নিজেরাই সব কৃতিত্ব নিতে রাজি নন তাইজুল

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৭:৪৩ পিএম, ২৯ নভেম্বর ২০২০

সেই ২০১৪ সালে জাতীয় দলে অভিষেক। জাতীয় দলে ৬ বছর টেস্ট (২৯ ম্যাচে ১১৪ উইকেট), ওয়ানডে (৯ ম্যাচে ১২ উইকেট) আর টি-টোয়েন্টি (২ খেলায় ১ উইকেট) খেলার পর হঠাৎ বোলিং অ্যাকশন পাল্টেছেন তাইজুল ইসলাম। এতদিন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলার পর বোলিং অ্যাকশন পাল্টে নিজেকে ফিরে পাওয়া সহজ কর্ম নয়। অনেক বড় বড় স্পিনার আর নিজেকে ফিরে পাননি।

কিন্তু বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম এখানে ব্যতিক্রম। ধীরে ধীরে পরিবর্তিত বোলিং অ্যাকশনের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিয়েছেন এ বাঁহাতি স্পিনার। তাইজুলের তেমন সমস্যা হচ্ছে না। তবে নতুন বোলিং অ্যাকশনটা এখনও পুরোপুুরি আত্মস্থ হয়নি- এমন কথা স্বীকারেও দ্বিধা নেই তাইজুলের।

তার ভাষ্য, ‘আসলে নতুন একটা কিছু করতে গেলে সবসময় একটু সময় লাগে। আমি শুরু করেছি, এখন আমার কাছে মনে হচ্ছে না খুব একটা প্রবলেম হচ্ছে। তবে আমি পুরোপুরি সেটেল হতে পারিনি। তারপরেও নতুন বোলিং অ্যাকশনে খারাপ হচ্ছে না আর কি। কন্ট্রোল মানে পেস ভ্যারিয়েশন বা অন্য যে ভ্যারিয়েশন- এগুলা করাটা একটু সহজ হচ্ছে আমার কাছে মনে হয়।’

পরপর দুই ম্যাচে ৯ উইকেটে জয় আর ঢাকা ও খুলনাকে ৮০’র ঘরে আটকে রাখা। পরিসংখ্যানই বলে দিচ্ছে বোলাররাই গড়ে দিয়েছেন গাজী গ্রুপ চটগ্রামের সাফল্যের ভিত। তারপরও ব্যাটসম্যানদের কৃতিত্ব দিতে চান তাইজুল।

তিনি বলেন, ‘শুধু যে বোলারদের কৃতিত্ব দেবো, এমন কিছু না। কারণ ব্যাটসম্যানরাও ভালো করছে। ৯ উইকেটে জয় মানে আমার কাছে মনে হয় অনেক ভালো একটা শুরু। আর রান যে খুব কম ছিল তাদের তা না। একশর কাছাকাছি তারা দুইটা ম্যাচেই রান করেছিল। কিন্তু আমাদের ব্যাটসম্যানরা উইকেট হিসেবে অনেক ভালো ব্যাট করেছে বিশেষ করে শনিবারের উইকেটে। উইকেটটা যে খুব ভালো উইকেট ছিল তা না। তারপরেও সৌম্য-লিটন শুরুটা ভালো করার কারণে আসলে আমাদের কাজটা সহজ হয়ে গেছে।’

তাইজুল আরও যোগ করেন, ‘বোলাররা অবশ্যই ভালো বল করতেছে এতে কোন সন্দেহ নাই কারণ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে আট-দশ রান দিয়ে ২-৩ উইকেট নেয়া অনেক বড় ব্যাপার। মোস্তাফিজ ৫ রান দিয়ে ৪ উইকেট পাইছে। তো আমার কাছে মনে হয় টিমকে জেতানোর ক্ষেত্রে এগুলা আমাদের ভালো একটা দিক। সবকিছু হিসেব করলে দেখা যায় যে বোলাররা একটা ভালো ভূমিকা রাখছে।’

আগামীকাল (সোমবার) ফরচুন বরিশালের বিপক্ষে জয়ের আশায় উন্মুখ তাইজুল, ‘আশা তো করব বড় একটা জয়ের। কিন্তু আসলে এটা হবে কি হবে না তা বলা খুব কঠিন। আমাদের দলের এখন যে কনফিডেন্স লেভেলটা আছে, আমাদের প্লেয়ারা যেভাবে খেলতেছে, চেষ্টা থাকবে এভাবেই শেষ করার। আমরা যে চাইলেই হবে তা না। সবকয়টা দলই ভালো, এরাও তো খেলবে। তো আমরা চেস্টা করব ওরকম কিছু করার।’

দলের সাফল্যে কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দীনের ভূমিকার কথা স্বীকার করে তাইজুল বলেন, ‘সালাউদ্দিন স্যার অভিজ্ঞ কোচ। বড়বড় জায়গায় কাজ করেছেন উনি। অবশ্যই তার একটা পরামর্শ আমাদের জন্য বিরাট কিছু। তার ব্যক্তিগত কিছু প্ল্যান থাকে। ক্রিকেটাররা তার প্লান মত কাজ করতেছে। আল্লাহর রহমতে সফল হচ্ছে।’

এআরবি/এসএএস/পিআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]