জয়তো জয়ই, আমরা খুশি : মুশফিক

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৯:৩১ পিএম, ০২ ডিসেম্বর ২০২০

টানা তিন ম্যাচে হারের পর অবশেষে বহুল কাঙ্ক্ষিত জয়। খুব স্বাভাবিকভাবেই খানিক প্রশান্তি মুশফিকুর রহীমের চোখে মুখে। জয়ের পর কথা বলতে গিয়ে বেক্সিমকো ঢাকা অধিনায়ক স্বীকার করেন, শেরেবাংলায় আজ যে উইকেটে খেলা হয়েছে, তাতে ঠিক কত রানের লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করতে হবে? সে ধারণা ছিল না তার।

তবে মুশফিক জানিয়েছেন, তাদের গেম প্ল্যানই ছিল বরিশালকে কম রানে বেঁধে ফেলা এবং সে কাজে তার বিশ্বাস ছিল বোলাররা যদি জায়গা মতো বল করতে পারে আর ফিল্ডাররা প্রতিপক্ষের ব্যাট থেকে ওঠা ক্যাচগুলো তালুবন্দি করতে পারে, তাহলে হয়তো ফরচুন বরিশালকে কম রানে বেঁধে ফেলা সম্ভব।

শেষ পর্যন্ত সেটাই হয়েছে। মুশফিক বলেন, ‘আমরা দেখেছি, উইকেট কিছুটা কঠিন ছিল। যে কারণে আমি টসের সময় বলেছি কি ধরনের লক্ষ্য তাড়া করতে হতে পারে আমাদের তা অনুমান করা কঠিন; কিন্তু আমি বেশ আত্মবিশ্বাসী ছিলাম, আমাদের বোলাররা যদি তাদের কাজ ঠিকমতো করতে পারে এবং ফিল্ডাররা সুযোগ নিতে পারে তাহলে তাদের অল্পতে আটকে দেওয়া সম্ভব। এটা আমরা ভালোভাবে করতে পেরেছি আলহামদুলিল্লাহ।’

উইকেট সম্পর্কে বলতে গিয়ে মুশফিক বলেন, এটা ব্যবহৃত উইকেট। আশা করা যায় না যে উইকেট শুকনো হবে। ‘আপনি যদি উইকেটের দিকে তাকান, দেখবেন এটা ব্যবহৃত উইকেট। আপনি আশা করতে পারেন না এটা ড্রাই উইকেট হবে। সূর্যের তাপ পড়েনি খুব একটা। একদিনের মধ্যে কিউরেটরের পক্ষে সম্ভব না একটা ফ্রেশ উইকেট তৈরি করা। কারণ ঘাসে তাদের অনেক পানি দিতে হয়। তার ওপর খুব একটা সূর্যের আলো পড়েনি। আমি মনে করি কিউরেটরের জন্য বেশ কঠিন কাজ। দ্রুত পরিস্থিতি বুঝে যা করার আমাদেরই করতে হতো। যেটা আমরা করেছি আজকে।’

লক্ষ্য ছিল মোটে ১০৮। তারপরও জিততে খেলতে হয়েছে ১৯ ওভার। সেটা কেন? তার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে বেক্সিমকো ঢাকার অধিনায়ক বোঝানোর চেষ্টা করেন, ‘টার্গেট ছোট হলে কৌশলী ব্যাটিং করতে হয়। কারণ তখন প্রতিপক্ষের আর হারানোর কিছু থাকে না। তারা অলআউটে খেলতে যায়।’

মুশফিক আরো বলেন, ‘আপনি যখন ছোট লক্ষ্য তাড়া করবেন, তখন কিছুটা কৌশলী হতে হবে। কারণ প্রতিপক্ষের কিন্তু হারানোর কিছুই থাকে না। তারা ২০ ওভারে আক্রমণাত্মক ভূমিকাই পালন করবে। আপনাকে ক্যালকুলেটিভ রিস্ক নিতে হবে। তারা সেটা করেছে এবং আমরাও শুরুতে দ্রুত উইকেট হারিয়ে ফেলি। ফলে আমাকে একটু সাবধানী হতে হয়েছে। আমার বিশ্বাস ছিল, আমি যদি একপাশ আগলে রাখি পুরো ইনিংসে, তবে অন্য প্রান্তে দুজন ব্যাটসম্যান যদি দাঁড়াতে পারে এবং ৩০-৪০ রানের একটা ইনিংস খেলে তাহলে জয় পাবো। আরো আগেই ম্যাচটা শেষ করতে পারলে আমাদের জন্য ভালো হতো। কারণ, নেট রান রেটে আমরা পিছিয়ে আছি। কিন্তু জয় তো জয়ই, আমরা খুশি।’

এআরবি/আইএইচএস/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]