নিজেকে বদলে নেয়ার গল্প শোনালেন সোহান

আরিফুর রহমান বাবু
আরিফুর রহমান বাবু আরিফুর রহমান বাবু , বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৮:৩০ পিএম, ২৮ জুন ২০২১

 

জাতীয় দলে অভিষেক ছিল জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে, টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে। পরে কাজী নুরুল হাসান সোহানের ওয়ানডে আর টেস্ট ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল অবশ্য দেশের বাইরে, নিউজিল্যান্ডে। ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে কিউইদের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডে খেলতে নামা। একই সফরে ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে টেস্ট অভিষেক।

কিন্তু এরপর বেশি দিন দলে থাকা হয়নি তার। ২০১৮ সালের জুলাই মাসে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে কিংস্টনে শেষ টেস্ট খেলেন নুরুল হাসান সোহান। তারপর থেকে সব ধরনের ফরম্যাটে জাতীয় দলের বাইরে। ক্যালেন্ডারের পাতা উল্টে হিসেব করলে প্রায় ৩৫ মাস পর আবার জাতীয় দলের হয়ে মাঠে ফেরার হাতছানি এ চটপটে ক্রিকেটারের।

ঘরোয়া ক্রিকেটে মাঝের সময়টা খুব খারাপ কাটেনি। তবে এবারের টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব লিমিটেডের হয়ে দুর্দান্ত খেলেছেন। যেন এক নতুন সোহানের দেখা মিলেছে এবার।

বরাবরই উইকেটরক্ষক হিসেবে তার সুনাম রয়েছে। শুধু কিপিং প্রতিভা আর সামর্থ্য সোহানকেই ভাবা হয় নাম্বার ওয়ান। ব্যাটিংটাও ছিল ভাল। যদিও ব্যাকরণ মেনে ক্রিকেটীয় শটস খেলেন না সোহান। বরং ‘ইম্প্রোভাইজ’ করে খেলার প্রবণতা, উইকেটে গিয়েই রান করার চেষ্টা এবং রানের চাঁকা সচল রাখার কাজেই বেশি মনোযোগী থাকেন তিনি।

এবার যোগ হয়েছে দায়িত্ব-কর্তব্যবোধ। উইকেটে গিয়েই এদিক ওদিক আক্রমণাত্মক শট না খেলে, পরিস্থিতি মোতাবেক কখনও নিজেকে খোলসবন্দী রাখা, তারপর একসময় খোলস থেকে বেরিয়ে প্রতিপক্ষ বোলিংয়ের ওপর চড়াও হয়েছেন সোহান। পাশাপাশি পাওয়ার হিটিং করেছেন প্রচুর।

dpl1

সর্বোপরি তার মাঝে ছিল দলকে জিতিয়ে সাজঘরে ফেরার অন্যরকম তাগিদ। সে কারণেই এবারের লিগে সোহানের ব্যাট থেকে অন্তত ৭টি ম্যাচে ত্রিশ ছাড়ানো ইনিংস। ব্যাটিং স্টাইল, দায়িত্ববোধ আর ফিনিশিং টাচ দেয়ার প্রবণতা- এসব দেখে নির্বাচকরা তাকে একসঙ্গে টেস্ট, ওয়ানডে আর টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে দলে নিয়েছেন।

সাম্প্রতিক সময়ে কারও এক সফরে একসঙ্গে তিন ফরম্যাটে দলে জায়গা ফিরে পাওয়ার নজির নেই। সোহান সেই দুর্লভ ঘটনার জন্ম দিলেন। এবারের লিগে তার ভাল খেলা এবং বদলে যাওয়ার পিছনের গল্পটা কী? এত বছর পর দলে ফিরে কেমন লাগছে? কী করতে চান?

জাগো নিউজের সঙ্গে একান্ত আলাপে সে সব বিষয়ে কথা বলেছেন সোহান-

জাগো নিউজ: অনেকদিন পর আবার জাতীয় দলে, কেমন লাগছে?

সোহান: অবশ্যই খুব ভাল লাগছে। তবে অনুভূতিটা শুধু আনন্দ আর ভাল লাগার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। আমার মনে হয় এটা একটা বড় চ্যালেঞ্জ। এখন লক্ষ্য একটাই, যেন সুযোগ পেলে ভাল কিছু করতে পারি।

জাগো নিউজ: প্রায় তিন বছর পর জাতীয় দলে সুযোগ পেয়েছেন। তাও একসঙ্গে তিন ফরম্যাটে। আপনার লক্ষ্য কী?তিন ফরম্যাটেই দলে জায়গা করে নেয়া? নাকি কোন বিশেষ ফরম্যাটের প্রতি আগ্রহ বেশি?

সোহান: আমার কাছে ফরম্যাটের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো যেখানেই সুযোগ পাই, সুযোগটা যাতে কাজে লাগাতে পারি। কিছুতেই যেন সুযোগ হাতছাড়া না হয়। সেদিকে নজর থাকবে সর্বোচ্চ। সেটা টেস্ট, ওয়ানডে কিংবা টি-টোয়েন্টি যে ফরম্যাটই হোক না কেন, আমি চাই আগে দলের জন্য ভাল কিছু করতে।

জাগো নিউজ: লম্বাসময় ধরে জাতীয় দলের বাইরে, এ সময়টা কেমন ছিল? কতটা হতাশার ছিল?

সোহান: সত্যি কথা বলতে কি, সেভাবে চিন্তা করতাম না। জাতীয় দলে নেই বলে যে হতাশাগ্রস্ত ছিলাম, তা নয়। আমার মনে একটাই চিন্তা ছিল, কঠোর পরিশ্রম করব এবং নিজেকে তৈরী রাখব। যেখানেই খেলি না কেন, সততার সঙ্গে নিজের শতভাগ যেন দিতে পারি। ঘরোয়া ক্রিকেটের যে কোনো আসরে, যখন যেখানে যে ফরম্যাটে সুযোগ পাই, সেখানে যাতে নিজের সেরাটা দিয়ে খেলতে পারি, অবদান রাখতে পারি, সেটাই ছিল লক্ষ্য।

dpl1

জাগো নিউজ: কিন্তু এটাও তো ঠিক আপনাকে দেশের সম্ভাব্য সেরা কিপার ধরা হয়। কম বেশি সবাই বলাবলি করত সোহান সামর্থ্যবান। কিন্তু জাতীয় দলে সুযোগ মিলছিল না। এটা কি কোনো হতাশার জন্ম দেয়নি?

সোহান: প্রথম যখন টেস্ট খেলে জাতীয় দলের বাইরে গেলাম, তখন কিছুটা সময় হতাশ ছিলাম। তবে হতাশায় ডুবে না গিয়ে নিজেকে এভাবে বুুঝাতে শুরু করলাম যে, জাতীয় দলে জায়গা পাওয়ার ব্যাপারটাতো আর আমার হাতে নয়। আমি বরং নিজেকে ভালোভাবে তৈরি করার চেষ্টা করি এবং পারফরম্যান্সটা যেন ঠিক থাকে।

তখন একটাই লক্ষ্য নির্ধারণ করি, যে পর্যায়ে যেখানেই খেলি না কেন দলের কাছে আমার গুরুত্বটা যাতে রেখে খেলতে পারি। যদি অনেক বেশি চিন্তা করতাম, তাহলে হয়ত ঘরোয়া ক্রিকেটেও ভাল খেলা কঠিন হতো। অবচেতন মনে বারবার মনে হতো আমি জাতীয় দলে নেই, তাহলে হতাশাগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। তাতে নিজের স্বাভাবিক পারফরম্যান্স আরও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকত।

জাগো নিউজ: আপনি ফেসবুক স্ট্যাটাসে কোচ মিজানুর রহমান বাবুলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি তো শেখ জামালের কোচ নন, প্রাইম দোলেশ্বরের কোচ। এ ব্যাপারটা কি একটু পরিষ্কার করে বলবেন?

সোহান: আসলে গত দুই-আড়াই বছর ধরে ব্যাটিং নিয়ে বাবুল ভাইয়ের (মিজানুর রহমান বাবুল) সঙ্গেই কাজ করছিলাম। ব্যাটিংয়ের ব্যালেন্স আর পাওয়ার হিটিংয়ের কিছু বিষয় নিয়ে কথাবার্তা বলেছি প্রচুর। আল্লাহর রহমতে তা কাজে লেগেছে। যে জিনিসটা আগে হতো যে, একা একা প্র্যাকটিস করতাম। ঐ সময় হয়তো ঠিক বোঝা যেত না। আরেকজন সাথে থাকলে বুঝিয়ে দিতে পারতেন।

আর সেই উপলব্ধি থেকেই বাবুল ভাইয়ের সঙ্গে শেষ দুই-আড়াই বছর ধরে ব্যাটিং নিয়ে কাজ করছিলাম। তার সঙ্গে অনেক ডিসকাস করেছি। তার কাছ থেকে ঐ উপকারটা পেয়েছি। নানা প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে হেল্প করেছেন। তিনি ভিডিও করে আমার ব্যাটিংয়ের নানান বিশ্লেষণ করেছেন। ব্যাটিংয়ের সময় ব্যালেন্সটা ঠিক রাখা নিয়ে বলেছেন, এটা এমন করবা, সেটা ওরকম করবা। তার সঙ্গে কথা বলে ব্যাটিং স্ট্যান্স ও ব্যালেন্স চেঞ্জ করেছিলাম।

জাগো নিউজ: এবার আপনাকে দলের ব্যাটিংয়ের সব দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে খেলতে দেখা গেছে। মনে হয়েছে যে, আপনিই ইনিংসের শেষ বল অবধি ক্রিজে কাটিয়ে দলকে জিতিয়ে তবেই ফিরবেন। এই অনুপ্রেরণা আর আত্মপ্রত্যয়টা কীভাবে জন্মাল?

সোহান: সত্যিকার অর্থে শেখ জামালের কোচিং স্টাফ রফিক ভাই, তারেক ভাই আর টিম অফিসিয়ালস সবাই আমাকে অনুপ্রাণিত করেছেন। ক্লাব কর্তা মেহরাব ভাই, শামিয়ান ভাই অনেক বেশি সহযোগিতা পরায়ণ ছিলেন। সেখান থেকেও আত্মবিশ্বাস পেয়েছি, ভাল খেলার এবং বাড়তি দায়িত্ব দিয়ে খেলার ইচ্ছেটা প্রবল হয়েছে।

dpl1

আসলে আমাদের টিমটা ছিল ওয়ানডে টিম। তাই আমরা বসে আলাপ আলোচনা করে দেখলাম আমি যদি শেষ পর্যন্ত উইকেটে থেকে ম্যাচ শেষ করতে না পারি, তাহলে দলের সমস্যা হবে। আমরা কাঙ্ক্ষিত ফল পাবো না। শুরুর কয়েক ম্যাচে আমরা স্ট্রাগলও করেছি।

সেখান থেকেই আসলে আমাকে পূর্ণ স্বাধীনতা দেয়া হয়েছে। আমার দায়িত্বই ছিল ম্যাচ শেষ করে আসা। কোচিং স্টাফ ও কর্মকর্তাদের কথায় মনে হয়েছে যে, আমি যদি ম্যাচ শেষ করতে না পারি তাহলে সমস্যা হবে। তাদের কথাবার্তা শোনার পর আমার ভেতরে চিন্তা জন্মেছে যে, মাঠে আমাকে বাড়তি দায়িত্ব নিয়ে খেলতে হবে এবং কিছুতেই ম্যাচ শেষ না করে আউট হওয়া চলবে না। আমি মাঠে সে চেষ্টাই করেছি।

জাগো নিউজ: আপনার দলে মাশরাফি বিন মর্তুজাও ছিলেন। তাকে শেষ পর্যন্ত মাঠে পাননি, সেটা কতটা হতাশার ছিল? মাশরাফিকে কতটা মিস করেছেন ?

সোহান: হ্যাঁ! তাতো অবশ্যই। মাশরাফি ভাইকে খুব মিস করেছি। শুরুতে ইমরুল ভাইকে কোভিডের জন্য পাইনি । আর নতুন বলে পেস বোলিংয়ে আমরা বেশ স্ট্রাগল করেছি। আমাদের ঐখানে মাশরাফি ভাই থাকলে অনেক সুবিধা পাওয়া যেত। আমাদের পাওয়ার প্লে আর ডেথ ওভারে পেস বোলিংয়ে অনেক ল্যাকিংস ছিল। সেই সব জায়গায় মাশরাফি ভাইয়ের অনেক অভাব অনুভব করেছি। মাশরাফি ভাই খেললে পেস বোলিং নিয়ে চিন্তা করতে হতো না।

জাগো নিউজ: মোহাম্মদ আশরাফুলের সঙ্গে ব্যাটিং নিয়ে কী কী কথা হয়েছে?

সোহান: আমি আর আশরাফুল ভাই যখন একসঙ্গে ব্যাটিং করেছি তখন অনেক কথা হয়েছে। আসলে আমরা এবারের শেখ জামাল টিম হিসেবে খুব সাপোর্টিভ ছিলাম। সবাই সবাইকে নানা ভাবে সহযোগিতা করার চেষ্টা করেছে।

জাগো নিউজ: এবারের লিগে আপনার খেলা দুটি স্বরণীয় ইনিংসের কথা বলবেন কি?

সোহান: প্রথম হলো মোহামেডানের সঙ্গে খেলা ৬৬ রানের (৩৪ বলে পাঁচ ছক্কায় সাজানো) ইনিংস। আসলে ঐ ম্যাচটি আমাদের জন্য ছিল খুব গুরুত্বপূর্ণ। হারলে আমাদের সুপার লিগ খেলা কঠিন হয়ে যেত। তাই আমরা খুব সিরিয়াস ছিলাম। কিন্ত মাঠে প্রথম ব্যাটিংয়ে নামার পর আমাদের অবস্থা বিশেষ ভাল ছিল না। আমরা একটা পর্যায়ে খুব চাপে ও বেকায়দায় পড়ে গিয়েছিলাম।

আরেকটা লিজেন্ডস অফ রুপগঞ্জের সাথে বিকেএসপিতে বৃষ্টির কারণে ডিএল মেথডে ম্যাচ হয়েছিল। আমি সে ম্যাচে পেসার শহীদের করা শেষ বলে ছক্কা হাঁকিয়েছিলাম। আমরা ডিএলে পিছিয়ে ছিলাম। এমন একটা পরিস্থিতিতে বৃষ্টি চলে আসে। আমি যখন উইকেটে যাই, তখন বৃষ্টি পড়ছিল। আমার মনে হচ্ছিল বৃষ্টির কারণে খেলা বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

dpl1

যেহেতু আমরা ডিএলে পিছিয়ে ছিলাম, তাই আমার টার্গেট ছিল উইকেটে গিয়েই ছয় মারার। শহীদের বলে আমি গিয়েই ব্যাট চালাই আমি মিড উইকেটের ওপর দিয়ে সেটা ছক্কা হয়। আর তাতে আমরা ৩-৪ রানে এগিয়ে যাই। যদিও বৃষ্টি থামার পর আরও ২ ওভার খেলা হয়েছে। তারপরও যদি বৃষ্টিতে আর খেলা না হতো, তাও আমরা জিততাম। সেটা আমার ছক্কা হাঁকানোর কারনেই। তাই সে মুহূর্তটা খুব স্বরণীয় হয়ে আছে।

জাগো নিউজ: ক্লাব ক্রিকেটে স্বাধীনতা মেলে সর্বোচ্চ। কেউ কেউ একদম ভয়ডর ছাড়া ‘ফিয়ারলেস’ ক্রিকেট খেলেন সেখানে। কিন্তু জাতীয় দলে গিয়ে আর তেমন ভয়ডর ছাড়া ফ্রি খেলতে পারেন না? আপনার কী মনে হয়?

সোহান: আসলে এখানে মানসিকতটাই সবচেয়ে বড় ব্যাপার। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের মেজাজ, ধরন ও প্রকৃতি অবশ্য ঘরোয়া ক্রিকেটের চেয়ে ভিন্ন। মানও অনেক উন্নত। তবে সেখানে নিজেকে যতটা স্বাভাবিক রাখা যায়, সেটাই বড়। নিজেকে স্বাভাবিক রাখতে পারলে ভয়ডর ছাড়া স্বাভাবিক খেলা সম্ভব। আমি সেভাবেই ভাবি। ভাবতে চাই, খেলতেও চাই। আল্লাহ ভরসা।

জাগো নিউজ: জিম্বাবুয়ে সফরে আপনার টার্গেট কী? নিজেকে কিভাবে মেলে ধরতে চান?

সোহান: দেখুন, যে কোনো ব্যাটসম্যানই চায় জাতীয় দলে ফেরাটাকে স্মরণীয় করে রাখতে। আর দলে জায়গা পাকাপোক্ত করে রাখতে। সেক্ষেত্রে প্রায় সবার লক্ষ্য থাকে ৫০-১০০ করার। সেটা অনেকটা ব্যক্তিগত টার্গেট। তবে আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো টিমের জন্য খেলতে পারা।

আমি চাই দলের চাহিদা পূরণ করতে। আমার ব্যক্তিগত লক্ষ্য একটু ভিন্ন। আমি ভাবি দলের জন্য অবদান রাখাটাই বড়। ব্যক্তিগতভাবে হাফসেঞ্চুরি-সেঞ্চুরির চেয়ে দলের জন্য যদি অবদান রাখতে পারি, সেটাই অনেক বেশি মূল্যবান। আমার কাছে দল বড়। দলের দরকারের সময় কার্যকর অবদান রাখতে পারাটাই আসল। আমি সেই জায়গামতো কন্ট্রিবিউট করতে চাই। সেটা যে ফরম্যাটে সুযোগ পাই, সেখানেই।

এআরবি/এসএএস/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]