‘ভারতকে হারানো অ্যাশেজ জেতার চেয়েও বড়’

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০১:২২ পিএম, ২৩ জানুয়ারি ২০২১

ইংল্যান্ডের সাবেক স্পিনার গ্রায়েম সোয়ানের মনে করেন, এখন আর অস্ট্রেলিয়া বিশ্বের সেরা দল নয়। তারা হয়তো আগে বিশ্বের সেরা দল ছিল, তবে এখন আর তা নেই। যে কারণে অ্যাশেজ জেতার চেয়ে ভারতকে তাদের মাটিতে হারানোটাই এখন বড় অর্জন বলে মনে করেন সোয়ান।

আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে ভারত ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার চার ম্যাচের টেস্ট সিরিজ। এরপর দুই দল পাঁচ টি-টোয়েন্টি ও তিন ওয়ানডে খেলবে। ভারতের মাটিতে এ সিরিজটিকে ইংল্যান্ডের জন্য অত্যধিক গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন ৪১ বছর বয়সী সোয়ান।

দ্য সানকে দেয়া সাক্ষাৎকারে সোয়ান বলেছেন, ‘ইংল্যান্ড সবসময় বলে যে, অ্যাশেজ আসছে। অথচ অস্ট্রেলিয়া এখন আর বিশ্বের সেরা দল নয়। একসময় তারা (বিশ্বের সেরা) ছিল, তারা অন্য দলের চেয়ে অনেক এগিয়ে ছিল। কিন্তু এখন আর তা নয়। তবু আমরা সেই একই বিষয় নিয়ে পড়ে আছি।’

তাই সোয়ান মনে করে, ইংল্যান্ডের এখন উচিত শুধু অস্ট্রেলিয়াকে তাদের মাটিতে হারানোর পরিকল্পনায় আটকে না থাকে, ভারতকেও তাদের মাটিতে হারানোর দিকে মনোযোগ দেয়া। কেননা ২০১২ সালে ইংলিশরা ভারতকে তাদের মাটিতে হারানোর পর, ঘরের মাঠে একপ্রকার অপ্রতিরোধ্যই হয়ে গেছে ভারত।

সোয়ানের ভাষ্য, ‘আমাদের শুধুমাত্র অ্যাশেজের কথা চিন্তা করা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। আমার মতে এখন ভারতকে ভারতের মাটিতে হারানো আরও বড় সাফল্য হবে। তারা (ভারত) ভারতের মাঠে ২০১২ সালের পর থেকে রীতিমতো অপ্রতিরোধ্য হয়ে গেছে। তাহলে এটাকেই চ্যালেঞ্জ জানানো হচ্ছে না কেন?’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘মানুষ কেন বলছে না, এখনই সঠিক সুযোগ ভালো স্পিন খেলা ব্যাটসম্যান নিয়ে নিজেদের পুরোপুরি বদলে ফেলার? এরপরই তো আমরা ভারতকে হারাতে পার। স্পিনাররা উইকেট নিতে না পারলে আমরা ভারতকে হারাতে পারব না। এরপর আমাদের কেভিন পিটারসেনের মতো ব্যাটিংও লাগবে।’

উল্লেখ্য, ঘরের মাঠে ২০০৪ সালের পর থেকে খেলা ২৭টি টেস্ট সিরিজের মধ্যে মাত্র একটিতে হেরেছে ভারত। ২০১২ সালে ভারত সফরে গিয়ে চার ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ২-১ ব্যবধানে জিতেছিল ইংল্যান্ড। পরে ২০১৬ সালে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ৪-০তে হারে ইংলিশরা। এবার তারা খেলবে চারটি টেস্ট ম্যাচ।

এসএএস/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]