তামিমের কথায় হতাশা কেটেছে ‘৪ ছক্কা হজম করা’ মিরাজের

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৬:৫৮ পিএম, ২৯ নভেম্বর ২০২০

বরিশালের হয়ে ব্যাট হাতে সুবিধা করতে পারেননি। দুই ম্যাচে রান মোটে ১ (০ ও ১)। তবে বল হাতে মেহেদি হাসান মিরাজ খুব খারাপ করেনি। জেমকন খুলনার সঙ্গে ৩৬ রানে ১ উইকেট আর শনিবার (২৮ নভেম্বর) শেষ ম্যাচে মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহীর সঙ্গে ১৮ রানে ২ উইকেট শিকারি মেহেদি মিরাজ।

রাজশাহীর বিপক্ষে অধিনায়ক তামিম ইকবালের ম্যাচ জেতানো ৭৭ রানের ইনিংসটি শেষপর্যন্ত বরিশালকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দিলেও মিরাজের ঐ বোলিং স্পেলটির ভূমিকাও কম ছিল না। রাজশাহীর দুই নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যান পারভেজ ইমন আর রনি তালুকদারকে ফিরিয়ে রাজশাহীকে ১৩২ রানে বেঁধে ফেলতে মূখ্য ভূমিকা রাখেন মিরাজ।

প্রথম খেলায় জেমকন খুলনার কাছে একদম শেষদিকে গিয়ে হারের পর রাজশাহীর বিপক্ষে প্রথম জয়। খুব স্বাভাবিকভাবেই প্রথম জয়ের পর বেশ উৎফুল্ল বরিশাল শিবির। মিরাজেরও খুব ভাল লাগছে।

তাই তো মুখে এমন কথা, ‘এখন খুব ভালো লাগছে এবং সবাই খুব আত্মবিশ্বাসী ছিল। আমাদের জেতাটা খুব দরকার ছিল কারণ প্রথম ম্যাচটা আমরা যেভাবে হেরেছি, তারপরে আমরা যেভাবে কামব্যাক করেছি খুব ভালো লেগেছে আমার কাছে।’

প্রথম খেলায় তার বোলিংয়ের শেষটা ভাল হয়নি। প্রথম তিন ওভারে মাত্র ১২ রান দিলেও শেষ ওভারে পাঁচ বলে ৪ ছক্কা হজম করে ২৪ রান খরচ করে ফেলেছেন মিরাজ, সবমিলিয়ে দিয়েছেন ৩৬ রান। তবে ম্যাচের ৪ ওভার খুবই মিতব্যয়ী বোলিং (১৮ রান) করা মিরাজের অনুভব বোলিংয়ে উন্নতির পেছনে অধিনায়ক তামিম ইকবালের পরামর্শ খুব কাজে দিয়েছে।

তার ভাষায়, ‘আমি সবসময়ই বলি, তামিম ভাই আমাকে সবসময় সাপোর্ট করেন, জাতীয় দলেও অনেক সাপোর্ট করেন সবসময়। এই টুর্নামেন্ট শুরুর আগে আমাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। যেমন প্রথম ম্যাচ যখন আমরা হেরে গেলাম, ব্যক্তিগতভাবে আমি খুব বাজে অবস্থায় ছিলাম। আমার বোলিংটার জন্যই হয়তো সব এলোমেলো হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু তামিম ভাই আমাকে সাহস যুগিয়েছেন এবং ভালো কয়েকটা কথা বলেছেন।’

মিরাজ মানছেন প্রথম খেলার পর মনোবল কমে গিয়েছিল। খানিক হতাশাও এসে ভর করেছিল। সে হতাশা কাটাতে অধিনায়ক তামিম ও কোচ সোহেল ইসলাম তাকে সাহস জুগিয়েছেন, অনুপ্রাণিত করেছেন। সে কথা স্বীকার করেছেন অকপটে, ‘প্রথম ম্যাচের পর নিজের ভেতর একটু খারাপ লাগা ছিল, হতাশা ছিল। কিন্তু তামিম ভাই আমাকে যেভাবে সাপোর্ট করেছেন এবং কোচও আমাকে যেভাবে সাপোর্ট করেছেম... আমার আসলে মনে হয়নি আমি ব্যাকফুটে ছিলাম। আমার কাছে ভালোই লেগেছে তাদের কন্ট্রিবিউশনটা আমার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমার ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের জন্য।’

বোলিংয়ে ঘুরে দাঁড়ালেও ব্যাটিং ভাল হচ্ছে না। পরপর দুই ম্যাচে ফিরে গেছেন অল্পেই। তা নিয়ে মিরাজের অনুভব, ‘আসলে ভালো করতে পারছি না কিন্তু সবসময় কথা বলছি। কোচের সঙ্গেও কথা বলছি, তামিম ভাইয়ের সঙ্গেও কথা বলছি। আমার জন্য বড় একটা সুযোগ যে তামিম ভাইয়ের সঙ্গে ওপেনিং করছি। আর দুইটা ম্যাচে হয়তো ক্লিক করতে পারিনি কিন্তু আমি চেষ্টা করছি যে নিজেকে আর একটু পরিপূর্ণভাবে খেলার জন্য।’

এআরবি/এসএএস/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]