টাকা জমিয়ে রাখা বড় কাজ নয়, আঞ্চলিক ক্রিকেটে উন্নয়ন জরুরি : দুর্জয়

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৬:০৮ পিএম, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১

তিনি বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট অধিনায়ক। খেলা ছেড়ে প্রথমে হয়েছিলেন জাতীয় দলের নির্বাচক। সেই পদ থেকে স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়ানোর পর বোর্ড ব্যবস্থাপনায় জড়িত হন নাইমুর রহমান দুর্জয়।

বোর্ড পরিচালক পর্ষদের সদস্যের পাশাপাশি তিনি একসময় বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্বও পালন করেছেন। বর্তমান বোর্ডের হাই পারফরমেন্স ইউনিট কমিটি প্রধান দুর্জয়।

কিন্তু তাকে পরপর দুইবারই নির্বাচনের মুখোমুখি হতে হয়েছে। ২০১৭ সালেও ঢাকা বিভাগ থেকে নির্বাচন করে বোর্ড পরিচালক হয়েছিলেন দুর্জয়, এবারও তাই।

ঢাকা বিভাগে দুর্জয়ের প্রতিদ্বন্দ্বী এবার ৩ জন-সৈয়দ আশফাকুল ইসলাম টিটু (কিশোরগঞ্জ), তানভির আহমেদ টিটু (নারায়ণগঞ্জ) ও খালিদ হোসেন (মাদারীপুর)।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরসঙ্গী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র গিয়েছিলেন দুর্জয়। দেশে ফিরেছেন আজ (সোমবার) সকালেই। বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে সোজা মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে এসে স্বশরীরে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন দুর্জয়। এ সময় তার নির্বাচনী এলাকার প্রায় শ’খানেক নেতা-কর্মীও উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় দলের এ সাবেক অধিনায়কের অনুভব, ‘দেশের ক্রিকেট উন্নয়নে আঞ্চলিক ক্রিকেট অধিদপ্তর করার বিকল্প নেই। ক্রিকেটকে এগিয়ে নিতে হলে আঞ্চলিক ক্রিকেটের উন্নয়ন, একাডেমি ও অন্যান্য উন্নয়ন কর্মকান্ডে আরও বেশি করে মনোযোগী হওয়া প্রয়োজন।’

দুর্জয় আরও বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি যে আগে একটা সময় ছিল যখন বোর্ডের সংকট ছিল, সীমাবদ্ধতা ছিল। সেগুলো কিন্তু এখন নেই।’

কদিন আগে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন জানিয়েছেন, বোর্ডের ৯০০ কোটি টাকার এফডিআর বা ফিক্সড ডিপোজিট আছে। সেটা ইঙ্গিত করে দুর্জয় বলেন, ‘আমরা যদি শুধু মনে করি টাকা জমিয়ে রাখা এবং এফডিআর করাই বড় কাজ, আসলে তা নয়। এই বিষয়গুলো থেকে বেরিয়ে এসে আঞ্চলিক ক্রিকেটের উন্নয়নে, একাডেমির উন্নয়নে আরও বেশি ব্যয় করা উচিত।’

এআরবি/এমএমআর/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]