এর চেয়ে বড় অঘটন আর কী হতে পারে!

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২:৪০ এএম, ১৬ অক্টোবর ২০২১

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় আপসেটের কথা যদি বলা হয়, তবে দুটি ম্যাচের কথা উঠবেই, উঠবে। বিশ্বকাপের প্রথম আসরে প্রতাপশালী অস্ট্রেলিয়াকে রীতিমতো মাটিতে নামিয়েছিল তখন টেস্ট স্ট্যাটাস না থাকা জিম্বাবুয়ে।

সেটাও আবার এই বৈশ্বিক আসরে নিজেদের প্রথম ম্যাচে। অঘটনের তালিকায় ধরা যায় আইসিসির সহযোগী দেশ হিসেবে বিশ্বকাপে নাম লেখানো নেদারল্যান্ডসের ইংল্যান্ড বধ। ২০০৯ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই বিশ্বকে অবাক করে দিয়ে স্বাগতিকদের হারের লজ্জা উপহার দেয় ডাচরা।

শিরোপা প্রত্যাশী হিসেবেই ঘরের মাঠে ২০০৯ সালে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে নামে ইংল্যান্ড। তবে ক্রিকেটের মক্কাখ্যাত লর্ডসে প্রথম ম্যাচেই বিপর্যস্ত তারা। আর সেই কাজটা করার দায়িত্ব নেয় তাদেরই প্রতিবেশি নেদারল্যান্ডস।

Netherlands

আগে ব্যাট করা ইংল্যান্ড উদ্বোধনী জুটিতেই তুলে ফেলেছিল ১০২ রান। রবি বোপারা, লুক রাইটদের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে রান পাহাড়ে চড়ার পথেই ছিল ইংল্যান্ড। তবে ৪৬ রান করে বোপারা ফিরতেই স্বাগতিকদের চেপে ধরে নেদারল্যান্ডস। রাইট ৭১ রান করলেও, শেষ পর্যন্ত ১৬২ রানেই থামে থ্রি লায়ন্সের রানের চাকা।

জবাব দিতে নেমে নেদারল্যান্ডসের শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি। দলীয় ২২ রানের মধ্যেই দুই ওপেনারকে হারিয়ে বসে দলটি। তবে পাঁচে নেমে টম ডি গ্রুথ এবং অধিনায়ক পিটার বোরেন পঞ্চম উইকেট জুটিতে ইংলিশ বোলারদের নাকানিচুবানি খাইয়ে দলকে জয়ের ভিত গড়ে দেন। সেই ভিত ধরেই রায়ান টেন ডেসকাট নেদারল্যান্ডসকে এনে দেন বিশ্বকাপের প্রথম জয়।

এই অঘটনের আগে মাইটি অস্ট্রেলিয়াও প্রতিপক্ষকে দুর্বল ভেবে খেয়েছিল হোঁচট। প্রথম বিশ্বকাপেই জিম্বাবুয়ে সেই অঘটন ঘটায়। রিকি পন্টিংয়ের অধীনে ওয়ানডে বিশ্বকাপ জিতে অসিরা নেমেছিল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপও নিজেদের করতে।

Australia-zimbabwe

তবে প্রথম ম্যাচেই তাদের ভড়কে দেয় দুর্বল জিম্বাবুয়ে। হারিয়ে দেয় ৫ উইকেটের বড় ব্যবধানে। প্রথমে ব্যাট করে ১৩৮ রানের বেশি করতে না পারলেও ব্রেট লি, মিচেল জনসনদের নিয়ে গড়া বোলিং লাইনআপ নিয়ে জয় ব্যতীত কিছুই ভাবছিল না ক্যাঙ্গারুরা।

তবে ইনিংস উদ্বোধন করতে নেমে ব্রেন্ডন টেলর একাই সেদিন হারিয়ে দেয় অস্ট্রেলিয়াকে। ১ বল হাতে রেখে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেয়ার আগে তার ব্যাট থেকে আসে অপরাজিত ৬০ রানের নান্দনিক এক ইনিংস। যেই ইনিংসে পরাভূত হয় অস্ট্রেলিয়ার দম্ভ।

এসএস/আইএইচএস/

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]