মন চায় প্রতিদিন ১০০ করি, ১০ উইকেট নেই : তাইজুল

ক্রীড়া প্রতিবেদক ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯:৪৯ পিএম, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১

বাংলাদেশ দলে যে গুটিকয়েক টেস্ট বিশেষজ্ঞ ক্রিকেটার রয়েছেন, তাদের মধ্যে অন্যতম বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম। ২০১৪ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের বছরেই টেস্ট ও ওয়ানডে ক্রিকেটের স্বাদ পেয়ে যান তিনি। অভিষেক ওয়ানডেতে হ্যাটট্রিক করে গড়েন বিশ্বরেকর্ড। কিন্তু সেখান থেকে আর এগোয়নি তাইজুলের সাদা বলের ক্যারিয়ার। সাত বছরে তিনি খেলেছেন ৯ ওয়ানডে ও ২ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ।

রঙিন পোশাকের ক্রিকেটের জন্য তেমন বিবেচিত না হলেও টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত মুখ তাইজুল। চলতি টেস্টের প্রথম ইনিংসের দুই উইকেটসহ তার ঝুলিতে রয়েছে মোট ১১৬টি উইকেট। বাংলাদেশের পক্ষে দ্রুততম বোলার হিসেবে ১০০ টেস্ট উইকেট নেয়ার রেকর্ডটাও তার দখলে। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে নিজের ২৫তম ম্যাচে উইকেটের সেঞ্চুরি পূরণ করেন তাইজুল। তবে তার ক্যারিয়ারের লক্ষ্য সাদা পোশাকের ক্রিকেটে অন্তত ৩০০ উইকেট নেয়া।

যদিও তাইজুলের মনের ভেতরে এমন এক স্বপ্ন, যেটা কিনা বাস্তব হওয়া সম্ভব নয়। প্রতিদিন ১০ উইকেট নিতে ও ১০০ রান করতে চান তাইজুল। এটা আসলে ‘কথার কথা’। তবে এমন কথা বলে তাইজুল বুঝিয়ে দিয়েছেন, দেশের হয়ে পারফর্ম করতে কতটা উদগ্রীব তিনি।

আজ (শুক্রবার) চট্টগ্রাম টেস্টের তৃতীয় দিনের খেলা শেষে ক্যারিয়ারে নিজের লক্ষ্যের কথা জানাতে গিয়ে তাইজুল বলেছেন, ‘একজন খেলোয়াড়ের ভালো করার কোনো শেষ নেই। প্রতিদিনই মন চায় দশটা করে উইকেট নেই, একশ রান করি। সবকিছু তো কপালে থাকে না। টেস্ট ক্রিকেটে যেন ৩০০ উইকেট পেতে পারি, এই লক্ষ্য।’

আপাতত ৩০০ উইকেট দূরের বাতিঘর। তাই মনোযোগ রাখতে হচ্ছে চলতি চট্টগ্রাম টেস্টেই। যেখানে ম্যাচের ফলাফল নির্ধারণের দায়িত্বটা পড়বে বাংলাদেশ দলের স্পিনারদের ওপরেই। অভিজ্ঞ স্পিনার সাকিব আল হাসান ইনজুরিতে পড়ায় তাইজুলের ওপর দায়িত্বটা বেড়ে যায় কয়েকগুণ।

প্রথম ইনিংসে সেই দায়িত্ব পালনে সন্তুষ্ট নন তাইজুল। তবে পরে ঘুরে দাঁড়ানোয় খুশি ২৮ বছর বয়সী এ বাঁহাতি স্পিনার, ‘(সাকিব না থাকায়) আমার যতটা দায়িত্ব পালন করা উচিত ছিল, ততটা পারিনি। তবে দ্বিতীয় সেশন আলহামদুলিল্লাহ খুব ভালো গেছে। ঐ সময়টায় কামব্যাক করতে পেরেছি।’

দ্বিতীয় ইনিংসেও সাকিবের থাকার সম্ভাবনা প্রায় শূন্যের কোটায়। তবে সাকিবকে ছাড়াই জিততে আত্মবিশ্বাসী তাইজুল। তার ভাষ্য, ‘(সাকিবকে ছাড়া জিততে) আত্মবিশ্বাসী অবশ্যই। আল্লাহর রহমতে আত্মবিশ্বাস আছে জিতব। তারপরও ক্রিকেটে কিছু বলা যায় না। আমার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল কামব্যাক করা, করেছি। আশা করি কাল বা পরশু ভালো কিছু হবে।’

এসএএস/এমএমআর/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]