ধোনির আকস্মিক অবসরের কারণ ঋদ্ধিমান!

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৬:৪৭ পিএম, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১

আহমেদাবাদের মোতেরায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে গোলাপি বলের দিবারাত্রির টেস্টে নিজের ক্যারিয়ারের শততম টেস্ট খেলতে নেমেছেন ভারতের ডানহাতি পেসার ইশান্ত শর্মা। ভারতের ১১তম ক্রিকেটার ও ২য় পেসার হিসেবে ১০০ টেস্ট খেলার গৌরব অর্জন করলেন ৩২ বছর বয়সী এ পেসার।

এখন ইশান্ত ১০০ টেস্ট খেলা ভারতীয় হলেও, এ সুযোগটি ছিল ভারতের অন্যতম সফল অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনির সামনে। ২০১৪ সালের অস্ট্রেলিয়ার সফরের তৃতীয় ম্যাচের পর হুট করেই সাদা পোশাকের ক্রিকেট ছেড়ে দেয়ার ঘোষণা দেন ধোনি। তখন তিনিই ছিলেন দলের অধিনায়ক। অবসরের সময় তার নামের পাশে ছিল ৯০ টেস্ট ম্যাচ।

কেন এই আকস্মিক অবসর? - এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বিস্তর, জানা গেছে নানান কারণ। তবে এবার শততম টেস্ট খেলতে নামা ইশান্ত জানালেন নতুন এক কারণ। তার মতে, ভারতীয় দলের জন্য নতুন উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান তৈরির সুযোগ দিতেই আকস্মিক অবসরে গিয়েছিলেন ধোনি।

নিজের ১০০তম টেস্ট খেলতে নামার আগে ইশান্ত বলেছেন, ‘যদিও ধোনি ১০০ টেস্টের খুব কাছাকাছি ছিল, তবু তিনি সবসময়ই টিমম্যান ছিলেন। আমার মনে আছে, যখন আমরা ইংল্যান্ডে ছিলাম, তিনি আমাকে বলেছিলেন, একশ টেস্ট খেলতেই হবে- এমনটা জরুরি নয়। তার অনুভব ছিল, এর বদলে আমাদের উচিত ঋদ্ধিমান সাহাকে তৈরি করা। আমার মতে, এ কারণেই তিনি হুট করে টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়ে নেন।’

এসময় ধোনির শেষ ম্যাচের একটি ঘটনার কথা জানান ইশান্ত, ‘ধোনির অবসরের দিন আমার খুব খারাপ লেগেছিল। মেলবোর্নের সেই ম্যাচের জন্য আমি অনেকগুলো ইনজেকশন নেই। কারণে আমার হাঁটুতে অনেক ব্যথা হচ্ছিল। আমি জানতাম না যে মাহি ভাই (মহেন্দ্র সিং ধোনি) অবসর নিয়ে নেবেন। আসলে কেউই জানতাম না তিনি অবসর নেবেন। তাই আমি প্রতি সেশনেই ইনজেকশন নিচ্ছিলাম।’

‘চতুর্থ দিনের চা পানের বিরতির সময় অস্ট্রেলিয়া তাদের ইনিংস ঘোষণার কাছাকাছি চলে গিয়েছিল, তখন মাহি ভাইকে বললাম যে আমি আর ইনজেকশন নিতে পারছি না। তিনি আমাকে বললেন, ঠিক আছে, তোমাকে এখন আর বোলিং করতে হবে না। এরপর কী যেন হলো, তিনি আবার বললেন, তুমি আমাকে টেস্টের মাঝপথে ছেড়ে দিলে।’

‘আমি তার কথাটি বুঝতে পারিনি। পরে তিনিই ব্যাখ্যা করলেন, তুমি আমার শেষ ম্যাচের মাঝপথে ছেড়ে গেলে। এটা শুনে আমি স্তব্ধ হয়ে যাই। আমি তাকে বললাম যে, যদি জানা থাকত তাহলে অবশ্যই (ম্যাচের বাকি সময়) খেলা চালিয়ে নিতাম। এটা সত্যিই খুব স্পর্শকাতর ঘটনা ছিল। আমি একদম শেষদিন পর্যন্তও জানতাম না যে তিনি অবসর নিচ্ছেন।’

এসএএস/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]