শেষদিনেও উইকেট এমন আচরণ করল, মানতে পারছেন না মিরাজরা

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৭:২১ পিএম, ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২১

ধারণা ছিল, জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের উইকেট পঞ্চম ও শেষ দিনে গিয়ে ভাঙবে। কিন্তু তা হয়নি। বোলারদের বুটের আঘাতে পপিং ক্রিজের দুদিকে খানিক ক্ষত সৃষ্টি হলেও পিচের মাঝখানে গুডলেন্থ স্পটটা ভালোই ছিল। ভাঙেনি, বল পড়ে বিপজ্জনকভাবে লাফিয়েও ওঠেনি। তেমন নিচুও হয়নি। আবার বাড়তি টার্নও করেনি।

জাগো নিউজের কাছে টাইগারদের হারা টেস্টের পোস্টমর্টেম করতে গিয়ে ওপরের কথাগুলোই বলেছিলেন সারোয়ার ইমরান। চট্টগ্রাম টেস্ট শেষ হওয়ার ৪৮ ঘন্টা পরে দেশের অন্যতম সিনিয়র ক্রিকেট কোচের কথাই যেন প্রতিধ্বনিত হলো মেহেদি হাসান মিরাজের কণ্ঠে।

আজ (মঙ্গলবার) অনুশীলনের পর ভিডিওবার্তায় মিরাজ স্বীকার করলেন, তারা যেমন ভেবেছিলেন উইকেটের আচরণ আসলে তেমন ছিল না। মিরাজের কথা, ‘আমরা আসলে যেরকম আশা করছিলাম সেরকম হয়নি। আপনারা দেখেন, ম্যাচের শেষ দিনও কিন্তু আনইভেন ওইরকম কিছুই হয়নি উইকেট থেকে। উইকেটের বাইরে যা রাফ ছিল, ওখান থেকে হয়তো কিছু হচ্ছিল। কিন্তু যেখানে গুড লেন্থ এরিয়া ছিল, ওখানে ওত বেশি হয়নি।’

ওপরের এ মন্তব্যই বলে দেয় মিরাজরা তাকিয়ে ছিলেন উইকেটের দিকে। তার মানে উইকেটের সহায়তাই ছিল তাদের বড় নির্ভরতা। সরাসরি মুখ ফুটে কিছু না বললেও মিরাজ বোঝাতে চাইলেন, উইকেটের সাহায্য না পাওয়াটাও টিম বাংলাদেশের স্পিনারদের অকার্যকারিতার বড় কারণ।

তারপরও মিরাজের দাবি, উইকেটের সাহায্য না পেলেও বাংলাদেশের স্পিনাররা চেষ্টা করেছে ভালো বল করার জন্য। তার ভাষায়, ‘আমি বলবো আমাদের স্পিনাররা চেষ্টা করেছে। কিন্তু দেখেন, দুই একটা বল খারাপ হয়েছে সেখান থেকে বাউন্ডারি অপশন হয়ে গিয়েছে।’

স্পিনসঙ্গী তাইজুলের প্রশংসা করে মিরাজ বলেন, ‘আমি বলতে চাই তাইজুল ভাই খুব ভালো বোলিং করেছে।’ কিন্তু বাঁহাতি স্পিনার তাইজুলকে তিনি আর নাঈম হাসান অফস্পিন দিয়ে ব্যাকআপ দিতে পারেননি, স্বীকার করে নিলেন মিরাজ। তার কথা, ‘আমরা আরেকটু ভালো বোলিং করলে হয়তো ওদের আরও একটা উইকেট চান্স হয়ে যেত।’

পাশাপাশি ক্যারিবীয়দের কৃতিত্ব দিতেও কুণ্ঠাবোধ করেননি মিরাজ। টাইগার দলের এই অফস্পিনার বলেন, ‘ওরা হয়তো খুব ভালো, এক্সট্রা-অর্ডিনারি ব্যাটিং করেছে। দুইজনই দুই সেশনে খেলেছে।’

তারপরও নিজেদের ভুল তো ছিলই। সেটা স্বীকার করে মিরাজ বলেন, ‘আমরা যদি চান্সগুলো নিতে পারতাম, তাহলে হয়তো আমাদের পক্ষে হতো। ওখানে একটা-দুইটা উইকেট, একটা উইকেটই অনেক ইম্পর্ট্যান্ট ছিল। কারণ পরের ব্যাটসম্যানের জন্য অত সহজ হতো না খেলাটা। আমরা ভুল করে গেছি, তবে চেষ্টা করব যে ভুল করেছি, সেটি যেন আগামী ম্যাচে না করি।’

এআরবি/এমএমআর/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]