বোর্ডে অলংকার হিসেবে থেকে লাভ নেই, সক্রিয় থাকতে হবে: পাইলট

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৭:২৬ পিএম, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১

তার সমসাময়িক খালেদ মাহমুদ সুজন, নাইমুর রহমান দুর্জয়, হাবিবুল বাশাররা কোনো না কোনোভাবে বোর্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত। জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক মিনহাজুল আবেদিন নান্নুও প্রধান নির্বাচক। আরেক সাবেক অধিনায়ক রকিবুল হাসান ম্যাচ রেফারিদের প্রধান। কিন্তু ১৯৯৭ সালে আইসিসি ট্রফি জয়ের অন্যতম কুশীলব আর ২০০৩ সালের বিশ্বকাপে জাতীয় দলকে নেতৃত্ব দেওয়া খালেদ মাসুদ পাইলট কোথাও নেই।

সেই ২০০৭ সালে জাতীয় দল থেকে সরে দাঁড়ানোর পর এবার বোর্ড ব্যবস্থাপনায় জড়াতে আগ্রহী পাইলট। শুক্রবার পড়ন্ত বিকেলে জাগো নিউজের সাথে আলাপে পাইলট বলেন, ‘আমি এবার নির্বাচন করতে চাই। সেটা এমনি এমনি নয়। দেশের ক্রিকেট উন্নয়নে কাজ করার ইচ্ছে ছিল বরাবরই। যখন যেভাবে সুযোগ পেয়েছি, চেষ্টা করেছি। তবে এটা ঠিক, ক্রিকেট উন্নয়নে কাজ করতে হলে বোর্ডে থাকা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। সেটাই আসলে কাজের উপযুক্ত জায়গা। তাই আমি বোর্ড পরিচালক পদে নির্বাচন করতে আগ্রহী।’

কিন্তু আপনার প্রতিপক্ষ সাইফুল আলম স্বপন চৌধুরী তো বর্তমান বোর্ড পরিচালক, আপনি কি তাকে হারাতে পারবেন? পাইলটের জবাব, ‘নির্বাচনে হার-জিত থাকবেই। আমি চেষ্টা করবো আমার রাজশাহী বিভাগের অন্য কাউন্সিলরদের সমর্থন পেতে। সে লক্ষ্যে গত প্রায় দুই সপ্তাহ রাজশাহী বিভাগের প্রায় সব জেলাতেই ঘুরেছি।’

পাইলটের কথা, ‘বোর্ডের অলংকার হয়ে লাভ নেই। রাজশাহীর ক্রিকেট উন্নয়নে আসলে সক্রিয় অংশগ্রহণ দরকার। যেহেতু রাজশাহী বিভাগ থেকে নির্বাচন করবো, তাই প্রথম লক্ষ্য থাকবে রাজশাহীর ক্রিকেটকে চাঙ্গা করা। রাজশাহীর ক্রিকেটে অবকাঠামো বাড়ানো দরকার। রাজশাহীতে যে বেশ কিছু ছোট ছোট ক্রিকেট একাডেমি আছে, সেগুলোর মান উন্নয়ন এবং সেগুলোর অবকাঠোমোগত উন্নয়ন করতে হবে।’

জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক যোগ করেন, ‘আমি প্রাথমিকভাবে রাজশাহীর ক্রিকেট ঐতিহ্যকে ধারণ করেই এগোতে চাই। রাজশাহীর ক্রিকেট অবকাঠামোগত উন্নয়ন, বিভাগের সব জেলায় নিয়মিত লিগ আয়োজন এবং বিভিন্ন একাডেমির গুণগত ও মান উন্নয়নই আমার প্রথম লক্ষ্য।’

এআরবি/এমএমআর/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]