বাংলাদেশের স্পিনারদের মোটেও ভয় পাচ্ছে না পাপুয়া নিউগিনি

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৩:১৮ পিএম, ১৫ অক্টোবর ২০২১

বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচেই মুখোমুখি স্বাগতিক ওমান এবং এবারের টুর্নামেন্টে প্রথম খেলতে আসা পাপুয়া নিউগিনি। উদ্বোধনী ম্যাচে মাঠে নামার আগে নিজেদের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য নিয়ে কথা বলেছেন পাপুয়া নিউগিনির অধিনায়ক আসাদ ভালা। প্রথম পর্ব ‘বি’ গ্রুপে বাংলাদেশের সঙ্গী পাপুয়া নিউগিনি, ওমান এবং স্কটল্যান্ড।

টুর্নামেন্টে নিজেদের লক্ষ্য উদ্দেশ্য এবং প্রথম ম্যাচ ওমানের মুখোমুখি হওয়া নিয়েই কথা বলেছেন বেশি। তবে, এক পর্যায়ে গ্রুপে তাদের জন্য সবচেয়ে কঠিন প্রতিপক্ষ বাংলাদেশ সম্পর্কেও মন্তব্য করতে হয়েছে আসাদ ভালাকে। সেখানেই তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, বিশ্বকাপে বাংলাদেশ তাদের চেয়ে অনেক শক্তিশালী হলেও তারা কোনো ভয় পায় না। নিজেদের ওপর আস্থা এবং বিশ্বাস রেখেই খেলতে নামতে চায় মাঠে।

বাংলাদেশের বিশ্বমানের স্পিন আক্রমণের মুখে পাপুয়া নিউগিনির খেলার কৌশল কী হবে, সে সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয় দেশটির অধিনায়ক আসাদ ভালার কাছে। প্রশ্নের জবাবে বেশ আত্মবিশ্বাসের পরিচয় দেন আসাদ ভালা। তিনি জানিয়ে দেন, তারা নিজেদের দেশকে গর্বিত করতে চায়। একই সঙ্গে সতীর্থদের মুহূর্তগুলোকে আনন্দে ভরিয়ে তুলতে চান।

পাপুয়া নিউগিনি অধিনায়ক আসাদ ভালা বলেন, ‘আমাদেরকে বিশ্বমানের, অন্যতম সেরা স্পিন আক্রমণের মুখোমুখি হতে হবে। এটা আমাদের জানা আছে। এ বিষয়টা সামনে রেখেই আমরা অনুশীলনে কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছি। এখন আমরা যে কতটা উত্তেজিত এবং নিজেদেরকে প্রকাশ করার জন্য যে কতটা উদগ্রীব হয়ে আছি, সেটা দেখাতে চাই। আমরা নিজেদের মত করেই খেলবো এবং নিজেরাই নিজেদের খেলায় আনন্দ খুঁজতে চাই।’

ফিল্ডিং বিভাগ নিয়ে খুবই গর্বিত আসাদ ভালা। তিনি বলেন, ‘আমাদের গর্ব হচ্ছে ফিল্ডিং ডিপার্টমেন্ট। অন্যান্য বিভাগেও আমরা সমানতালে ভালো করতে চাই। পুরো দলটাকেই অলরাউন্ড দল হিসেবে তৈরি করতে চাই। আমরা নিজেদের সেরা নিয়ে মাঠে হাজির হবো এবং নিজেদের দেশকে গর্বিত করার চেষ্টা করবো।’

টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচেই ওমানের মুখোমুখি পাপুয়া নিউগিনি। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটাই তাদের প্রথম ম্যাচ। ওই ম্যাচ নিয়ে অধিনায়ক আসাদ ভালা বলেন, ‘সত্যি বলতে, এটা হচ্ছে আমাদের জন গৌরবময় এবং ঐতিহাসিক একটি মুহূর্ত। অনেকদিন পর আমাদের এমন একটি মুহূর্ত সামনে এলো। অনেকবারই আমরা বিশ্বকাপ খেলার খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলাম। কিন্তু শেষ মুহূর্তে আর সম্ভব হয়নি। এবার আমরা সেটা অর্জন করেছি। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ খেলার জন্য আর মাত্র দু-একদিন সময় হাতে আছে। আমরা একটি ঐতিহাসিক মুহূর্তের সামনে দাঁড়িয়ে। রোববারের ম্যাচের জন্য ছেলেরা সবাই উদগ্রীব হয়ে আছে। করোনা মহামারির মধ্যে অনেক মানুষ মারা গেছে, অনেকেই চাকরি হারিয়ে দেশে ফিরে এসেছে- তাদের জন্যই আমরা এই বিশ্বকাপটা খেলতে চাই।’

আইএইচএস/

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]