শেরে বাংলায় বৃষ্টি ভেজা ম্যাচে প্রাইম ব্যাংককে হারাল আবাহনী

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৫:৪২ পিএম, ১৩ জুন ২০২১

তরুণ মুনিম শাহরিয়ার জুম্মনের টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের সেরা ইনিংসটি স্মরণীয় হয়ে থাকলো। ময়মনসিংহের এ ২৩ বছর বয়সী তরুণের ব্যাট থেকে আসা ৯২ রানের (৫০ বলে) ঝড়ো ইনিংসের ওপর ভর করেই আবাহনী পেয়েছে ১৮৩ রানের বড়সড় পুঁজি। শেষ পর্যন্ত সেটাই জয়ের জন্য যথেষ্ঠ বলে প্রমাণ হয়েছে।

ডিএল মেথডে ৩০ রানের জয়ে মাঠ ছেড়েছে মুশফিকের আবাহনী। তবে এর মাঝেও কথা আছে। বৃষ্টি এসে শেষ দিকে বাগড়া দেয় বিকেল সাড়ে ৪ টায়। নতুন করে শুরু খেলা শুরু হয় বিকেল ৫টা ৫ মিনিটে।

৩৫ মিনিট খেলা বন্ধ থাকায় ম্যাচের দৈর্ঘ্য কমেনি তেমন। প্রাইম ব্যাংকের ইনিংস থেকে এক ওভার কমে যায়। ফলে ডিএল মেথডে ১৯ ওভারে প্রাইম ব্যাংকের টার্গেট দাড়ায় ১৭৪।

এনামুল হক বিজয়, তামিম ইকবাল, মিঠুন আর অলকরা থামেন ১৪৩ রানে। বিকেল সাড়ে ৪টায় খেলা বন্ধের সময় এনামুল বিজয়, তামিম ইকবাল আর মিঠুনদের স্কোর ছিল ৪ উইকেটে ১১৭ (১৬ ওভারে)।

বৃষ্টির পর ১৮ বলে প্রাইম ব্যাংকের দরকার পড়ে ৫৭ রান; কিন্তু মিঠুন, নাহিদুলরা তা করতে পারেননি। ওই ১৮ বলে তারা যোগ করেন মাত্র ২৬ রান। শেষ পর্যন্ত এনামুল হক বিজয়ের দল থামে ১৪৩ রানে।

বৃষ্টির পর খেলা শুরু হতেই তানজিম হাসান সাকিবের বলে ওয়াইড লংঅনের ওপর দিয়ে বিশাল ছক্কা হাঁকানোর দুই বল পরই স্কুপ করতে গিয়ে বোল্ড হন মিঠুন। ২৭ বলে ৩৪ রানে ফেরেন তিনি। আর নাহিদুল আউট হন ১৪ বলে ১৬ করে। অলক কাপালি ৫ বলে ১০ রানে থাকেন নটআউট।

এর আগে ৪২ রানে জীবন পেয়ে তামিম করেছেন ৫৫ রান। আমিনুল ইসলাম বিপ্লব ক্যাচ ফেলে না দিলে তামিম চল্লিশের ঘরেই ফিরে যেতে পারতেন সাজঘরে; কিন্তু অফস্পিনার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের বলে কভারে ক্যাচ ফেলে তামিমকে নতুন জীবন দেন আমিনুল ইসলাম বিপ্লব।

তারপর অবশ্য বেশি দুর যেতে পারেননি দেশসেরা ওপেনার। ৮ বাউন্ডারি আর এক ছক্কায় ৪১ বলে বলে ৫৫ করে বাঁ-হাতি স্পিনার আরাফাত সানির ঝুলিয়ে দেয়া বলে ডিপ কভারে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তামিম।

১৮৪ রানের বড় টার্গেট ছুঁতে গিয়ে প্রাইম ব্যাংক শুরু থেকে রান তোলায় পিছিয়ে ছিল। ওপরের দিকে ওপেনার রনি তালুকদার ৪, অধিনায়ক বিজয় ১৩ বলে ১১ এবং অমিত মজুমদার ৪ রানে আউট হলে শুরুতেই চাপে পড়ে প্রাইম ব্যাংক। তামিম একা সে চাপ সামলে এগিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন।

আবাহনীর পক্ষে সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন আমিনুল ইসলাম বিপ্লব। তামিম আর মিঠুনের একজোড়া ক্যাচ ফেলে শেষ অবধি বল হাতে ২০ রানে ২ উইকেট দখল করে তা পুষিয়ে দেন তরুন লেগি বিপ্লব। এছাড়া দ্রুত গতির বোলার তানজিম সাকিবও ২ উইকেটের পতন ঘটান (৪ ওভারে ৩৫ রান দিয়ে)। বাঁ-হাতি স্পিনার আরাফাত সানি (৪ ওভারে ১/৩২) আর পেসার সাইফউদ্দিন (৪ ওভারে ১/২১) একটি করে উইকেট পান।

এআরবি/আইএইচএস/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]