মুশফিক ভাই বলছেন ‘ক্যারেক্টার শো করতে’

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৮:৩৭ পিএম, ২০ অক্টোবর ২০২০

মাশরাফি আর সাকিব ছাড়া বাংলাদেশের সব তারাই আছেন প্রেসিডেন্টস কাপে। শেরে বাংলায় এখন তারার মেলা; কিন্তু কেন যেন মাঠ আলোকিত হচ্ছে না। তারারা আলো ছড়াচ্ছেন কম। বিশেষ করে, বড় তারারা সেভাবে জ্বলে উঠতে পারেননি।

বরং কম পরিচিতির তরুনরা আলো ছড়িয়েছেন। আফিফ হোসেন ধ্রুব, শেখ মেহেদি, ইরফান শুক্কুর, তৌহিদ হৃদয় আর মাহমুদুল হাসান জয়রা- ভাল খেলছেন।

এ তরুণদের ব্যাট কথা বলছে। এই তালিকায় ওপরের দিকেই আছেন ইরফান শুক্কুর। চট্টগ্রামের এ তরুণ উইলোবাজ এরই মধ্যে নজর কেড়েছেন।

প্রথম ম্যাচে তৌহিদ হৃদয় আর ইরফান শুক্কুরের হাত ধরেই রিয়াদ বাহিনীর বিপক্ষে জিতেছিল নাজমুল হোসেন শান্তর দল। দু’জনের ব্যাটই পঞ্চাশ ছুঁয়েছিল সেদিন। তৌহিদ হৃদয় জয়ের খুব কাছে গিয়ে আউট হয়ে গেলেও ইরফান শুক্কুর দল জিতিয়েই সাজঘরে ফেরেন।

ঘরোয়া ক্রিকেটে ইরফান শুক্কুর মোটামুটি পরিচিত মুখ। ঢাকা লিগে মোহামেডানের হয়ে খেলছেন দু’বছর হলো। এইচপির ক্যাম্পে আছেন। নিজেকে ঘঁষে-মেজে ভাল করতে ব্যাটের দ্যুতি বাড়াতে প্রাণপন চেষ্টাও আছে। সেই সাথে প্রেসিডেন্টস কাপে দলে পাওয়া সিনিয়রদের কথাও মন দিয়ে শোনার চেষ্টা করছেন।

সিনিয়র পার্টনার ও দেশের অন্যতম শীর্ষ তারকা মুশফিকুর রহীমের পরামর্শ খুব মন দিয়ে শুনছেন। অনুস্মরণের চেষ্টাও করছেন ইরফান শুক্কুর। ‘মিস্টার ডিপেন্ডেবল’ তাকে শিখিয়েছেন, নিজের ক্যারেক্টার দেখাতে হবে। মাঠে নিজেকে মেলে ধরতে হবে। জাত, পাত বোঝাতে হবে।

মুশফিকুর রহীম একা নন, জাতীয় দলের অরেক সদস্য সৌম্য সরকারও ইরফান শুক্কুরের টিমমেট। তার ভাষায়,‘আমার সতীর্থ। আন্ডার নাইন্টিন থেকেই আমি আর সৌম্য একসঙ্গে খেলছি। ওরা জাতীয় দলকে অনেক বছর ধরে প্রতিনিধিত্ব করে আসছে। তাদের সঙ্গে ড্রেসিং রুম শেয়ার করতে অনেক বেশি ভালো লাগছে। মুশফিক ভাই বলছে ক্যারেক্টারটা শো করতে।’

মুশফিক তাকে কি কি পরামর্শ দিচ্ছেন? তা জানাতে গিয়ে ইরফান শুক্কুর জানান, আমি মুশফিক ভাইয়ের কথাগুলো শুনতে চেষ্টা করছি। উনি কথা কম বললেও কিন্তু সে খুবই অনুপ্রেরণাদায়ী কথা বলেন। উনি বলেছেন ‘ক্যারেক্টার আর মাঠের ভেতরের অ্যাপ্রোচ যাতে এক রাখি। ওটাই আমি চালিয়ে যেতে চাচ্ছি। চাচ্ছি প্রডাক্টিভ কিছু, যাতে দলের জন্য করতে পারি। ’

এমনিতে ব্যাটিং করেন ওপরের দিকে। এ আসরে খেলতে হয়েছে মিডল অর্ডারে। তারপরও নিজেকে মানিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছেন ইরফান এবং পরিবেশ ও সময়ের দাবি মেটাতেও আছেন সচেষ্ট। তা জানিয়ে শুক্কুর বলেন, ‘আমি সাধারণত টপ-অর্ডারে ব্যাটিং করি, এখানে যখন সাতে সুযোগ পেয়েছি। আমার লক্ষ্য হচ্ছে শেষ পর্যন্ত যাতে অপরাজিত থাকি দলের জন্য কিছু প্রোডাক্টিভ কিছু করতে পারি। এই টুর্নামেন্টটা আমার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আমি আউট অব ট্র্যাক ছিলাম দুই বছর। এর আগে হাই পারফরম্যান্স ক্যাম্পে ছিলাম তিন বছর। এখন এই টুর্নামেন্টে আমি চাচ্ছি দলের যা দরকার ওই অনুযায়ী খেলার।’

এআরবি/আইএইচএস/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]