মোস্তাফিজ ভাইয়ের সাথে বোলিং করতে খুব মজা লাগে : শরিফুল

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৮:৪৯ পিএম, ০৫ ডিসেম্বর ২০২০

প্রেসিডেন্টস কাপ ওয়ানডে টুর্নামেন্টের মত বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি আসরেও পেস বোলারদের কর্তৃত্ব। উইকেট শিকারে স্পিনারদের চেয়ে ঢের এগিয়ে সব দলের পেস বোলাররা। শীর্ষ ১০ উইকেট শিকারীর তালিকায় নেই একজন স্পিনারও।

৪ ম্যাচে ১২ উইকেট (সেরা বোলিং ৫ রানে ৪ উইকেট) দখল করে সবার ওপরে বাঁ-হাতি পেসার মোস্তাফিজুর রহমান। কাটার মাস্টারের পরেই আছেন জেমকন খুলনার তরুণ উদীয়মান পেসার শহিদুল ইসলাম। তার ঝুলিতে জমা পড়েছে ৫ ম্যাচে ১০ উইকেট।

তিন নম্বরে আছেন কামরুল ইসলাম রাব্বি। সম্ভাবনা নিয়ে এসে মাঝে খানিক ঢাকা পড়ে যাওয়া এ মিডিয়াম পেসারের উইকেট সংখ্যা ৯টি (৫ ম্যাচে)। ফরচুন বরিশালের কামরুল ইসলাম রাব্বির পর চার নম্বরে আছেন মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহীর মুকিদুল ইসলাম। তারও উইকেট ৯টি।
বেক্সিমকো ঢাকার দুই পেসার মুকতার আলি আর শফিকুল ইসলামের সাথে ৭ উইকেট নিয়ে যৌথভাবে পঞ্চম স্থানে জায়গা করে নিয়েছেন তরুণ দ্রুত গতির বোলার শরিফুল ইসলাম।

যুব বিশ্বকাপ বিজয়ী যুব দলের প্রধান স্ট্রাইকবোলার শরিফুলের দল গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম। যে দলে তার সঙ্গী মোস্তাফিজুর রহমান। কাটার মাস্টার ও স্লোয়ার স্পেশালিস্ট মোস্তাফিজের সাথে বোলিংটা যথেষ্ঠ উপভোগ করছেন পঞ্চগড়ের ১৯ বছরের যুবা শরিফুল।

আজ শনিবার এই মিডিয়ায় পেসার সেটা প্রকাশও করেছেন। মোস্তাফিজকে বোলিং পার্টনার হিসেবে পেয়ে সবদিক থেকেই ভাল লাগছে তার। অনেক কথাবার্তা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় বুদ্ধি পরামর্শ পাচ্ছেন। কখন কি করতে হবে, এমন কার্যকর টিপসও মিলছে।

jagonews24

তাইতো শরিফুলের মুখে এমন কথা, ‘মোস্তাফিজ ভাইয়ের সঙ্গে বল করে খুবই ইনজয় করছি। সবসময়ই প্রতি ওভারে যাওয়ার কিংবা বল করার আগে ভালো পরামর্শ দিয়ে থাকেন বা ম্যাচের পরে ম্যাচ সিচুয়েশন অনুযায়ী কিভাবে বল করতে পারি, সে পরামর্শ দেন।’

সিনিয়র পার্টনারের কাছ থেকে পেস বোলিংয়ের অনেক কলা-কৌশল শেখা ও বুদ্ধি পরামর্শ নেয়ার পাশাপাশি একটা মধুর প্রতিদ্বন্দ্বীতাও নাকি চলছে। সে কথা জানিয়ে শরিফুল বলেন, ‘দুজনের মধ্যেই ভালো একটা কম্পিটিশন চলছে। ওনার সাথে সব কিছু শেয়ার করা যায়। উনি সবকিছু বলেন, সিচুয়েশন অনুযায়ী কিভাবে বল করতে হবে, সে পরামর্শ দেন। খুব ভালো লাগে, খুব মজা লাগে ওনার সাথে বল করতে।’

বোলিং উদ্বোধন করাটা অন্যরকম আনন্দের। নতুন বলেই বল করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। সে কথা বলেও ফেলেছেন। ‘নতুন বলে বল করা খুবই ইনজয় করতেছি। কারণ সব পেস বোলাররাই চায় নতুন বলে বল করতে আর পেস বোলাররা অ্যাটাকিং বোলিং করতে পছন্দ করে। আমি নতুন বলে বোলিং করাটা ইনজয় করছি।’

বোলিংয়ের সময় তার চোখে মুখে একটা আগ্রাসী ভাব থাকে। ডেলিভারির পর ফলো থ্রু’তে ব্যাটসম্যানের অনেক কাছে চলে যান। সেটা কি ইচ্ছে করে? ব্যাটসম্যানকে উত্তপ্ত করতে?

শরিফুলের জবাব, ‘না না। অ্যাগ্রেসিভ ভাবটা পজিটিভ ইমপ্যাক্ট ফেলে আর এটা অভ্যাস ছোট বেলায় বোলিং করে অটোমেটিক চলে যাই ব্যাটসম্যানের কাছে। এটার আগে থেকে কোন প্ল্যানিং থাকে না।’

উইকেট নেয়ার চেয়ে বঙ্গবন্ধু টি টোয়েন্টি আসরে তার প্রথম লক্ষ্য রান কম দেয়া মানে ডট বল করা। ‘মাইন্ড সেটআপ থাকে ডট বল করা, রান চেক দেয়া। টি-টোয়েন্টি খেলায় যত ডট বল করব ইনশাআল্লাহ তত টিমের জন্য ভালো হবে।’

যুব দলের এ দ্রুত গতির বোলারের ধারণা, শেরে বাংলার পিচ পেসারদের সাহায্য করছে। তিনি বলেন, ‘উইকেটটা পেস বোলারদের হেল্প করে দেখেন সব টিমের পেস বোলাররা খুব ভালো বল করছে। ’

এআরবি/আইএইচএস/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]