অধিনায়কত্বে আকস্মিক পরিবর্তন দক্ষিণ আফ্রিকার

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৮:০৩ পিএম, ০৪ মার্চ ২০২১

দায়িত্ব পাওয়ার পর মাত্র ২৩টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে জাতীয় দলকে নেতৃত্ব দিতে পেরেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান কুইন্টন ডি কক। টেস্টে ৪, ওয়ানডে ৮ ও টি-টোয়েন্টি ১১টি ম্যাচ নেতৃত্ব দেয়ার পরই তাকে অধিনায়কত্ব থেকে সরিয়ে দিল ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকা (সিএ)।

নিজের খেলা সবশেষ তিন ফরম্যাটের ম্যাচেই অধিনায়ক ছিলেন ডি কক। এবার তার জায়গায় তিন ফরম্যাটের জন্য ভিন্ন দুইজনকে অধিনায়ক বানিয়েছে প্রোটিয়ারা। টেস্টে দায়িত্ব নেবেন বাঁহাতি ওপেনার ডিন এলগার এবং সীমিত ওভারে নেতৃত্ব দেবেন মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যান টেম্বা বাভুমা।

দুজনকেই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় দায়িত্ব দিয়েছে সিএ। ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টির অধিনায়ক হিসেবে ২০২১ ও ২০২২ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং ২০২৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে নেতৃত্ব দেবেন বাভুমা। অন্যদিকে এলগারকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে পরবর্তী টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ পর্যন্ত।

টেস্টে নিয়মিত মুখ হিসেবে এলগারের দায়িত্বপ্রাপ্তি খুব একটা অবাক করার মতো বিষয় নয়। কিন্তু বাভুমা এখনও পর্যন্ত ওয়ানডে বা টি-টোয়েন্টি দলে জায়গাই পাকা করতে পারেননি। ২০১৬ সালে ওয়ানডে অভিষেকের পর থেকে খেলতে পেরেছেন মাত্র ৬ ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টিতে তার ম্যাচ মাত্র ৮টি।

সেই বাভুমাই এখন অধিনায়কত্ব করবেন দক্ষিণ আফ্রিকার সীমিত ওভারের ক্রিকেট ম্যাচের। শুধু তাই নয়, টেস্টেও সহ-অধিনায়ক থাকবেন তিনি। বাভুমাকে দায়িত্ব দেয়া বিষয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেট ডিরেক্টর গ্রায়েম স্মিথ বলেছেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে দলের শক্ত এবং প্রভাবশালী চরিত্রের একজন বাভুমা।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘তিন ফরম্যাটেই ধারাবাহিকতা দেখিয়েছে বাভুমা। যা কি না নেতা হিসেবে তার জায়গা আরও পোক্ত করেছে। দলের খেলোয়াড় এবং কোচদের ভরসা আছে তার ওপর। আমরা তাকে দায়িত্ব দিতে পেরে খুশি। আসন্ন দুই টি-টোয়েন্টি ও ২০২৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে অধিনায়কত্ব করবে সে।’

এলগারকে টেস্টের দায়িত্ব দেয়ার বিষয়ে বোর্ডের ভাবনা জানিয়ে স্মিথ বলেছেন, ‘টেস্টে অধিনায়ক হওয়ার ইচ্ছা আগেই জানিয়েছে এলগার। আমরাও এমন একজনকে দায়িত্ব দিতে পেরে খুশি যে অধিনায়ক হতে প্রস্তুত আছে এবং আমাদের দলকে সামনে এগিয়ে নিতে যেতে পারবে। নেতা হিসেবে তার ভূমিকা সন্দেহাতীত।’

এসএএস/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]