এমন হলে ক্রিকেট না খেলাই ভালো : মুমিনুল

ক্রীড়া প্রতিবেদক ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৬:২৩ পিএম, ২০ এপ্রিল ২০২১

টেস্টের ২১ বছর পেরিয়ে গেছে। কাঙ্খিত জায়গায় পৌঁছতে পারেনি বাংলাদেশ। গত দুই বছরের পারফরম্যান্স ঘাঁটলে দেখা যাবে, গ্রাফটা আরও নিচে। বাংলাদেশ দল এখনও হারের পর বলে-আমরা শিখছি। এভাবে আর কতদিন?

২০১৯ সালের শুরু থেকে এ পর্যন্ত বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের নয় টেস্ট খেলে জয় মাত্র একটিতে। সেই জয়টাও গত বছরের মার্চে ঘরের মাঠে দুর্বল জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। টেস্ট ক্রিকেটে এমনই নাজেহাল অবস্থায় দল, বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে এক পয়েন্টও পায়নি।

এখনও পর্যন্ত তিন সিরিজের পাঁচ ম্যাচের সবকয়টি হেরে শূন্য পয়েন্ট বাংলাদেশের, অবস্থান সবার নিচে। এই ‘শূন্য’ কাটানোর আশা এখন শ্রীলঙ্কায়। ২০১৭ সালে সর্বশেষ লঙ্কা সফরে একটি টেস্ট জিতে ফিরেছিল বাংলাদেশ। সেই স্মৃতিই আশা জোগাচ্ছে।

তাছাড়া শ্রীলঙ্কার কন্ডিশনও অনেকটা বাংলাদেশের মতো। সেখানে আলাদা করে খাপ খাওয়ানোর ঝামেলা নেই। মুমিনুল হক কোনো অজুহাতের পথও খুঁজছেন না। বরং আত্মবিশ্বাস নিয়েই বললেন-জিততে না চেয়ে শুধু অংশ নিতে আসলে ক্রিকেট না খেলাই ভালো।

কাছাকাছি কন্ডিশন বলে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী কি না? এমন প্রশ্নে টাইগার টেস্ট অধিনায়ক বলেন, ‘আশার তো কোনো শেষ নেই। আশা তো সবসময় থাকতে হবে। আপনি এই জায়গায় এসেছেন শুধু অংশ নিতে- তাহলে তো হবে না। এই জায়গায় যদি শুধু অংশ নিতে আসেন, তাহলে ক্রিকেট না খেলাই ভালো আমার মতে। যেখানেই যান, যত খারাপ পরিস্থিতি থাকুক- অবশ্যই জেতার আশা থাকতে হবে, স্পৃহা থাকতে হবে। এটা নিয়েই আমরা মাঠে নামব।’

শ্রীলঙ্কাকে তাদেরই মাটিতে হারাতে হলে বাংলাদেশ দলের শক্তির জায়গা হবে কোনটা, স্ট্র্যাটেজি হবে কী? মুমিনু্লের জবাব, ‘আমাদের দলের ব্যাটিং আর পেস বোলিং বিভাগ খুব গুরুত্বপূর্ণ হবে।’

পাল্লেকেলের পিচে কিছুটা ঘাস আছে। তার মানে পেসারদের জন্য সাহায্য থাকবে। বাংলাদেশ দলের আক্রমণ তবে পেসনির্ভরই হতে যাচ্ছে? মুমিনুল জানিয়ে দিলেন তেমনটাই। তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, আমাদের বোলিং অ্যাটাক পেস নির্ভর হবে। আমাদের আধিক্য এতে কম হবে না আশা করি। পেসারদের প্রতিযোগিতাই বেশি হবে। আমার মনে হয় পেসাররাই এই ম্যাচে বড় ভূমিকা রাখবে।’

বাংলাদেশের টেস্ট দল দেখলেও আন্দাজ করা যায়, কমপক্ষে তিন পেসার খেলানোর পরিকল্পনা টিম ম্যানেজম্যান্টের। ১৫ সদস্যের দলে পেসার আছেন চারজন-আবু জায়েদ রাহি, তাসকিন আহমেদ, এবাদত হোসেন চৌ্ধুরী এবং শরিফুল ইসলাম।

এর মধ্যে আবু জায়েদ রাহি, তাসকিন আহমেদ আর এবাদত হোসেন-তিনজনই ডানহাতি হওয়ায় কম্বিনেশনের প্রয়োজনে বাঁহাতি শরিফুল ইসলামের অভিষেক হওয়ার সম্ভাবনা আছে যথেষ্ট।

এমএমআর/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]