ফাইনালেও ভালো কিছুর আশা শান্তর

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৬:১৭ পিএম, ২২ অক্টোবর ২০২০

ফাইনালে কি হবে? প্রেসিডেন্টস কাপে তার দল চ্যাম্পিয়ন হবে কি হবে না? তা জানাবে সময়। তবে যে কোনো হিসেব ও সমীকরণে তার দলই ফাইনালে ফেবারিট। সেটা লাইনআপের তুলনায় নয়। এবারের আসরে সবচেয়ে ভালো ক্রিকেট খেলেছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।

দুই সিনিয়র পার্টনার তামিম ইকবাল আর মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দলের বিপক্ষে তার বাহিনী রবিন লিগের চার ম্যাচে সর্বাধিক তিন ম্যাচ জিতেছে। শুধু তাই নয়। ফাইনালে যে দল তাদের প্রতিপক্ষ, সেই রিয়াদের দলকে রবিন লিগের প্রথম ও ফিরতি পর্বে দুইবার হারানোর কৃতিত্বও আছে শান্ত বাহিনীর। এছাড়া তামিম ইকবাল বাহিনীর সাথে জয়-পরাজয় সমান। খুব স্বাভাবিকভাবেই নাজমুল হোসেন শান্ত কৃতিত্ব দাবি করতেই পারেন।

কেমন লাগছে ফাইনালে উঠে? এ প্রশ্নর জবাবে শান্তর সন্তুষ্টচিত্তে উত্তর, ‘অবশ্যই ভালো লাগছে এরকম একটা টুর্নামেন্টে ফাইনাল খেলতে পেরে। আমরা সবাই অনেক উপভোগ করেছি এই টুর্নামেন্টটা। আর আশা করছি ফাইনালেও ভালো কিছুই হবে।’

নিজ দলের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট শান্ত। সিনিয়র পার্টনার মুশফিকুর রহীম, তরুণ আফিফ হোসেন, পাশাপাশি তৌহিদ হ্রদয় আর ইরফান শুক্কুরের পারফরম্যান্সেও খুশি শান্ত। এছাড়া বোলারদের মধ্যে তাসকিন আহমেদ, আল আমিন, নাইম হাসান ও নাসুম আহমেদেরও প্রশংসা করলেন অধিনায়ক। তার ধারণা, দলের ভেতরে একটি সুস্থ প্রতিযোগিতা হচ্ছে এবং আশা করছেন ফাইনালেও সেটি বজায় থাকবে।

শান্ত বলেন, ‘পুরো টুর্নামেন্টে অনেক উপভোগ করেছি, অনেক পজেটিভ দিক ছিলো। তার মধ্যে আমার মনে হয় যে মুশফিক ভাইয়ের একটা ইনিংস, আফিফের একটা ইনিংস, পাশাপাশি তৌহিদ হৃদয় ও ইরফান শুক্কুর ভাইয়ের কিছু ভালো ভালো ইনিংস ছিল। আর বোলিং ডিপার্টমেন্টে যদি চিন্তা করি তাসকিন ভাই, আল-আমিন ভাই, নাঈম, নাসুম ভাই সবাই ভালো বোলিং করেছেন। নিজেদের মধ্যে একটা হেলদি কম্পিটিশিনও হচ্ছে, সবাই এনজয় করছে। সবমিলিয়ে অনেক পজেটিভ দিক ছিল, আশা করছি ফাইনালেও আমরা একটা পজেটিভ মাইন্ড সেটআপ নিয়ে নামব।’

অনেক দিন পর মাঠে ফেরা এবং ড্রেসিংরুম শেয়ার করার অভিজ্ঞতা হয়েছে। সেটাও খুব সুখময় অনুভূতি বলে মনে হয় শান্তর। আর সে কারণেই মুখে এমন সংলাপ, ‘পুরো টুর্নামেন্টটাই অনেক এনজয় করেছি। সব থেকে বড় দিক ছিল যে অনেক দিন পরে আমরা মাঠে এরকম একটা টুর্নামেন্ট খেলতে পারলাম। সবাই একত্রিত হয়ে মাঠে খেলাটা অনেক বড় ব্যাপার ছিল আমাদের জন্য। আর সবাই একসাথে ড্রেসিংরুম শেয়ার করলাম। সবমিলিয়ে টুর্নামেন্টে অনেক পজিটিভ দিক ছিল, দারুণ উপভোগ করেছি।’

এআরবি/ এমএমআর/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]