরা পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকেও।

এছাড়া পেস বোলিং অলরাউন্ডার ও সীমিত ওভারের ফরম্যাটে এরই মধ্যে দেশের প্রায় অন্যতম কার্যকর পেসারে পরিণত হওয়া সাইফউদ্দীনকেও সহযোগী হিসেবে পেয়েছেন শরিফুল।

তাদের কাছ থেকে অনেক কিছু শিখছেন এই তরুণ পেসার। অধিনায়ক তামিম তাকে দিক-নির্দেশনা দিচ্ছেন, অনুপ্রানিত করছেন। বিভিন্ন ব্যাটসম্যানের দূর্বল দিকগুলোও শরিফুলকে চিহ্নিত করে দিচ্ছেন। বাঁ-হাতি মোস্তাফিজ আর সাইফউদ্দীনের কাছ থেকেও টিপস নিচ্ছেন।

আজ রোববার বিসিবির দেয়া ভিডিও বার্তায় সে কথাই শোনালেন শরিফুল, ‘আমি তামিম ভাইয়ের দলে খেলছি। উনি বর্তমান জাতীয় দলের অধিনায়ক। উনি আমাকে অনেক কিছু বলেন, পরামর্শ দেন বোলিংয়ের সময় বা নেট করার সময়। উনি অনেক কিছু শেয়ার করেন ব্যাটসম্যানের দুর্বল দিক নিয়ে। মোস্তাফিজ ভাই আছেন আমাদের দলে, সবসময় উনাকে প্রশ্ন করি, উনি সুন্দর করে শিখায়, বোঝায়। সাইফউদ্দিন ভাই আছে, উনাকেও বলি যে ভাই বিপিএল বা জাতীয় দলে ব্যাটসম্যানরা কোথায় দুর্বল থাকেন বেশি? এসব জানার ইচ্ছে, উনাদের কাছ থেকে শুনি। তারাও বলেন, শেয়ার করেন। খুব ভালো লাগতেছে যে তাদের কাছে কিছু জানতে চাইলে সাথে সাথে বলেন, সুন্দর করে বুঝিয়ে দেন। এসব শেয়ার করতে পারা ভালো লাগে।’

এদিকে এখন টুর্নামেন্টের যা অবস্থা, তাতে ফাইনালের সম্ভাবনা টিকিয়ে রাখতে হলে আগামীকাল (সোমবার) মাহমুদউল্লাহ বাহিনীর বিপক্ষে তামিম বাহিনীর জয় খুব দরকার।

সে কঠিন সত্য উপলব্ধি করছেন শরিফুলও। তাই কালকের ম্যাচকে এবারের প্রেসিডেন্টস কাপে নিজেদের অস্তিত্বের লড়াই মানছেন এ তরুণ পেসার। শরিফুলের চোখে সোমবারের ম্যাচটিই তামিম বাহিনীর জন্য ফাইনাল।

তাইতো মুখে এমন কঠিন পণ, ‘আগামীকালের ম্যাচটা আমাদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। ফাইনালে যাওয়ার সুযোগ, কালকে জিতলে ফাইনালে যেতে পারবো ইনশাল্লাহ। হেরে গেলে পরেরটায় কি হবে বলা যায় না। কালকের ম্যাচটা মূল, তো কালকে আমরা ফাইনাল মনে করেই খেলবো।’

এআরবি/আইএইচএস/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]