শাহরিয়ারের ক্যারিয়ার সেরা ফিফটিতে আবাহনীর বড় স্কোর

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৪:০৪ পিএম, ১৩ জুন ২০২১ | আপডেট: ০৪:০৪ পিএম, ১৩ জুন ২০২১

ক্যাচ ফেলার চড়া মাশুল দিল প্রাইম ব্যাংক। যার ৪৩ রানেই সাজঘরে ফেরার কথা, সেই আনকোরা তরুন মুনিম শাহরিয়ার খেলে ফেললেন ৯২ (৫০ বলে) রানের ঝড়ো ইনিংস। আর ময়মনসিংহের এই তরুণের ব্যাটে ভর করেই শেষ পর্যন্ত ২০ ওভার শেষে আবাহনীর স্কোর ১৮৩ ।

২৯ বলে হাফ সেঞ্চুরি করা এ তরুণের সামনে শতরানের সুযোগও এসেছিল। প্রাইম ব্যাংক পেসার শরিফুলের করা শেষ ওভারের তৃতীয় বলে স্ট্রাইক পেলেন মুনিম শাহরিয়ার । তখন তিনি শতক থেকে ১৪ রান দুরে।

কিন্তু দু’বল পর স্ট্রাইক পেয়ে একটি বাউন্ডারি হাঁকিয়ে শেষ পর্যন্ত সেঞ্চুরি থেকে ৮ রান পিছনে গিয়ে থামলেন। এর মধ্যে ৯০ রানে লং অনে ক্যাচ তুলে দিয়েও বেঁচে যান রনি তালুকদারের ব্যর্থতায়।

লেগস্পিনার অলক কাপালির বলে ওয়াইড ডিপ মিডউইকেটের ওপর দিয়ে তুলে মারতে গিয়ে সীমানার ওপরে ক্যাচ তুলে দিয়েছিলেন মুনিম শাহরিয়ার; কিন্তু সেই ক্যাচ ধরে রাখতে পারেননি নাইম হাসান। সীমানার ওপরে দাঁড়িয়ে নাইম হাসান দুই হাতে ক্যাচ ধরেও ফেলে দেন। বল সীমানার ওপারে গিয়ে আছড়ে পরে।

এরপর আর পিছন ফিরে তাকাননি মুনিম, নট আউট থাকলেন ৫০ বলে ৯২ রানে। তার ইনিংসে পাঁচটি বিশাল ছক্কার সাথে ছিল ৯টি বাউন্ডারির মার। টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে আগে কখনো ফিফটি ছিল না মুনিমের। আজ প্রথম ফিফটিতেই পৌঁছে গেলেন ৯০’র ঘরে।

রোরবার শেরে বাংলায় আবাহনীর বিপক্ষে ম্যাচে এমনিতেই একাদশে নেই প্রধান স্ট্রাইক বোলার মোস্তাফিজুর রহমান। তার অনুপস্থিতিতে সুবিধা করতে পারেননি আরেক পেসার রুবেল হোসেনও। ৪ ওভারে ৪২ রান একটি উইকেটও পাননি রুবেল।

তরুণ ফাস্ট বোলার শরিফুল ইসলাম দুই উইকেট পেলেও তার ৪ ওভারে উঠেছে ৩৮। বল হাতে নিয়েই উইকেট পেয়ে দরকারের সময় ব্রেক থ্রু’ও এনে দিয়েছিলেন। ৭ নম্বর ওভারে বোলিং শুরু করেই ফিরিয়ে দিলেন নাইম শেখকে।

এ বাঁ-হাতি পেসারের দ্রুত গতিতে ভিতরে আসা ডেলিভারিতে উপড়ে গেল নাইম শেখের উইকেট। তার প্রত্যাশার চেয়ে অনেক দ্রুত আসা বল চোখের পলকে ভেঙ্গে দিল ২৭ বলে ২৯ রান করা নাইম শেখের স্ট্যাম্প। ৬.১ ওভারে ৪৯ রানে পতন ঘটে আবাহনীর প্রথম উইকেটের।

এরপর এক প্রান্তে হাত খুলে খেলে আবাহনীর রানের চাকা সচল রাখলেন তরুণ মুনিম শহারিয়ার। নট আউট থাকলেন শেষ বল পর্যন্ত। তার সাথে শুধু নাজমুল হোসেন শান্ত একজন ভাল খেলেছেন। তবে ইনিংসটা ৩০’এ থেমে গেছে। লেগি অলক কাপালিকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে ওয়াইড লং অনে ক্যাচ দিয়ে নাজমুল হোসেন শান্ত (২১ বলে ৩০) আউট।

আর মোহামেডানের সাথে ম্যাচের পর এদিনও নিষ্প্রভ মুশফিক ৩ রানে বাঁহাতি স্পিনার মনির হোসের বলে কভারে জীবন পেয়েও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি আবাহনী অধিনায়ক। ১৭ বলে ১৪ রানে সাজঘরে ফিরেছেন পেসার শরিফুলের বলে ডিপ স্কোয়ার লেগ বাউন্ডারিতে।

এআরবি/আইএইচএস/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]