উমর আকমলের সাজা কমতে কমতে ‘শেষই হয়ে গেল’

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৩:৪০ পিএম, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১

৩৬ মাসের নিষেধাজ্ঞা কমতে কমতে ১২ মাস অর্থাৎ এক বছরে এসে ঠেকলো। তাতে করে ক্রিকেটে ফিরতে আর বাধা রইল না উমর আকমলের। গত বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে যে কার্যত তার নিষেধাজ্ঞা শুরু হয়ে গিয়েছিল।

দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কারণেই উমর আকমলের ব্যাপারে ভীষণ কঠোর হয়েছিল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। তবে আকমলও নাছোড়বান্দা। শাস্তি কমাতে দৌড়ঝাঁপ করেই গেলেন, ফলও পেলেন।

আইসিসির দুর্নীতি বিরোধী ধারা ভঙ্গের দায়ে গত বছরে এপ্রিলে আকমলকে তিন বছরের জন্য নিষিদ্ধ করেছিল পিসিবি। ম্যাচ পাতানোর প্রস্তাব পেয়েও তা গোপন করেছিলেন পাকিস্তানের উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান। অভিযোগ ছিল, তিনি জুয়ারির সঙ্গে দেখাও করেছেন। যদি এমন অভিযোগের পক্ষে শক্ত প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

তবে পিসিবি একদমই নমনীয়তা দেখায়নি, বড় শাস্তি চাপিয়ে দেয় আকমলের ওপর। পাকিস্তানের সাবেকরাসহ অনেকেই তখন বলছিলেন, লঘু পাপে গুরুদণ্ড দেয়া হয়েছে এই ক্রিকেটারকে। আকমলও ভেবেচিন্তে নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে আপিল করারই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।

তার আপিলের প্রেক্ষিতে গত জুলাই মাসে লাহোরের আদালতে সাজা অর্ধেক অর্থাৎ তিন বছর থেকে কমে ১৮ মাস করার রায় হয়। কিন্তু তাতেও সন্তুষ্ট হতে পারেননি পাকিস্তানি এই ব্যাটসম্যান।

শাস্তি আরও কমাতে দ্বারস্থ হন আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আদালতের। সেই আদালতের রায়েই ১৮ মাসের শাস্তি ছয় মাস কমে এখন হয়েছে ১২ মাস। যেহেতু, গত বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে তার নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শুরু হয়েছিল, সেহেতু আকমলের সাজা শেষ হয়ে গেছে ২০২১ সালের ২০ ফেব্রুয়ারিই। অর্থাৎ ক্রিকেটে ফিরতে আর বাধা নেই তার।

তবে পাকিস্তানের হয়ে ১৬ টেস্ট, ১২১ ওয়ানডে আর ৮৪টি টি-টোয়েন্টি খেলা আকমলকে জাতীয় দলে হয়ে মাঠে নামতে হলে আরও কিছু ধাপ পেরোতে হবে। পিসিবি জানিয়েছে, তাকে জরিমানা দিতে হবে ৪২ লক্ষ ৫০ হাজার পাকিস্তানি রুপি। সেইসঙ্গে বোর্ডের দুর্নীতি বিরোধী ইউনিটের অধীনে পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে হবে। তারপর ফেরার প্রশ্ন।

এমএমআর/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]