অথচ পুরস্কারটি হতে পারতো মিরাজের

ক্রীড়া প্রতিবেদক ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৬:৪১ পিএম, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১ | আপডেট: ০৬:৫০ পিএম, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১

ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে হোয়াইটওয়াশ বাংলাদেশ। দল হারলে খেলোয়াড়দের অর্জন ঢাকা পড়ে যায়। যার মুখে থাকতে পারতো চওড়া হাসি, তার মুখটাই হয়ে পড়ে বিষাদে মলিন।

মেহেদি হাসান মিরাজের যেমন হয়েছে। ব্যাটে-বলে দুর্দান্ত এক সিরিজ উপহার দিয়েছেন এই অলরাউন্ডার। কিন্তু মুখে তার হাসি নেই, হাতে নেই কোনো পুরস্কার। পরাজিত দলে থাকলে যে কোনো অর্জনই ‘বড়’ হয় না!

ভুলে যাওয়ার মতো একটি টেস্ট সিরিজ কাটালো বাংলাদেশ। নিজেদের মাঠেই অপেক্ষাকৃত খর্বশক্তির ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে তারা হারলো ২-০ ব্যবধানে। অথচ এই সিরিজে ফলটা একদম উল্টোও হতে পারতো।

চট্টগ্রাম টেস্টে প্রথম চারদিন দাপট দেখিয়ে পঞ্চম দিনে এসে হেরেছে বাংলাদেশ। ঢাকাতে টেস্টটি পাঁচদিনে না গড়ালেও চতুর্থ দিনেই জয়ের ভালো সম্ভাবনা ছিল টাইগারদের। কিন্তু খুব কাছে এসে তারা হেরে গেছে ১৭ রানে।

দুই ম্যাচের সিরিজের দারুণ ব্যাটিং করে সিরিজসেরার পুরস্কার পকেটে পুড়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের উদীয়মান ব্যাটসম্যান এনক্রুমাহ বোনার। সিরিজে ২৩১ রান করেন তিনি, বল হাতে নেন ১ উইকেট।

অথচ সিরিজের ফল যদি উল্টো হতো, তবে এই পুরস্কারটি পেতে পারতেন বাংলাদেশের মেহেদি হাসান মিরাজ। পারফরম্যান্সের নিরিখে বোনারের থেকে অনেকটাই এগিয়ে ছিলেন বাংলাদেশি অলরাউন্ডার। দুই টেস্টে ব্যাট হাতে ১৯৮ রান, বল হাতে ১০ উইকেট নেন মিরাজ।

চট্টগ্রাম টেস্টে দলের বিপর্যয়ের মুখে আট নম্বরে নেমে তিনি তুলে নিয়েছিলেন দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি (১০৩)। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট হাতে তেমন ভালো না করতে পারলেও (৭) দুই ইনিংসে দুর্দান্ত বোলিংয়ে ৪টি করে ৮টি উইকেট নিয়েছিলেন মিরাজ।

ঢাকাতেও নিয়েছেন ২ উইকেট, দুই ইনিংসে করেছেন ৫৭ এবং ৩১ রান। এই টেস্টে তার ব্যাটে চড়েই কঠিন পরিস্থিতি থেকে জয়ের স্বপ্ন দেখছিল বাংলাদেশ। যদিও শেষ রক্ষা হয়নি।

এমএমআর/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]