নেপলসে থাকলে এভাবে মরতে হতো না ম্যারাডোনাকে!

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০২:৩১ পিএম, ২৮ নভেম্বর ২০২০

অ্যানজেলো পিসানি। দিয়েগো আরমান্দো ম্যারাডোনার বন্ধু এবং তার আইনজীবী। তিনিই এক সময় ইতালি আয়কর কর্তৃপক্ষের দায়ের করা মামলা থেকে ম্যারাডোনাকে রক্ষা করেছিলেন এবং এমনভাবে বিষয়টা সামলেছিলেন, যেন পরবর্তীতে যে কোনো সমস্যা ছাড়াই তিনি আবার ইতালিতে ফিরতে পারেন এবং স্থায়ীভাবে বসবাস করতে পারেন।

দিয়েগো ম্যারাডোনার মৃত্যুতে সেই পিসানি খুব ভারাক্রান্ত। দারুণ মর্মাহত হয়েছেন। ম্যারাডোনার মৃত্যুটা যেন কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না। ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম মেইল অনলাইনের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার সেই মর্মবেদনার কথা জানিয়েছেন।

অ্যানজেলো পিসানি জানিয়ে দিয়েছেন, বুয়েন্স আয়ার্সে থেকে যেভাব ম্যারাডোনা মৃত্যুবরণ করেছে, সেটা কোনোভাবেই কাম্য নয়। একেবারে একা একা চলে যেতে হলো তাকে। মৃত্যুর সময় কাউকেই পাশে পাননি তিনি। এমনকি সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসাটা পর্যন্ত পাননি।

অথচ, ম্যারাডোনা যদি ইতালিয়ান শহর নেপলসে থাকতেন, তাহলে এতটা নিঃসঙ্গভাবে বিদায় নিতেন না। মৃত্যুর সময় অন্তত চিকিৎসা পেতেন এবং আশ-পাশে মানুষজন হলেও দেখে যেতে পারতেন।

পিসানি বলেন, ‘আর্জেন্টিনা মিডিয়ার কল্যাণে আমরা জানতে পারলাম যে, ম্যারাডোনা যখন মৃত্যুবরণ করেছিলেন, তখন তার পাশে কেউ ছিল না। একজন প্রতিবেশির সঙ্গে সকালে একটু কথা হয়েছে। বলেছেন, তিনি অসুস্থবোধ করছেন। এরপর তিনি যে বিছানায় শুয়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ছটপট করেছিলেন, সেটা কেউ খেয়াল করেনি। কেউ দেখেনি। এক সময় তাকে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়তে হলো। এটা সত্যিই অবিশ্বাস্য।’

একই সঙ্গে পিসানি জানিয়ে দিয়েছেন, নেপলসে ন্যাপোলির স্টেডিয়ামের সামনে ম্যারাডোনার একটি ভাস্কর্য তৈরি করা হবে।

আইএইচএস/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]