মিঠুন মনে করেন, নতুন বলটা সামলে নিতে পারলেই হবে

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৭:২৪ পিএম, ০৩ মার্চ ২০২১

নিউজিল্যান্ডে পৌঁছার তৃতীয় দিন থেকে প্রতিদিন সকাল ও বিকেলে ২০ মিনিট করে খোলা আকাশে হাঁটার সুযোগ মিলছে। গতকাল (মঙ্গলবার) থেকে সেটা দ্বিগুণের বেশি করে দেয়া হয়েছে। ষষ্ঠ দিনের মাথায় সকাল ও বিকেল মিলে দেড় ঘন্টার বেশি (১০০ মিনিট) খোলা আকাশ দেখতে পেরেছেন বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটাররা।

বাকি সময় মানে প্রায় ২২ ঘন্টা যার যার হোটেল রুমে অবরুদ্ধ কাটছে সময়। তবে আজ (বুধবার) সেই ঘরবন্দি ক্রিকেটাররা অন্যরকম এক দিন কাটিয়েছেন। যার যার রুম থেকে বেরিয়ে হোটেল জিমে গিয়ে দল বেঁধে জিমওয়ার্ক করেছে টাইগাররা।

কেমন ছিল সে অনুভূতি? জাতীয় দলের মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ মিঠুন সে অনুভূতির কথা জানাতে গিয়ে বলেছেন, ‘খুব ভালো লাগছে। কারণ এ কদিন চলাফেরাতেই ছিল কড়াকড়ি। ইচ্ছেমত এখানে সেখানে ঘোরাফেরার সুযোগ ছিল না। আজ চার-পাঁচ জনের দলে ভাগ হয়ে জিম করা গেছে। সেটা অনেক আনন্দের, স্বস্তির। সে কারণে সবাই অনেক বেশি রোমাঞ্চিত।’

মিঠুন বলেন, ‘ঘরের মধ্যে থাকা খুব কষ্টকর। এখানে খুব একটা কিছু করার নেই সারাদিন ঘরের মধ্যে থেকে। আমরা তো একটা টুর্নামেন্ট খেলতে এসেছি। তবে কাল থেকে আমরা মাঠে যেতে পারব। এই ব্যাপারটা ভাবতে আলাদা ভালোলাগা কাজ করছে।’

বৃহস্পতিবার থেকে ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে অনুশীলন করা যাবে। মিঠুন মনে করেন, অনুশীলন শুরু হয়ে গেলে সবকিছু মানিয়ে নেয়া যাবে। তার ভাষায়, ‘কাল থেকে যখন ক্রিকেট অনুশীলনে ফিরব, আস্তে আস্তে আমরা সবকিছু এডজাস্ট করে নিতে পারব।’

মিঠুনের ধারণা, আগের মতো এবার নিউজিল্যান্ডে আবহাওয়ায় খাপ খাওয়াতে ততটা সমস্যা হবে না। তিনি বলেন, ‘এখনকার আবহাওয়া খুবই ভাল। এরকম আবহাওয়া থাকলে সমস্যা হবে না। আর ১৪ দিন পর আমাদের যে স্বাভাবিক চলাফেরা শুরু হবে এটা অবশ্যই ইতিবাচক দিক। সবাই এটা উপভোগ করবে। কারণ গত এক বছর ধরে আমরা এই কোভিডের মধ্যে আছি। বাংলাদেশেও যতগুলো টুর্নামেন্ট হয়েছে হোটেল থেকে বের হওয়ার সুযোগ হয়নি। এখানে ভিন্ন, ১৪ দিন পরে আমরা একদম ফ্রি চলাচল করতে পারব। সেটা ভেবে ভাল লাগছে। ১৪ দিন কষ্ট হলেও তারপরে আমরা বেশ মুক্তভাবে স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারব।’

নিউজিল্যান্ডের মাটিতে খেলা উপমহাদেশের যে কোনো দলের জন্যই কঠিন। বাতাস থাকে, বল সুইং করে। মিঠুনও জানেন, চ্যালেঞ্জটা সহজ হবে না। তবে নতুন বলটা সামলে নিতে পারলে ভালো কিছু হবে, আশা তার।

মিঠুনের ভাষায়, ‘এখানে খেলাটা চ্যালেঞ্জিং। কারণ এখানকার কন্ডিশন অনেক ভিন্ন আমাদের থেকে। এই ধরণের কন্ডিশনে সব সময় খেলার সুযোগ হয় না। সবাই জানে নিউজিল্যান্ডে নতুন বলটা খুব বেশি চ্যালেঞ্জিং হয়। নতুন বলটা যদি ভাল করে সামলাতে পারি তাহলে আশা করছি আগের চেয়ে অনেক ইতিবাচক ফল আসবে।’

এবারের সফরে কোনো টেস্ট নেই, তিনটি করে ওয়ানডে আর টি-টোয়েন্টি খেলবে বাংলাদেশ। সিরিজ শুরু হবে ওয়ানডে দিয়ে। ডানেডিনে প্রথম ওয়ানডে ২০ মার্চ।

এআরবি/এমএমআর/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]