ব্যাটসম্যানরা ব্যর্থ, তবু খুশি ডোমিঙ্গো!

ক্রীড়া প্রতিবেদক ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯:২৫ পিএম, ২২ অক্টোবর ২০২০

দীর্ঘদিন প্রতিযোগিতামূলক খেলার বাইরে ক্রিকেটাররা। তাই বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপটা মূলত আয়োজন হয়েছে তাদের মাঠে ফেরানোর লক্ষ্য নিয়েই। তবে দীর্ঘদিন পর ম্যাচ খেলতে নেমে নিজেদের মেলে ধরতে পারেননি ব্যাটসম্যানরা। ফলে রানের রোমাঞ্চের দেখা মেলেনি। টপঅর্ডারের বেশিরভাগ ব্যাটসম্যানই হতাশ করেছেন।

তবে জাতীয় দলের হেড কোচ রাসেল ডোমিঙ্গো মোটেই নৈরাশ্যবাদীদের কাতারে নন। বরং তিনি জানালেন, ব্যাটসম্যানদের পারফরম্যান্সে নাকি খুশিই আছেন! খেলোয়াড়রা মাঠে ফিরেছে, এটাকেই বড় প্রাপ্তি মনে করছেন মুশফিক-তামিমদের কোচ।

ব্যাটসম্যানদের পারফরম্যান্স নিয়ে ডোমিঙ্গো বলেন, ‘আমি খুব খুশি। আমার মনে হয় এই টুর্নামেন্টটা দারুণ উদ্যম নিয়ে খেলা হয়েছে। আপনারা দেখুন ছেলেরা ফিল্ডিংয়ে কতটা উজাড় করে দিয়েছে, বোলাররা কিভাবে বল করেছে। এটা ঠিক, ব্যাটসম্যানরা আরও কিছু রান পেলে ভালো হতো। তবে আমার মনে হয়, সবাই এটা বুঝবে যে প্রায় সাত মাসের মতো সময় বাইরে থাকার পর তারা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলতে নেমেছে।’

হেড কোচ যোগ করেন, ‘একজন কোচ হিসেবে আমার কাছে সবচেয়ে বড় ব্যাপার হলো, ছেলেরা ম্যাচে কিছু সময় কাটিয়েছে। ম্যাচ খেলার চেয়ে ভালো প্রস্তুতি আর কিছু হতে পারে না। প্রতিটি ম্যাচই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ছিল। উইকেটও খুব সহজ ছিল না। আমার মনে হয়, এজন্যই গত রাতেও ব্যাটসম্যানদের সংগ্রাম করতে হয়েছে। তারপরও কয়েকজন তরুণ ভালো করেছে। মুশফিক, রিয়াদ এবং তামিমের মতো সিনিয়র কয়েকজনও কিছু রান পেয়েছে। সবচেয়ে বড় কথা, ছেলেরা প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেট খেলতে পেরেছে।’

তারপরও ব্যাটসম্যানরা ধারাবাহিকভাবে ব্যর্থ হয়েছেন, শট সিলেকশনেও ভুল করেছেন প্রচুর। এটা কি দুশ্চিন্তার বিষয় নয়? এমন প্রশ্নে ডোমিঙ্গোর উত্তর, ‘আমার মনে হয় এই প্রশ্নটা করাই ঠিক নয়। আপনাদের বুঝতে হবে তারা সাত মাস ক্রিকেট খেলেনি। এটা দীর্ঘ সময়। সন্দেহ নেই এই ছেলেরাই সামনে ভালো করবে। তারা একসঙ্গে একটি দল হিসেবে খেলবে।’

ডোমিঙ্গো জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সর্বশেষ সিরিজের কথা মনে করিয়ে দিয়ে বলেন, ‘আমার মনে হয় তারা ধারাবাহিকভাবে খারাপ করছে, এমনটা বলা উচিত হবে না। ছয়-সাত মাস আগেই আমরা জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে ৩৪০ রান করেছি। লিটন করেছিল ১৮০ (প্রকৃতপক্ষে ১৭৬), তামিম দুটি সেঞ্চুরি করে। তাই এভাবে বলা ঠিক নয়। আমার মতে, পারফরম্যান্সটা এখানে বড় নয়। ছেলেরা ম্যাচে কিছু সময় কাটাতে পেরেছে এটাই বড় কথা।’

এমএমআর/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]