‘জীবনে স্কুলেও হ্যাটট্রিক করিনি, আইপিএলে করলাম’

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২:১০ পিএম, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১

রোববার রাতের ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর করা ১৬৫ রানের জবাবে পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ৫৬ রান করে ফেলেছিলো মুম্বাই ইন্ডিয়ানস। দুই ওপেনার রোহিত শর্মা ও কুইন্টন ডি ককের ব্যাটে এমন উড়ন্ত সূচনাই পেয়েছিলো আইপিএলের বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

কিন্তু এরপর আর মাত্র ৫৫ রান তুলতেই অলআউট হয়ে যায় তারা। দুই ওপেনারের পর আর কাউকেই দাঁড়াতে দেননি ব্যাঙ্গালুরুর বোলাররা। যার মূল কৃতিত্ব লেগস্পিনার ইয়ুজভেন্দ্র চাহাল ও হার্শাল প্যাটেলের। হ্যাটট্রিকসহ ৪ উইকেট নিয়েছেন হার্শাল, চাহালের শিকার ৩ উইকেট।

ব্যাঙ্গালুরুর তৃতীয় বোলার হিসেবে আইপিএলে হ্যাটট্রিক করেছেন হার্শাল। ইনিংসের ১৭তম ওভারে পরপর তিন বলে তিনি ফিরিয়েছেন হার্দিক পান্ডিয়া, কাইরন পোলার্ড ও রাহুল চাহারকে। তার আগে ব্যাঙ্গালুরুর হয়ে হ্যাটট্রিক করেছেন প্রবীন কুমার (২০১০) ও স্যামুয়েল বদ্রি (২০১৭)।

ম্যাচ শেষে হার্শাল জানিয়েছেন, এটিই তার জীবনের প্রথম হ্যাটট্রিক। এর আগে কোনো পর্যায়ের ক্রিকেটেই জীবনে হ্যাটট্রিক করতে পারেননি তিনি, এমনকি স্কুল ক্রিকেটেও নয়। আইপিএলেও এর ছয়বার পরপর দুই বলে দুই উইকেট নিলেও হ্যাটট্রিক করা হয়নি।

ভার্চুয়াল প্রেস কনফারেন্সে হার্শাল বলেছেন, ‘আমার জীবনে প্রথমবারের মতো হ্যাটট্রিক করলাম। স্কুলের ম্যাচেও কখনো হ্যাটট্রিক করতে পারিনি। আইপিএলে এর আগে ছয়বার সুযোগ তৈরি হয়েছিলো। এবারই প্রথম করতে পারলাম। এটার মর্ম বুঝতেও সময় লাগবে।’

হ্যাটট্রিকের তিন উইকেটের মধ্যে পোলার্ডকে আউট করে সবচেয়ে বেশি তৃপ্তি পেয়েছেন হার্শাল। কেননা পোলার্ডকে পুরোপুরি বোকা বানিয়ে বোল্ড করেছেন তিনি। পান্ডিয়াকে সাজঘরে পাঠানোর পর পোলার্ডের জন্য ওয়াইড ইয়র্কারের ফাঁদ সাজিয়েছিলেন হার্শাল।

jagonews24

কিন্তু সেই ডেলিভারিটি তিনি করেন লেগ স্ট্যাম্পে স্লোয়ার। আর তাতেই বোকা বনে যান পোলার্ড। আগেই অফস্ট্যাম্পের দিকে সরে যাওয়ায় সেই বল আর ফেরাতে পারেননি, খোয়ান নিজের লেগস্ট্যাম্প। পরের বলে চাহারকে স্লোয়ার ইয়র্কার দিয়ে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলে হার্শাল নিজের হ্যাটট্রিক পূরণ করেন।

হার্শাল বলেছেন, ‘কাইরন পোলার্ডের উইকেটটা আমার জন্য বাড়তি আনন্দের ছিলো। কারণ সেটা একটা ব্লাফ ছিলো। টিম মিটিংয়ে আমরা পরিকল্পনা করেছিলাম যে তাকে ব্যাট থেকে দূরে দূরে বোলিং করে সেটআপ করা যাবে। পরে ইয়র্কার দিয়ে আউট করা যাবে। আমি গতিময় ইয়র্কারের বদলে স্লোয়ার দিয়ে দেই।’

চলতি আসরে এরই মধ্যে ১০ ম্যাচে ২৩ উইকেট শিকার করে ফেলেছেন হার্শাল। ব্যাঙ্গালুরুর হয়ে এক আসরে এটিই সর্বোচ্চ উইকেট শিকারের রেকর্ড। তার আগে ২০১৩ সালে বিনয় কুমার ও ২০১৫ সালে ইয়ুজভেন্দ্র চাহালও নিয়েছিলেন ২৩ উইকেট।

এসএএস/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]