‘বিগ থ্রি’ নয়, তারা কেবল আইসিসির সদস্য : নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৯:১৬ পিএম, ২৫ নভেম্বর ২০২০

বিগ থ্রি বা তিন মোড়ল তত্ত্ব। ২০১৪ সালে ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও ভারতকে মূল ক্ষমতাধর করে আইসিসির সংবিধানে এক সংশোধনী আনা হয়েছিল। নির্বাহী এবং অর্থবাণিজ্য সংক্রান্ত দুটি কমিটিতে সবচেয়ে ক্ষমতাধর ছিল এই তিনটি দেশ। ফলে যা খুশি সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা ছিল তাদের।

এতে বাকি দেশগুলোর স্বার্থ দেখা হয়েছিল সামান্যই। ফলে আইসিসির বাকি সদস্যদের আপত্তির মুখে শেষ পর্যন্ত টেকেনি ‘বিগ থ্রি’ তত্ত্ব। তবে নতুন করে সাজানো এফটিপিতে কৌশলে এই তিন দেশের স্বার্থ দেখা হয়েছে, অন্যদেরও লাভবান করে।

বড় দলগুলোকে কিছুটা সুবিধা দিতে হয়, এটাই বাস্তবতা। আইসিসির নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান গ্রেগ বার্কলে সেটা মানছেন। তবে ‘বিগ থ্রি’ বলে আলাদা কাউকে গোনায় আনতে নারাজ তিনি। বার্কলের কথা, ‘অনেক মিডিয়াই হয়তো বিগ থ্রি তত্ত্ব নিয়ে শোরগোল করেছে। কিন্তু আমি এটা মানি না।’

আইসিসির নতুন চেয়ারম্যান যোগ করেন, ‘আমার কাছে কোনো বিগ থ্রি নেই। তারা নিছকই আইসিসির সদস্য। অবশ্যই তারা গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। তারা ক্রিকেটের অনেক ক্ষেত্রেই প্রভাবক শক্তি। এই দলগুলোকে কোনো ইভেন্টের আয়োজক হিসেবে পেলে কিংবা প্রতিপক্ষ দলে থাকলে বিশাল লাভ হয়। কিন্তু তারা এক একজন আইসিসিরই সদস্য। তারা গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু এত বেশি নয় যে অন্যদের বাদ দিয়ে হিসেবে আনতে হবে।’

ভারতের শশাঙ্ক মনোহর আইসিসির দায়িত্ব নেয়ার পরই বিগ থ্রির প্রভাব কমিয়ে এনেছিলেন। তার আমলে এফটিপিসহ নানা পদক্ষেপে বাকি নিউজিল্যান্ড এবং বিগ থ্রির বাইরে থাকা বাকি দলগুলোও আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছে, মনে করেন বার্কলে।

তবে ভারত যেহেতু ক্রিকেটের বড় প্রভাবক শক্তি। তাই তাদের কথা অনেক ক্ষেত্রে আলাদাভাবে ভাবতে হয়, অস্বীকার করছেন না বার্কলে। তিনি বলেন, ‘ভারতের ব্যাপারটা একটু ভিন্ন। তারা ক্রিকেটের অনেক বড় শক্তি। তাদের তো নিজেদের ডেরায় রাখতেই হবে আমাদের। ১৩০ কোটি মানুষ এবং ক্রিকেটে তাদের যে লোকবল আছে, তাদের বিষয়টা আলাদা করে দেখতেই হয়।’

এমএমআর/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]