মুরালিধরনের ৮০০ উইকেটের রেকর্ড ভেঙে দেবেন অশ্বিন!

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৭:৩৫ পিএম, ১৪ জানুয়ারি ২০২১

সংখ্যাটা ৮০০। এভারেস্টের চূড়া। সেই চূড়ায় এককভাবে বসে আছেন শ্রীলঙ্কান স্পিনার মুত্তিয়া মুরালিধরন। আর অন্য যার কথা বলা হচ্ছে, তিনি হলেন ভারতের অফ স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন। তার ঝুলিতে উইকেট কেবল ৩৭৭টি। মুরালির অর্ধেক রেকর্ডও এখন পর্যন্ত ছুঁতে পারেননি তিনি।

আবার অশ্বিনের বয়স ৩৪ পার হয়ে গেছে। আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার লম্বা হলে সর্বোচ্চ আর ৫ বছর! তাও ফর্ম এবং ফিটনেসের ওপর অনেকখানি নির্ভর করছে। এমন পরিস্থিতিতে খোদ মুত্তিয়া মুরালিধরনই কি না মনে করছেন, তার রেকর্ড ভাঙলে ভাঙতে পারেন কেবল একজনই, তিনি হলেন মুত্তিয়া মুরালিধরন।

বর্তমান সময়ে যে সব স্পিনার খেলছেন, তাদের মধ্যে অশ্বিন এবং অস্ট্রেলিয়ার নাথান লায়নই এগিয়ে রয়েছেন। তবে মুরালির মতে লায়ন নন, অশ্বিনই টেস্ট ক্রিকেটে ৭০০ কিংবা ৮০০ উইকেট নিতে পারেন।

১৩৩ টেস্ট খেলে ৮০০ উইকেট নিয়েছেন লঙ্কান গ্রেট স্পিনার মুরালিধরন। তারপরই ৭০৮ উইকেট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন অসি কিংবদন্তি শেন ওয়ার্ন। ৬১৯ উইকেট নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছেন অনিল কুম্বলে।

লন্ডন টেলিগ্রাফে মাইকেল ভনকে লেখা এক কলামে শ্রীলঙ্কার সাবেক অফস্পিনার মুরালিধরন বলেন, ‘অশ্বিনের সামনে সুযোগ রয়েছে। কারণ ও খুব ভাল বোলার। এছাড়া এখন যারা খেলছে, তাদের মধ্যে আর কেউ ৮০০ উইকেট পেতে পারে বলে আমার মনে হয় না।’

এরপর নাথান লায়নের প্রসঙ্গ টেনে মুরালি বলেন, ‘তাকে দেখে মনে হচ্ছে না, সে ৮০০ উইকেটের ধারেকাছে যেতে পারে। সে ততটা ভাল বোলার নয়। ৮০০’র মাইলস্টোনে পৌঁছাতে গেলে তার অনেক ম্যাচ লাগবে। এতগুলো ম্যাচ সে খেলতে পারবে বলে মনে হয় না।’

অশ্বিনের চেয়ে নাথান লায়নের উইকেট সংখ্যা বেশি, ৩৯৬টি। একই বছর দু’জনের টেস্ট অভিষেক হয়। ২০১১ সাল থেকে এখনও পর্যন্ত ৩৩ বছর বয়সী লায়ন ৯৯টি টেস্ট খেলেছেন। অন্যদিকে ৩৪ বছর বয়সী অশ্বিন খেলেছেন ৭৪টি টেস্ট।

আধুনিক ক্রিকেটে বোলারদের কাজটা কঠিন হয়ে গেছে বলে মনে করা হলেও মুরালিধরন তা মনে করছেন না। বরং তার বক্তব্য, টি-টোয়েন্টি আসার পর থেকে এখন উইকেট পাওয়া অনেক সহজ হয়ে গেছে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের সময়ে বোলারদের বাড়তি পরিশ্রম করতে হতো; কিন্তু এখন মোটামুটি একটা লাইন লেংথে বল করলেই পাঁচ উইকেট পাওয়া সহজ। কারণ ব্যাটসম্যানরা শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলতে গিয়ে বেশিক্ষণ উইকেটে টিকে থাকছে না। ফিল্ডারদের ঠিকঠাক জায়গায় দাঁড় করালে উইকেট পাওয়া যাবেই। ব্যাটসম্যানরাই বাকি কাজটা করে দেবে।’

আইএইচএস/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]