মুমিনুল-ইয়াসিরের তাণ্ডবে গাজীর ১৮৪

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৮:৫১ পিএম, ২৬ জুন ২০২১

লিগ শিরোপা নির্ধারিত হয়ে গেছে। আবাহনী চ্যাম্পিয়ন, প্রাইম ব্যাংক রানার্সআপ। আর প্রাইম দোলেশ্বর তৃতীয়। মিরপুরে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব আর গাজী গ্রুপের ম্যাচটি তাই একেবারেই গুরুত্বহীন।

গুরুত্বহীন এ ম্যাচে কি ব্যাটিংটাই না করলেন মুমিনুল হক আর ইয়াসির আলী রাব্বি! শনিবার সন্ধ্যায় শেরে বাংলায় শেখ জামালের বিপেক্ষ রীতিমত রান উৎসবে মেতে উঠেছিলেন গাজী গ্রুপের এ দুই ব্যাটসম্যান।

শুরু মন্দ হয়নি। উদ্বোধনী জুটি ভাঙে ৩৫ রানে (৪.১ ওভারে)। যার বেশিরভাগ সংগ্রহ ছিল ওপেনার শেখ মাহেদি হাসানের। অন্যদিকে সৌম্য সরকার ১০ বলে ৯ রানেই আউট হয়ে যান।

মাহেদিও অবশ্য খুব বেশি দূর যেতে পারেননি। পেসার জিয়াউর রহমানের বলে ২৭ রানে (১৭ বলে) ফেরেন গাজী গ্রুপ ওপেনার। ওয়ান ডাউনে নেমে শাহাদাত হোসেন দিপুও (১৩ বলে ১১) সৌম্য সরকারের মতই স্লথ ব্যাটিং করেন।

প্রায় ইনিংসের মাঝামাঝি ৯.৩ ওভারে ৬৭ রানে খোয়া যায় গাজীর ৩ উইকেট। এরপর তরুণ লেগস্পিনার মিনহাজুল আবেদিন আফ্রিদির বলে ১ রানেই বোল্ড হয়ে যান মাহমুদউল্লাহও।

১০.৩ ওভারে ৭১ রানে চতুর্থ উইকেট পতনের পর হাল ধরেন মুমিনুল আর ইয়াসির আলী রাব্বি। পরের ৯.৩ ওভারে ১২ রানের বেশি করে তুলে ১১৩ রানের পার্টনারশিপ গড়ে তোলেন মুমিনুল-ইয়াসির।

মুমিনুল ৫৩ বলে ৭৮ রানের (স্ট্রাইকরেট ১৪৭.১৬) দারুণ ইনিংস উপহার দেন। ইয়াসির রাব্বি ছিলেন আরও ভয়ংকর। ২৩৩.৩৩ স্ট্রাইকরেটে ২৪ বলে সমান চারটি করে ছক্কা ও চার হাঁকিয়ে ৫৬ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন এই ডানহাতি। তাতেই ২০ ওভার শেষে ১৮৪ রানের বিশাল পুঁজি গাজী গ্রুপের।

উইকেট না পেলেও সবচেয়ে মিতব্যয়ী বোলিং করেন নাসির হোসেন। এ অফস্পিনার আজ বোলিংয়ের সূচনা করে ৪ ওভারের স্পেলে দিয়েছেন মোটে ২২ রান।

এছাড়া তরুণ লেগি আফ্রিদি ৩ ওভারে ২৭ রানে পেয়েছেন ১ উইকেট। সে তুলনায় সবচেয়ে মার খেয়েছেন পেসার ইবাদত হোসেন। তার ৪ ওভারে উঠে ৪৬ রান। অপর পেসার জিয়াউর দুই উইকেট পেলেও রান দিয়েছেন ৪০।

এআরবি/এমএমআর/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]